ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের রেজি: দিচ্ছে না বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এবং নতুন যারা ইন্টিমেশন ফরম নিতে আসছে তাদের ও ফরম দিচ্ছে না। আর যারা ইতোমধ্যে ১/২ বছর পূর্বে ইন্টিমেশন জমা দিয়েছে তাঁদের সবার রেজিঃ পত্র আটকে দিয়েছে বার কাউন্সিল। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আইনে পড়াশুনা শেষ যারা আইন পেশায় আসতে ইচ্ছুক তাঁদের প্রতি একপ্রকার অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে তাঁদের কাছে এই সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে লিখিত নির্দেশনা দেখতে চাইলে তাঁরা অপারগতা প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দিকে ইংগিত করে বলেন, “বেসরকারি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রদত্ত ডিগ্রীর প্রেক্ষিতে ইউজিসি’র অনুমোদন লাগবে”। এই নির্দেশনা তাঁরা নিজেরা নিজেরা ৫ই মার্চ’২০১৪ থেকে শুরু করেছেন। মৌখিক নির্দেশনা কে বা কারা দিয়েছে সে ব্যাপারে জানতে চাইলেও তাঁরা ঊর্ধ্বতন মহলের দিকে দৃষ্টি ঘুড়িয়ে দেন।

তাঁদের ভাষ্যমতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর ব্যাপী LL.B(Hons) পাস করা শিক্ষার্থীদের আর কোন মূল্য রইলো না, ভবিষ্যতে তাঁরা আইন পেশায়ও নিয়োজিত হওয়ার কোন সুযোগ নেই আপাতত।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রদত্ত ডিগ্রীর মান নির্ধারণে তাঁদের কোন প্রকার এখতিয়ার নেই বলেই আইনে বিদ্যমান। এটা নির্ধারিত করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
এমতাবস্থায় রেজিঃ পত্র নিয়ে যাদের সমস্যার মুখামুখি হতে হচ্ছে এবং পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ এ জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে তাদের থেকে একতাবদ্ধ মতামত গ্রহণ আশু প্রয়োজনীয়।।

এই হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন দাড়ায় ” সবগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাহলে কি অবৈধ ? ” সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রদত্ত ডিগ্রীর মান কে খাটো করে দেখার এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে বিশদ আকারের বিভাজন তৈরি করার ক্ষমতা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কে দিয়েছে তাও প্রতীয়মান নয়। যেখানে প্রতিটি বিসিএস পরীক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থীরা প্রথম শ্রেণীর ক্যাডার সার্ভিসে চাকুরি করে যাচ্ছে সেখানে বার কাউন্সিলের মতো প্রতিষ্ঠানের এহেন বিকৃত সিদ্ধান্ত উচ্চ শিক্ষা ব্যাবস্থাপনার পথে একটি জটিল প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে অরাজক পরিস্থিতি উদ্ভব ঘটাতে চাইছে ।