ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,

আমরা নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী পারের জনগোষ্ঠী। এই শীতলক্ষ্যা নদীটি ছিল কোনও এক সময়ে স্বচ্ছ পানির জন্য বিখ্যাত। যা আপনারও জানা আছে প্রাচ্যের ডান্ডি নরায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যার কথা। এখন সেই নাম না থাকলেও, নদীতে নৌযানগুলো যথারীতিই চলছে। হচ্ছে নদীপথে পণ্য পরিবহণ, যাত্রীরা যাচ্ছে এপার থেকে ওপার। নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিয়োজিত আছে আপনার কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ। যাতে নিরাপদে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে নৌযানগুলো ও যাত্রীরা।

আমরা জানি, নৌ-পুলিশের কাজই হলো নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তার জন্যই সরকার ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর নৌ পুলিশ নিয়োগ দেয়। নৌপথের চাঁদাবাজি বন্ধ করা, জলদস্যুর দস্যুতা প্রতিহত করা। এখন নৌ পুলিশ তা না করে যদি নিজেরাই চাঁদাবাজি করে, তাহলে দেখতে বা শুনতে কেমন লাগে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? হ্যাঁ, এখন আমাদের শীতলক্ষ্যা নদীতে দিনে রাতে এমনটাই চলছে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

আগে শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে বড় বড় তেলবাহী জাহাজ আসতো, চলত যাত্রীবাহী লঞ্চ স্টিমার । এখন ঐসব বড় বড় জাহাজ আর লঞ্চ স্টিমারের যাতায়াত খুবই কম। এখন চলছে শুধু বালুবাহী ট্রলার, আর নদী পারাপারের ছোট ট্রলারগুলো। ওই যাত্রী পারাপারের ট্রলারের সাথে থাকে ছোট ছোট খেয়া নৌকাও। নৌ পুলিশ আর কোস্টগার্ডের ডিউটি থাকে দিনে রাতে ২৪ ঘন্টা। দিনে নৌ পুলিশ, রাতে কোস্টগার্ড।

সময় সময় কোস্টগার্ডের সাথে রাতের বেলায় নৌ পুলিশও থাকে। দিনে রাতে ডিউটির মাঝেই শুরু হয় তাদের চাঁদাবাজির সাঁড়াশি অভিযান। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে গেলে দেখা যায়, তাদের চাঁদাবাজির দৃশ্য। যতগুলো বালুবাহী ট্রলার শীতলক্ষ্যায় নদী দিয়ে যাতায়াত করছে, তাদের দিতে হচ্ছে চাঁদা। চাঁদা দিচ্ছে না যেসব ট্রলার, সেসব ট্রলারের পিছনে দৌড়াচ্ছে নৌ পুলিশ । প্রতিটি বালুর ট্রলার থেকে আদায় করছে ১৫০-২০০ টাকা। অন্যান্য মালামাল বহনকারী নৌযান থেকে নেওয়া হয়, কথা কাটাকাটির মাধ্যমে।

শীতলক্ষ্যার নৌপথে পরিবহণ করা মালামালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বালু ও পাথর। আনা-নেওয়া হয় পানি ছুঁই ছুঁই বাল্কহেড (বলগেট) নামের জাহাজে বা ট্রলারে । মেঘনা নদীর কোনো এক প্রান্ত থেকে আসে বালু, পাথার আসে সিলেট থেকে। জানা যায়, বালুবাহী এসব জাহাজ বা ট্রলারের বেশিরভাগেরই কোনো অনুমোদন নেই । অনুমোদন না থাকলেও সমস্যা নেই, আছে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড। তাই কোনও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করতে হয় না, ওইসব ট্রলার চালকদের।

কথায় আছে, “ভাই হল ওঝা, সাপের মাথায় পা রাখলেও কী হবে?” এখন ওঝার পাওনা দিতে দিতে ট্রলার চালকদের জীবন শেষ । আগে চাঁদা দিতো মাসে একবার, এখন আর মাসিক নিয়ম নেই। দিতে হয় নদীতে প্রবেশ করলে, না হয় আর দিতে হয় না।

