ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রী আমন্ত্রণের নামে বাংলাদেশে এসে খুব সুক্ষ পরিকল্পনামাফিক একটি কাজ খুব সফলভাবে করে গেলেন। তা হলো ৭১’এর বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে তাল মিলিয়ে বলে গেলেন “অতীত কে ভুলে যান” মানে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো অত্যাচার নির্যাতন কে বৈধতা দিয়ে সে সময়ে দেশের মধ্যে যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলো, যারা আজ মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য বিচারের সম্মুখীন তাঁদের পক্ষে সাফাই গেয়ে গেলেন। আজ ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁদের মধ্যে নুন্যতম মানবতাবোধ বা সামাজিক আচরনের কোন চিহ্নটুকু নেই। তাঁরা যদি সামাজিকতায় বিশ্বাসী হতেন তবে একজন দায়িত্বশীল মুখপাত্র হয়ে আরেকজন দায়িত্বশীল ব্যাক্তির একটি পাওনা দাবীকে মুখের উপর সরাসরি না করে দিতে পারতেন না। এটি ছিল তাঁর সম্পূর্ণ একটি ধৃষ্টতামূলক আচরণ।

পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিনা’র এমন ধৃষ্টতা দেখিয়ে যাওয়ার পর, স্বাধীনতার স্বপক্ষের কোটি কোটি বাঙালি তাকিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দিকে এজন্য যে এমন একটি পরিস্থিতির পরে তিনি পাকিস্থান নামক রাষ্ট্রে যাবেন কি না?

অবশেষে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কে নিশ্চিত করেছে, প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদ যাচ্ছেন না। তবে কি কারনে যাচ্ছেন না সে সম্পর্কে কিছু জানা যায় নি।

অতীব দরকার ছিলো এমন একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার বঙ্গবন্ধু কন্যার। কারন যাই হোক না কেন, তিনি যাচ্ছেন না। সকল সিদ্ধান্তের মধ্যে এটিই সঠিক ও শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত তা যে কারনে হোক না কেন।