ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 
bd-6

“আমি গর্বিত তোমার মত এক রূপসী বাংলা পেয়ে”

আমার দেশ বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশি৷বেশি পুরানো না হলেও গর্বিত জাতি হিসেবে দাবি করার মত অনেক কিছুই আমার আছে! আমার আছে আন্তর্জাতিক একটা মাতৃভাষা, যার নাম বাংলা ভাষা৷ এমন ভাষা এই সুন্দর পৃথিবীতে আর একটিও নাই যে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে৷আমার এই মায়ের ভাষার জন্য সেই ১৯৫২সালে বুকের রক্তও ঢেলেছিল আমার দুখিনী মায়ের গর্বিত সন্তান বরকত,রফিক,জব্বার’রা৷১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে,যা বৈশ্বিক পর্যায়ে সাংবাভাষিক ভাবে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদ্ যাপন করা হয়,এটাও আমার জন্য একটা আনন্দের ব্যাপার৷

আমার গর্ব করার মত আছে আমার মহান স্বাধীনতা৷যে স্বাধীনতা ৩০লাখ শহীদের রক্তের কেনা ও বহু মা’বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে কেনা৷ স্বাধীনতার জন্য আমার দেশের মুক্তকামী মনুষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ ৯মাস পাক হানাদার বাহিনীর সাথে লড়াই করতে হয়েছে৷আমার মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াই এর মধ্য দিয়ে সেই পাকিস্তানীদে কাছ থেকে,১৯৭১সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে৷আর আমি পেয়েছি একটি দেশ, একটি পতাকা,একটি মানচিত্র৷ নতুন নামের শুভ সূচনায় নাম হলো বাংলাদেশ৷এটাও আমার গর্ব৷

আমি সেই গর্বিত বাঙালি জাতি, আমি পেয়েছিলাম মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শের-ই বাংলা এ কে ফজলুল হক,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে৷আমি পেয়েছি বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,পেয়েছি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে৷

আমি গর্বিত আনন্দিত,আমার দেশে চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য নদ-নদী আর খালবিলে৷আমার দেশে আছে ৮০০শ নদ-নদী,বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪.১৪০কিঃমিঃ জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷এত অসংখ্য নদ নদী এই পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আছে বলে মনে হয় না৷তাই বলা হয় নদীমাতৃক বাংলাদেশ৷

turag-river

আমার দেশের প্রধান নদীসমূহ পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র,কর্ণফুলি,শীতলক্ষা,গোমতি৷আমার দেশের ছোট-বড় ৮০০শ নদীর মধ্যে(৪৫০টি)নদীর অববাহিকা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে৷তার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী(১০২টি),উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী(১১৫টি),উত্তর-পূর্বাঞ্চলে(৮৭টি),উত্তর কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী ১৬টি),এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী(২৪টি)৷আমি গর্বের সহিত এসব নদীগুলোর উল্লেখ করছি৷

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী সমূহ: “আঠারবাঁকি নদী”আড়িয়াল খাঁ নদী” আতাই নদী”আন্ধারমানিক নদী”আফ্রা নদী” অর্পণগাছিয়া নদী”ইছামতি নদী”কচা নদী” কপোতাক্ষ নদী”কুমার নদ(চুয়াডাঙ্গা)”কুমার নদী (ফরিদপুর গোপালগঞ্জ)” কুমার আপার নদী” কুমার লোয়ার নদী” কায়রা নদী” করুলিয়া নদী” কাকশিয়ালী নদী” কাজীবাছা নদী” কাটাখালী নদী” কাটাখাল নদী”কালীগঙ্গা নদী( পিরোজপুর)” কীর্তনখোলা নদী” খায়রাবাদ নদী”খোলপেটুয়া নদী” গড়াই নদী” গুনাখালি নদী” গলঘেসিয়া নদী” গুলিশাখালী নদী” ঘাঘর নদী” ঘাসিয়াখালী নদী” চত্রা নদী”চুনকুড়ি নদী”চন্দনা-বারাশিয়া নদী” চাটখালী নদী”চিত্রা নদী”ঝপঝপিয়া নদী”টর্কি নদী” টিয়াখালী নদী”ঢাকি নদী”তেঁতুলিয়া নদী” তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী”দড়াটানা-পয়লাহারা নদী”দাড়ির গাঙ নদী”দেলুতি নদী”নুন্দা-উত্রা নদী” নবগঙ্গা নদী” নড়িয়া নদী”নেহালগঞ্জ-রঙমাটিয়া নদী” পটুয়াখালী নদী”পুটিমারি নদী”পুরাতন পশুর নদী” পশুর নদী” পান্ডব নদী”পানগুছি নদী”পালং নদী” ফটকি নদী” বগী নদী”বুড়িশ্বর-পায়রা নদী” বলেশ্বর নদী” বাদুড়গাছা নদী”বিশখালী নদী” বিশারকন্দা-বাগদা নদী”বিষ্ণু-কুমারখালী নদী” বেগবতি নদী”বেতনা নদী”বেলুয়া নদী”ভদ্রা নদী” ভুবনেশ্বর নদী”ভৈরব নদী”ভৈরব নদী(বাগেরহাট)”ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ” ভোলা নদী” মংলা নদী”মুক্তেশ্বরী টেকা নদী”মধুমতি নদী”মরিষ্চাপ-লবঙ্গবতী নদী” মাথাভাঙ্গা নদী” মাদারগাঙ নদী” মালঞ্চ নদী” মিনহাজ নদী” রূপসা নদী” রাবনাবাদ নদী” রায়মঙ্গল নদী” লোহালিয়া নদী” শাকবাড়িয়া নদী” শাতলা-হারতা-নাথারকান্দা নদী” শালদহ নদী” শিবসা নদী” শোলমারি নদী” সুগন্ধা নদী”সন্ধ্যা নদী”সয়া-হাড়িভাঙ্গা নদী” সাপমারা-হাবড়া নদী”সালতা নদী” সিরাজপুর-হাওর নদী”হরি নদী” হরিহর নদী” হামকুড়া নদী” হাড়িয়া নদী” হাপরখালী নদী” হাবরখালী নদী”হিশনা নদী”