এভাবেই নৌ পুলিশদের নিয়মিত মাসোহারা দিয়েই চালাচ্ছে অনুমোদনবিহীন ট্রলারগুলো। অদক্ষ চালক দিয়ে চলছে জাহাজ বা ট্রলার। আর সেই সুযোগে চাঁদা আদায়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছে নৌ পুলিশ । অভিযোগ রয়েছে, শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ পুলিশকে প্রতিবারে দিতে হয় ১৫০-২০০ টাকা । আর ঢাকার ভিতরে দিতে হয় ৫০০ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা । এর বিনিময়ে দিন শেষে রাতেও চালাতে পারে বালুবাহী ট্রলার বা জাহাজ ।

যেখানে নিষেধ রয়েছে রাতের অন্ধকারে নদীতে মালবাহী নৌযান চলাচলের উপর। সেখানে চাঁদার বিনিময়ে টস লাইটের আলোতে চলছে পণ্যবাহী ট্রলারগুলো। তাই রাতের অন্ধকারে চলতে গিয়ে সময় সময় নদীপথে ঘটে মারাত্মক দুর্ঘটনা, মারা যায় অনেক মানুষ। সে ব্যাপারে আপনি নিজেও অবগত আছেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আপনার নৌ পুলিশ ইচ্ছা করলে অনুমোদন বিহীন নৌযান গুলো বন্ধ করতে পারে। কিন্তু তা না করে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নিয়োজিত থাকে চাঁদা আদায়ের ধান্ধায়। রাত ৯টা থেকে যখন বালুবাহী ট্রলারের যাতায়াত কমে যায়, তখন নৌ পুলিশ শুরু করে খেয়া নৌকা থেকে চাঁদাবাজি। বর্তমানে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ পুলিশের চাঁদাবাজি এক চরমরূপ ধারণ করেছে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । প্রতিটি ট্রলার থেকে শুরু করে ছোট খাটো খেয়া নৌকায়ও হানা দিচ্ছে নৌ-পুলিশ । নৌ-পুলিশ চাঁদার আওতায় বেঁধে ফেলাছে নদী পারাপার হওয়া খেয়া নৌকাগুলোকে।

তাই তাদের দিনের মতন রাতের টার্গেট নৌযান ও খেয়ানৌকা। এটা এখন তাদের প্রতিদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । নারায়ণগঞ্জে নদী ঘেঁষা যে কয়টি থানা আছে, সেসব নদীতেই চলছে নৌ পুলিশের রাজত্ব। অনেক সময় নদীর পাড়ে ঘুরতে আসা মানুষের ওপরও হানা দেয়, এরকম শোনা যায় মানুষের মুখে। এভাবে চলতে থাকলে একদিন জলপথ, মরণপথে রূপ নেবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,

গত ৫ জুলাই রাত ৯টায় দুইজন লোক পরেছিল নৌ পুলিশের চাঁদাবাজির খপ্পরে। ঘটনাটি ঘটে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানাধীন চৌরাপাড়া গুদারাঘাটের মাঝ নদীতে। ওই দুইজন লোক ছৈয়ানৌকা চড়ে নদীর পূর্বপাড় যাচ্ছিলেন। একজন হলেন মোবাইল ব্যবসায়ী, অপরজন হলেন চাকরিজীবী।

তারা ওপারে যাওয়ার পথে মাঝ নদীতেই ছৈয়া নৌকাটিকে নৌ পুলিশ আটকে দেয় । চাকরিজীবী লোকটার কাছে যা ছিল, সবই কেড়ে নেয় নৌ পুলিশ। ব্যবসায়ী লোকটার কাছে ছিল প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। সেই টাকা নিয়ে একপর্যায় ধস্তাধস্তি, হৈচৈ শুরু হয়ে যায়। তখন এপার ওপার হওয়া কিছু নৌকার যাত্রী সেখানে জড়ো হয়। এভাবে নদীর মাঝখানে প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলে নৌ পুলিশের সেথে তর্কযুদ্ধ। এক পর্যায়ে মানুষের প্রতিরোধের মুখে দুইজনকে ছেড়ে দেয় নৌ পুলিশ। কিন্তু অসহায় চাকরিজীবী লোকটির ২০০০ হাজার টাকা আর ফেরৎ পায়নি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

p20170710-214604
নৌ-পুলিশ চাঁদা আদায়ের জন্য তাদের ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকাটি নিয়ে ছুটচ্ছে ।

