ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জন্ম মৃত্যু বিয়ে এই তিনটা বিষয় নিয়ে সরাসরি আল্লাহতায়ালার হাত রয়েছে। এর মধ্যে যদিও কিছুটা ব্যাতিক্রম হল বিয়ের তারিখ নির্ধারন, উল্লেখ্য কখনো কখনো মানুষের একাধিক বার বিয়ে করতে হয় তবুও প্রথমবার বিয়ের তারিখ টা জীবনের বিশেষ একটা বিয়ের তারিখ নির্ধারন করে। কাজেই বিয়ের তারিখটা একাধিক হয়ে থাকে। আর তাই একাধিক বার বিয়ে বার্ষিকী করা যেতে পারে যদি হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে। কিন্তু জন্ম আর মৃত্যু বার্ষিকী আল্লাহ প্রদত্ত তারিখে হয়ে থাকে। এটাই নিয়ম।

জন্ম তারিখ নিয়ে আমাদের তরুণ প্রজন্ম মাঝে উপহার সামগ্রী বা প্রিয়জন এর বিশেষ বার্তা পাওয়ার আশায় দেখা যায় বছরের একাধিক বার উদযাপন করে থাকে। অবশ্য এই জন্মতারিখ বা জন্মদিন উদযাপন করার বিষয়টা বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবনে আর থাকে না।

আজকে যার জন্ম তারিখ নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করব উনি আর কেউ নয় উনি হলেন আমাদের দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদে বিরোধী দলীয়নেত্রী। উনি যদি এই বয়সে এসেও বিতর্কিত জন্মদিন উদযাপন করেন তরুণ প্রজন্মের মত নিজের খেয়ালের বসে। তাহলে সেটা নিয়ে আমাদের কিছুটা লজ্জা বোধ লাগে। উল্লেখ্য উনি এই জন্ম দিন উদযাপন শুরু করেছেন ১৯৯১ সালে যখন উনার দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে তখন থেকে। এর আগে উনার আসল নাম ছিল খালেদা খানম ঢাকা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের রেকর্ড অনুযায়ী খালেদা খানমের জন্ম তারিখ ছিল ৫ই সেপ্টেম্বার ১৯৪৬ ইং।

ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত তথ্য চিত্রের ভিত্তিতে দেখুন

তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট

প্রশ্ন হলো উনি হলেন আমাদের দেশের সম্মানীয় ব্যাক্তি আর উনার জন্ম দিন এর উত্সব যদি হয় তরুণ প্রজন্মের মত কোনও খেয়াল খুশির তারিখে তাহলে এতে আমাদের শিক্ষণীয় কী হতে পারে?