pal4

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদীসমূহ)”আখিরা-মাচ্চা নদী” আত্রাই নদী” আত্রাই বা কাঁকড়া নদী(দিনাজপুর) “আত্রাই বা গুড় নদী(নওগাঁ-নাটোর)”আত্রাই নদী (পাবনা)”আত্রাই নদী”আলাইকুমারী নদী”ইছামতি নদী(দিনাজপুর) “ইছামতি নদী(পাবনা)”ইছামতি নদী(বগুড়া)”ইছামতি নদী(বগুড়-সিরাজগঞ্জ)” ইরামতি নদী” করতোয়া নদী” করতোয়া নদী (নীলফামারী) “কাগেশ্বরী নদী” কাটাখালী নদী” কালা নদী” কালাপানি নদী”কালুদাহা নদী”কুমলাল-নাউতারা নদী”কুরুম নদী”কুলিক নদী”থড়থড়িয়া-ভিলাই নদী” থালসিডিঙ্গি নদী”গদাই নদী”গবেশ্বরী নদী” পদ্মা নদী”গাংনাই নদী”গিদারী নদী” গিরাই নদী” শুকসী নদী” গোবরা নদী” গেহালা নদী” ঘড়িয়া খাল নদী”ঘাঘট নদী”ঘিরনাই নদী” ঘোড়ামারা নদী”চাওয়াই নদী”চিকনাই নদী” চিকলী নদী” চিরি নদী”চিড়ি নদী”চুয়াডাঙ্গা নদী” ছাতনাই নদী”ছোট টেপা নদী”ছোট যমুনা নদী”ছোট সেনুয়া নদী”টাঙ্গন নদী”ডাহুক নদী”টেপা নদী” তালমা নদী”তিস্তা নদী”তিস্তা নদী(পঞ্চগড়) “তীরনই নদী”তীরনই নদী(পঞ্চগড়)”তুলসীগঙ্গা নদী” দুধকুমারী নদী”দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী” ধরলা নদী”ধানজান নদী”ধুম নদী”নর্ত নদী”নলশীসা নদী”নয়েলা নদী”নাগর আপার নদী”নাগর লেয়ার নদী”নারোদ নদী”পলিমারি নদী”পাগলা নদী” পাথরঘাটা নদী”পাথরাজ নদী”পুনর্ভরা নদী” পেটকী নদী”ফকিরনী নদী”ফুলকুমারী নদী”ব্রম্মপুত্র-যমুনা নদী”বড়াল-আপার নদী”বড়াল লোয়ার নদী” বাঙালি নদী” বাদাই নদী” বার্নাই নদী”বান্নি নদী” বুরাইল নদী” বুড়িখোড়া নদী” বুড়ি তিস্তা নদী” বেরং নদী” বেলান নদী”বেসানী নদী”বোরকা নদী” ভাদাই নদী” ভুল্লি নদী” ভেরসা নদী” মহানন্দা আপার নদী” মহানন্দা লোয়ার নদী” মাইলা নদী”মালদাহা নদী”মুসাখান নদী”মানস নদী” যমুনা নদী(পঞ্চগড়)”রতনাই নদী”রামচন্ডি নদী” রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদী”লেংগা নদী”লোনা নদী” শিব নদী” সতী-স্বর্ণামতি-ভাটেশ্বরী নদী” সিমলাজান নদী” সিরামাখালী খাল নদী” সিংগিমারী নদী”সুই নদী”সেনুয়া নদী”সোজ নদী” হারাবতী নদী”হুড়াসাগর নদী”