নদীর পাড়ে বসে দেখা যায়, দুইটি ছোট ইঞ্জিনচালিত ছৈয়ানৌকা চলছে। একটা আসছে, আরেকটা যাচ্ছে। বালুবাহী ট্রলারগুলো যখন মেঘনা নদী থেকে শীতলক্ষ্ম্যায় প্রবেশ করে, তখনই নৌ-পুলিশের টার্গেটে পড়ে। বালুবাহী ট্রলার ছুটে চলছে ধীরগতিতে, যাবে তার গন্তব্যে। এই ছুটে চলা ট্রলারের পিছনে পিছনে ধেয়ে আসছে নৌ-পুলিশ। নৌ-পুলিশের ডিউটির নৌকাটি খুবই ছোট, ছুটে দ্রুতগতিতে। বালুরবাহী ট্রলার চলন্ত অবস্থায়ই ধরে ফেলে নৌ-পুলিশ। দূর থেকে দেখা যায়, বালুর ট্রলার থেকে নৌ-পুলিশকে কী যেন দিচ্ছে। বুঝতে অসুবিধা হয় না কী দিচ্ছে, দিচ্ছে তাদের পাওনা চাঁদা । চাঁদার টাকা সংগ্রহ করে নৌকার সামনে থাকা লোকটি, যিনি আদায়কারী । ভেতরে বসা থাকে নৌ-পুলিশ ।

মজার ব্যাপার হলো, চাঁদা আদায়ের সময়ও সরাসরি নৌ-পুলিশ থাকে নৌকার ভেতরে। বাহির হয় না, বাহির হলে যদি কোনো সাংবাদিক দেখে ফেলে, তাই। ছৈয়ানোকা থেকে নৌ-পুলিশ বাহির হয় কখন, যখন ট্রলার চালক চাঁদা দিতে আপত্তি জানায়, তখন। টাকার গায়ে লেখা থাকে, চাহিবা মাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে। আর নৌ-পুলিশের কথা হলো, আমার আদায়কারী চাঁদা চাওয়ার সাথে সাথে চাঁদা দিতে বাধ্য থাকিবে। না হয়, জোর করে হলেও চাঁদা আদায় করে ছাড়বো । করেও তাই । অনেক সময় দেখা যায়, চাঁদার জন্য ট্রলারেও উঠে যায় নৌ-পুলিশ । এসব দৃশ্য শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে বসেই দেখা যায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।
p20170710-214629
পানি ছুঁই ছুঁই করে চলে বালুবাহী ট্রলারগুলো ।

ট্রলার চালকদের অভিযোগ ও দাবি
তাদের অভিযোগ কয়েক কিলোমিটার পর পর পুলিশকে টাকা দিতে হয় । চাঁদা দিতে একটু দারি হলে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে । চাঁদা দেওয়ার পর তারা তাদের কোনো আদায় রশিদ দেয় না । যার কারণে আরেক ঘাটে গেলে, আরেক দলকে চাঁদা দিতে হয় । এভাবে একটা টিপে দুই-তিন জায়গায় চাঁদা দিয়ে তাদের নদীতে ট্রলার চালাতে হয় । টাকা দিতে না পারলে ৫ লিটার করে ডিজেল দিতে হয় নৌ-পুলিশকে । ডিজেল যদি না থাকে, তা হলে তাদের রান্না করার কেরোসিন তেলও নিয়ে যায় নৌ-পুলিশ ।

বর্তমানে তাদের দাবি, তাদের বৈধ অনুমোদন দিয়ে নৌ-পুলিশের খপ্পর থেকে বাঁচানো । বৈধভাবে নদীপথে নৌযান চালাতে যা যা করতে হয়, তাই করে নিবে তারা । বিনিময়ে চাই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সৎ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ।

অনুসন্ধানে জানা যায়
প্রতিদিন কয়েক শতাধিক বালু ও পাথরবাহী ট্রলার যাতায়াত করে শীতলক্ষ্ম্যায় । মাঝে মধ্যে শুধু সিলেট অঞ্চল থেকেই আসে প্রায় ২০০টি বাল্কহেড । বাকিগুলো ভৈরব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের। সিলেট থেকে নারায়ণগঞ্জ আসতে ১০/১২হাজার টাকা চাঁদা গুনতে হয় । এই চাঁদা দিতে হয় প্রতিটি ঘাটে ঘাটে, যেখানে যেখানে নৌ-পুলিশ থাকে । সময় সময় টাকা না দিলে চালকদের গালাগালি সহ মারধরও করা হয় ।

