ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

গ্রামে প্রচলিত একটা কথা আছে “ঘরের ইঁদুরে বান কাটে”,এর অর্থ হলো ঘরের ইঁদুরগুলো সিঁধেল কাটতে কাটতে এমন ফাঁকা তৈরি করে যার ভেতর দিয়ে চোর-ডাকাত নির্বিঘ্নে প্রবেশ করে ঘরের মালিকের সর্বনাশ করে দিয়ে যায়। ১৯৭১’এ ও কিছু মানুষরূপী ইঁদুর স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশ নামক ঘরের সিঁধেল কেটে পাকিস্তানি হানাদারদের নির্বিঘ্নে মানুষ হত্যা,ধর্ষণ,লুটপাট,অগ্নিসংযোগ করার সুযোগ করে দিয়েছিল এবং সাথে নিজেরাও এই অপকর্মগুলোতে লিপ্ত হয়েছিল। বিজয়ের ৪০ বছর পর যখন ঐ মানুষরূপী ইঁদুরগুলো কলে আটকা পড়ল ঠিক তখনই দেখা যাচ্ছে তাদের বাঁচাতে কিছু উন্নতজাতের মানুষরূপী ইঁদুর ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু এবার যদি কলে আটকা পরা মানুষরূপী ইঁদুরগুলো কলের(আইনের) ফাঁক গলে কোনো মতে বেরিয়ে আসতে পারে তবে এরা ও বর্তমানের উন্নতজাতের ইঁদুররা একত্রিত হয়ে দেশের সিঁধেল এমনভাবে কাটবে যা সেই হ্যামিলনের ইঁদুরগুলোর হ্যামিলনবাসীর প্রতি করা অত্যাচার ও ভোগান্তিকেও হার মানিয়ে যাবে।

আর তখন তা ঠেকাতে আমরা হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার চেয়েও যদি দক্ষ ও শক্তিশালী কোন বাঁশিওয়ালার শরণাপন্ন হই, তাতেও কাজ হবে না। কারন এরা সেই ইঁদুর যারা নিজ স্বার্থে নিজের থাকার ঘরেরই বান কেটে যায় আর বনের ইঁদুরকে ঘরে নির্বিঘ্নে প্রবেশ করে মালিকের অনিষ্ঠ করার সুযোগ করে দেয়।
” ঘরের বান ঘরের ইঁদুরেই কাটে,বনের ইঁদুরে নয়”……..!!!