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহ “আত্রাখালি নদী”আবুয়া নদী বা নান্দিয়া গাং”আমরি খাল নদী”ইসদার খাল-বারভাঙ্গা নদী”উপদাখালী নদী”উমিয়াম নদী”কর্ণঝরা নদী” কর্ণ-বালজা নদী”করিম নদী”কাঁচামাটিয়া নদী” কাপলা নদী”কামার খাল নদী”কামারখালী নদী” কালদাহার-কানিয়াকুল নদী”কালনী নদী” কালাপানিঝরা নদী”কুশিয়ারা নদী”কোরাঙ্গী নদী” খাজাচিং নদী”খাসিমারা নদী”খেপা নদী” খোয়াই নদী”গুমাই নদী”ঘাগটিয়া নদী” ঘানুরা-বগালা নদী”ঘোড়াউত্রা নদী”চামতি নদী” চিতলখালী নদী”চেলা নদী”জাফলং-ডাউকা নদী” জালিয়া ছড়া নদী”জালুখালি নদী”জুরী নদী” ডাউকা নদী”ধলা নদী”দুধদা নদী”দোলভা নদী” ধনু নদী”ধলাই-বিসনাই নদী”ধলাই নদী”নকলা-সুন্দ্রাকাশি নদী” নরসুন্দা নদী” নলজুর নদী” নয়াগাং নদী” নিতাই নদী” পাটনাই-পাইকারতলা নদী”পাবিজুড়ি-কুশিগাঙ-কুশিয়া নদী”পিয়াইন নদী” পিয়াইন নদী(সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা)”পুরনো সুরমা নদী” পোড়া খাল-থাইয়া নদী” বটরখাল নদী” বড় গাং নদী”বাউলাই নদী”বাথাইল নদী”বালই নদী” বিজনা-গুঙ্গাইজুরি নদী”বোরকা নদী”বেতৈর নদী” বেদুরি খাল নদী”ভাবনা-বাঁশিয়া-বহিয়া গাং নদী” ভোগাই-কংস নদী” মগড়া নদী” মনু নদী” মরা সুরমা নদী” মহারশি নদী” মহাসিং নদী” মালিজি নদী”মিরগী নদী”জাদুকাটা-রক্তি নদী” লংলা নদী” লাইন নদী” লাউরানজানি নদী” লুভা নদী” সাইদুলি-বারনি নদী” সাভারখালী নদী” সারি গোয়াইন নদী”সিনাই নদী”সিঙ্গুয়া নদী” সুভাই নদী”সুরমা নদী” সোনাই-বরদাল নদী” সোমেশ্বরী নদী” সোমেশ্বরীনদী(ধর্মশালা)” সোমেশ্বরী নদী(শ্রীবর্দী ঝিনাইগাতি)”

উত্তর-কেন্দীয় অঞ্চলের নদীসমূহ:”আইমান-আখিলা নদী” আইমান-মোবারি নদী” আড়িয়াল খাঁ নদী” ইছামতি নদী (মানিকগঞ্জ)”ইছামতি নদী (সিরাজদিখান)”ইলিশমারি নদী”এলংজানি নদী” কাটাখালী নদী” কালিগঙ্গা নদী(মানিকগঞ্জ)” খিরো নদী(ত্রিশাল)”খিরো নদী(ভালুকা)”গাংডুবি নদী” গাজীখালী নদী”গোল্লার খাল নদী”চাতাল নদী” চাপাই নদী” চিনাই নদী” জয়পাড়া খাল নদী” ঝারকাটা নদী” জিঞ্জিরাম নদী” ঝিনাই নদী” টঙ্গী খাল নদী”টংকি খাল নদী”তালতলা খাল নদী” তুরাগ নদী”তুলসীখালী খাল নদী”ধলেশ্বরী নদী” নাগদা খাল নদী”নাঙ্গলা নদী”নালজুরি খাল নদী” নাংলী নদী”পদ্মা নদী”পাগারিয়া-শিলা নদী”পারুলি খাল নদী” পাহাড়িয়া নদী” পুরনো ধলেশ্বরী নদী” পুরাতন ব্রম্মপুত্র নদী” পুংলী নদী” বংশী নদী” বংশী নদী(সাভার)” ব্রম্মপুত্র নদী(নরসিংদী-মুন্সীগঞ্জ)বাকসাভরা নদী”বাজ্জা-মেধুয়া নদী”বানার আপার নদী” বানর লোয়ার নদী” বালু নদী” বুড়িগঙ্গা নদী” বৈরাল নদী”বোশখালীর খাল নদী” মরা জিঞ্জিরাম নদী”মাহারি নদী” মিনিখালী নদী” লাবুন্ধা নদী” লৌহজং নদী” শীতলক্ষা নদী” সালদা নদী”সুতী নদী”সুতিয়া নদী”সোনাখালী নদী” হাই নদী”হাড়িদোয়া নদী”

5_39782

(পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদীসমূহ: ইছামতি নদী (রাঙ্গামাটি)” ঈদগাও নদী” কর্ণফুলি নদী” কাসালং নদী”চেঙ্গি নদী”ডলু খাল-টংকাবতি খাল নদী”নাফ নদী” বুড়ামাতামূহুরী নদী” বাঁকখালি নদী” ভারুয়াখালি নদী” ভোলাভাল নদী” মাইনী নদী” মাতামূহুরী নদী”রাংখাইন নদী”সাঙ্গু নদী”হালদা নদী”

দক্ষিণপূর্বাঞ্চলের নদীসমূহ:”আর্মি-নালিয়া নদী” কাকড়ি নদী” কাস্তি নদী”গোমতি নদী”ঘুংঘুর নদী” ছোট ফেনী নদী”ডাকাতিয়া নদী”ডাসাডিয়া নদী” তিতাস নদী” তিতাস নদী (নরসিংদী সদর-বাঞ্ছারামপুর)”ধনাগোদা নদী”ফেনী নদী”বিজলি নদী”বুড়ি নদী”ভুলুয়া নদী”মুহূরী নদী”মেঘনা আপার নদী”মেঘনা লোয়ার নদী”লহর নদী”লংগন বলভদ্রা নদী”সালদা নদী”সেলোনিয়া নদী”সোনাই নদী” হাওড়া নদী”

অন্যান্য নদীসমূহ:”আউলিয়াখানা নদী” আমনদামন নদী”আস্তাইল নদী”কাওরাইন নদী” কাজীপুর নদী”কালিন্দী নদী”খাড়িয়া নদী”গুমানি নদী” খোয়াখল্যাংতুইপুই নদী” চেল্লখালি নদী” চোরখাই নদী” জলঢাকা নদী” তেতুলিয়া নদী” তৈলগাঙ নদী”খেগা নদী”নাগেশ্বরী নদী”ধানখালী নদী”ধানসিঁড়ি নদী”নীলগঞ্জ নদী”পঞ্চবেগী নদী” প্রানসায়র নদী”বড়াল নদী”বরাক নদী”বান্দসা নদী” বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী” ময়ুর নদী” রহমত খালি নদী” রায়ডাক নদী”লঙ্গাই নদী”শূক নদী”হরবাংছড়া নদী” হরিণঘাটা নদী”হাড়িয়াভাঙ্গা নদী”হেরাচামতি নদী”(বাংলাদেশ-ভারত-মায়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহ:রায়মঙ্গল”ইছামতি-কালিন্দী”বেতনা-কোদালিযা” ভৈরব-কপোতাক্ষ” মাথাভাঙ্গা” গঙ্গা”পাগলা”আত্রাই”পুনর্ভরা”তেতুলিয়া”টাংগল” কুলিক বা কোকিল” নাগর” মহানন্দা” ডাহুক” করতোয়া” তালমা”ঘোড়ামারা” দিওনাই-যমুনেশ্বরী” বুড়িতিস্তা”তিস্তা”ধরলা”দুধকুমার” ব্রম্মপুত্র” জিঞ্জিরাম”চিল্লাখালি”ভোগাই”সোমেশ্বরী” দামালিয়া/যালুখালী”নয়াগাঙ” উমিয়াম”যাদুকাটা” ধলা” পিয়াইন”শারি-গোয়াইন”সুরমা”কুশিয়ারা” সোনাই-বারদল”জুরি”মনু”ধলাই”নংলা”খোয়াই”

সুতাং”সোনাই”হাওড়া”বিজলী”সাদলা” গোমতী” কাকরাই-ডাকাতিয়া” সিলোনিয়া” মুহুরী” ফেনী” কর্ণফুলি”নিতাই”সাংগু”মাতামুহুরী”নাফ”এই নদ নদীগুলো পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত ও গর্বিত৷

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,সকল দেশের রাণী সেজে আমার জন্মভূমি৷ (নদী তথ্য সংগ্রহ উইকিপিডিয়া)