ক্যাটেগরিঃ মানবাধিকার

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) কে প্রায়ই দেখি আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নেতিবাচক অবস্থান নেয়। র‍্যাব নিয়ে তাঁদের এতই গাত্রদাহ ছিল যে, টানা ৬ মাস র‍্যাবের সকল কার্যক্রম এর পেছনে সমালোচনা করতেন মানবতার বুলি তুলে কিন্তু সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত মানুষদের ব্যাপারে তাঁরা জিরো টলারেন্স দেখিয়ে এক মহলের বাহবা কুড়াতেন। গতবছর ২০১২ পুলিশ সপ্তাহে র‍্যাব কে সম্মানিত পদক দেয়া হয়েছে তাঁর বিপক্ষে আর না হলেও ৩/৪ বার সমালোচনা করা হয়েছে। এতে মানবতার অশেষ ক্ষয় ক্ষতি সাধন হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত যারা অসহায়, নির্যাতিত, নিপীড়িত; তাঁদের পক্ষে একটি সামান্য বাক্য ব্যয় করতেও রাজি নয়।

গেল পূর্বের একটি ব্যাপার,

আর এবার, যুদ্ধাপরাধ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক কাদের মোল্লাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের যে প্রস্তাব করা হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। এক পর্যায়ে এও বললেন “এ সংশোধনী আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন।” কি জটিল ব্যাপার!!! আমার দেশে’র ইতিহাস বলে এই যুদ্ধাপরাধীরা ৭১ এ আমাদের দেশে বিনা বিচারে, বিনা দোষে হাজার হাজার লোক কে হত্যা- নির্যাতন- শারীরিক নির্যাতন করেছে। যে অসভ্যতা, বর্বরতা’র নজির বিশ্বের অন্য কোন দেশে আছে বলে আমার জানা নেই। এদের তৎকালীন কার্যক্রম ১৭৫৭’র মীরজাফর দের চেয়ে কোন অংশে কম নয় বরং বেশী হবে। তাঁদের পাপের ফলস্বরূপ আর আজ তাঁরা যখন বিচারের কাঠগড়ায় ঠিক তখনই আবার এইচআরডব্লিউ মানবতা লঙ্ঘনের বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করলেন। এর মানে এই দাঁড়ায় যে রাজাকার রা মানবতার পক্ষের শক্তি আর বাকিরা সব মানবতা বিরোধী শক্তি।

যেহেতু তাঁরা একটি মিডিয়া নির্ভর সংস্থা সেহেতু তাঁদের একটি এজেন্ডা অবশ্যই আছে। কিন্তু তাঁদের কাজ কর্মে তাঁদের সুস্থ্য বলে মনে হয় না আমার। এই অসুস্থ্য সংস্থার এজেন্ডা নিরপেক্ষ কিছুই না। জনগণের অনুভূতি বোঝার মতো ক্ষমতা যাদের নেই তাঁদের আমাদের দেশের স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলোতে হস্তক্ষেপ না করতে দেয়াই শ্রেয়। যাদের মূল উদ্দেশ্যে অপরিষ্কার তাঁদের ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা সবার জন্য জায়েজ। শুধু তাঁদের জন্য না যারা [যুদ্ধাপরাধীদের পদলেহন করে জীবনযাপন করে]