আগে নদী পথে সন্ত্রাসীরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত সব নৌযান থেকে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ নানারকম ঝামেলা পোহাতে হতো নদীপথে চলাচলকারীদের। একসময় নৌপথে যাতায়াতকারীরা নৌ-পুলিশ প্রতিষ্ঠার পর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল। মনে করেছিল নৌ-পুলিশের সহায়তায় নদীপথে নির্বিঘ্নে নিরাপদে চলাচল করতে পারবো। কিন্তু ফল হলো তার উল্টো। নৌপথে চলাচলকারীরা এখন নৌ-পুলিশের কাছেই জিম্মি। নৌ-পুলিশ নৌযান বাল্কহেড, ট্রলার, জাহাজ থেকে তো চাঁদা আদায় করছে।

আবার সেই সাথে নদী পারাপারে যাত্রীদেরও রেহাই দিচ্ছে না। আগে গভীর রাতে খেয়া পার হওয়ার সময় অনেকে সন্ত্রাসীদের ভয়ে কাঁপতো। এখন কাঁপে চাঁদাবাজ নৌ-পুলিশের ভয়ে । রাত ৯টার পর নৌ-পুলিশ তাদের ট্রলার বন্ধ করে মাঝ নদীতে বসে থাকে। চেয়ে থাকে কখন খেয়াঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে খেয়ানৌকা ছাড়বে।

খেয়া নৌকা ছাড়ার পর সামনে এসে দেখবে যাত্রীর সংখ্যা কত । বেশি যাত্রীর নৌকার ধারে কাছেও ভিড়ে না নৌ-পুলিশ। যদি মার খায়! যেই নৌকায় যাত্রী সংখ্যা কম, সেই নৌকাতেই হামলা। এই নৌ-পুলিশের জন্য এখন রাতের বেলায় নৌকার মাঝিরা যাত্রীই পায় না। রাতের বেলায় নদী পারাপারে যাত্রীরাও থাকে আতংকে । কখন জানি নৌ-পুলিশ হানা দেয়, সেই ভয়ে । নদীপথে নৌ-পুলিশ এখন এক আতংকের নাম । তাদের চেয়ে জলদস্যুও অনেক ভালো । জলদস্যুরা টাকাপয়সা নিয়ে নেয় ঠিক, রান্না করার কেরোসিন তেল নেয় না। কিন্তু নৌ-পুলিশ সবই কেড়ে নেয় ।

এখন নৌ-পুলিশের খপ্পর থেকে নৌযানসহ যাত্রীদের বাঁচাবে কে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? আপনার হস্তক্ষেপ ছাড়া আরা উপায় নাই । নৌ-পুলিশ এখন হিংস হায়নার রূপধারণ করে আছে । দিনের বেলা হানা দেয় নৌযানগুলোর উপর, রাতে হানা দেয় নদী পারাপারের যাত্রীদের । শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে যাতায়াতকারী সবাই নৌ-পুলিশের হানা থেকে বাঁচতে চায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পরিশেষে
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করি, মাননীয় মন্ত্রীমহোদয়, আপনি দেশের জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার কর্ণধার ৷

আপনার অধীনে দেশের অভ্যান্তরীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মানবসম্পদ ও জীবনের নিরাপত্তা প্রদান, উদ্ধার অভিযান/তৎপরতা, অপরাধদমন, অপরাধী শনাক্তকরণ, জল ও স্থলপথের নিরাপত্তা বাস্তবায়নের সকল দায়িত্ব মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

দেশের প্রায় ৮০০ নদ-নদীর বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা । তারমধ্যে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ । এই দীর্ঘ নৌপথের নিরাপত্তার দায়িত্ব যাদের হাতে করেছেন ন্যস্ত, তারাই করছে ত্রাসের রাজত্ব মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । দয়া করে আপনি দেশের নৌপথের নিরাপত্তার বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন কি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? আপনার নৌ-পুলিশ থামান, দেশের নৌপথ বাঁচান মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী!