ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

A7_1362904415_1-shiva-aum
আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী। সে সাথে মূর্তিপূজা ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজার্চনায়ও বিশ্বাসী। অথচ এই ‘হিন্দু’ নামের কোনও শব্দ কোনও শাস্ত্রগ্রন্থে খুঁজে পাওয়া যায় না। তাহলে এই হিন্দু শব্দটা আসলো কোথা থেকে? মূলত ‘আর্য’ ধর্মের পরিবর্তিত নাম হল ‘হিন্দু’ ধর্ম। আর এই আর্য ধর্ম সবচেয়ে প্রাচীন বলেই এ ধর্মকে সনাতন ধর্ম বলা হয়। আর এই আর্য-ধর্মের মূল গ্রন্থ ছিল বেদ। এই আর্য ধর্মের উৎপত্তি কখন বা কবে সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়েও বহু মতবিরোধ রয়েছে। এর সঠিক তথ্য আজ পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। তাই এই আর্য ধর্মটি ‘সনাতন’ (পুরাতন) ধর্ম নামে বিশ্বের বুকে প্রসিদ্ধ।

জানা যায় ‘হিন্দু’ শব্দের উৎপত্তি প্যারসিক শব্দ থেকে। প্রাচীন কালে নাকি প্যারসিক বলা হত ইরানিদের। হিনস্‌র ভাষায় ‘হিন্দু’ শব্দের অর্থ হল যিনি হিংসা করে না। অতএব যিনি হিংসা করে, তিনি হিন্দু হতে পারে না। অথচ এই হিংসা আর অহংকারে আজ আর্য/হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব দাঁড়িয়েছে শূন্যের কোঠায়। হিংসা আর অহংকার করে বড়বড় পণ্ডিতরাও মানুষকে সঠিক তথ্য দেয় না। মন্দিরে থাকা পুরোহিতের কাছে কেউ ধর্ম বিষয়ে বুঝতে চাইলেও বোঝায় না। আবার নামকরা গুরুদেবরা থাকে শুধু মানুষকে মন্ত্র দিয়ে শিষ্য বানানোর ধান্ধায়। যত শিষ্য তত সুনাম, তত তার বাৎসরিক মুনাফা। তথ্য বা এর মূল ব্যাখ্যা না জানার করণে, আজ বেশিরভাগ মানুষই হিন্দু ধর্ম বিষয়ে রয়ে গেছে অজ্ঞ। যাক সে কথা, আসল কথায় আসি।

আর্য হিন্দুদের আদি-নিবাস ছিল, ইরানের ইউরাল পর্বতের পাদদেশের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলের কিরঘিজিস্তান নামক স্থানে। কোনও একসময় আর্য জনগোষ্ঠী কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ/ ভূমিকম্প অথবা অন্য গোত্রদের আক্রমণের কারণে ইরান থেকে বিতাড়িত হয়। এরপর আর্য ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠী ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অগ্রসর হয় এবংবর্তমান ভারতর্ষে বসতি স্থাপন করেন। আশ্রয় নেয় সিন্ধু নদীর পাড়ে, তখন তাদের পরিচয় ছিলো ‘সিন্ধু’ নামে। কিন্তু তখনকার সমর অনেকেই সিন্ধু শব্দ উচ্চারণ করতে পারতো না। উচ্চারণ হতো ‘স’ এর পরিবর্তে ‘হ’। তাই সিন্দুর বদলে বলতো হিন্দু। সে থেকেই আজ অবধি এই ‘হিন্দু’ নামেই বিশ্বের কাছে পরিচিত। আমি আর্য/হিন্দু ধর্ম নিয়ে কোনও আলোচনা করছি না। আমি শুধু শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ পূজা নিয়ে কিছু আলোচনা করতে চাই।

কথিত আছে আমাদের চারপাশ ঘিরে আছে তেত্রিশ কোটি দেবতা। জানা নেই, সব দেবতার পূজার বিধান এবং তেত্রিশ কোটি দেবতার নাম। শুধু হাতেগোনা কিছুসংখ্যক দেবদেবীর পূজার্চনাই আমরা করে থাকি। প্রতিদিন গৃহলক্ষ্মীর পূজা ছাড়াও করে থাকি বারমাসে তেরো পূজা। তারমধ্যে একটি আলোচিত পূজার নাম হলো ‘লিঙ্গ’ পূজা। যে পূজা শুদ্ধভাবে বলা হয় ‘শিবলিঙ্গ’ পূজা বা শিবরাত্রি। আর ‘লিঙ্গ’ পূজা নামে যেই শব্দটি প্রচলিত, তা আসলে বিকৃত শব্দ। এই পূজাটি বছরে ১৬টি সোমবারে অনেকেই করে থাকে। তবে শিবের নামে যেই পূজাগুলো হয়ে থাকে, তা হলো ‘শিব পূজা’, শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ পূজা।

শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ পূজা:
সব ব্রতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হল এই মহাশিবরাত্রি। এই মহাশিবরাত্রি ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। মহাশিবরাত্রি হল হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ আরাধ্য দেবাদিদেব মহাদেব শিবের মহারাত্রি। ব্রত/পূজার আগের দিন ভক্তগণ নিরামিষ আহার করে। রাতে বিছানায় না শুয়ে মাটিতে শোয়া হয়। ব্রতের দিন তারা উপবাসী থাকে। তারপর রাত্রিবেলা চার প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ, দই, ঘৃত, মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো হয়। তারপর বেলপাতা, নীলকন্ঠ ফুল, ধুতুরা, আকন্দ, অপরাজিতা প্রভৃতি ফুল দিয়ে পূজা করা হয়। আর ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ নমঃ, এই মহামন্ত্র জপ করা হয়। ছোটবেলায় আমার মা-বোনদেরও এই শিবরাত্রি ব্রত করতে দেখেছি। শিবরাত্রি সবচেয়ে বেশি জাঁকজমকভাবে শিবরাত্রি উদযাপন করা হয়, হিন্দু রাষ্ট্র নেপালে।

এই নিয়ে দৈনন্দিন জীবন চলার মাঝে অনেক মুসলিম বন্ধুদের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তারা অনেকে একে পুরুষাঙ্গের পূজা হিসেবে ব্যাখ্যা করে অশ্লীলতা বলে মনে করেন। তা একেবারেই ভুল ধারণা আর একরকম মনগড়া কথা। অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও এর মূল তথ্য জানে না। না জানার করণেই, প্রশ্নকারীর প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে না। তখন প্রশ্নকারী নিজেই এর ভুল ব্যাখ্যা দিতে থাকেন। আর উত্তরদাতা উত্তর না দিতে পেরে লজ্জায় বরফ হয়ে যায়। আসলে এখানে কোনও অশ্লীলতার ছোঁয়া নেই, লজ্জার কোনও ব্যাপার নেই। আছে শুধু অনেককিছু দেখার ও বোঝার। হিন্দু ধর্মে শিবকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বলে মনে করা হয়। কাজেই তার শিবলিঙ্গ যে দেবতা শিবের প্রতীকী পূজা, তা বোঝা প্রয়োজন।
শিবলিঙ্গ পূজার বা হিন্দু ধর্মের নিয়ে কিছু কথা এখানে দেখুন।

শিবলিঙ্গ:
শিব কথার অর্থ, সত্য, সুন্দর ও মঙ্গল, লিঙ্গ কথার অর্থ, প্রতীক। এ হলো হিন্দুদের দেবতা শিবের একটি সত্যে ও মঙ্গলের প্রতীক চিহ্ন। শিবকে এই প্রতীকের সাহায্যেই প্রকাশ করা হয়। শিব থাকেন ব্রহ্মের ধ্যানে লীন, আর সব মানুষকেও ব্রহ্মের প্রতি ধ্যানমগ্ন হতে উপদেশ দেন। শিব লিঙ্গের উপরে ৩টি সাদা দাগ থাকে যা শিবের কপালে থাকে। তাই শিবলিঙ্গ যদি কোন যৌনইন্দ্রিয় বুঝাত, তা হলে শিবলিঙ্গের উপরে ঐ ৩টি সাদা তিলক রেখা থাকত না। এখানেও অনেকের অনেককিছু বোঝাবার প্রয়োজন।

images

শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গের পূজা হিন্দুদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। যেসব শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গের মূর্তি তৈরি করা আছে, সেসব মন্দিরে পূজা হয়। এই পূজাটির প্রচলন বহু প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত-সহ বাংলাদেশেও প্রচলিত রয়েছে। আর এই শিবলিঙ্গ পূজার রীতি সম্পর্কেও রয়েছে অনেক ভুল ধারণা। অনেক মানুষ সোজা কথায় বলে ফেলে লিঙ্গ পুজা। আসলে এটি লিঙ্গ পূজা নয়, এটি দেবতা শিবের প্রতীকী পূজা বা শিবরাত্রি পূজা। এই শিবরাত্রিতে শিবলিঙ্গে জল, দুধ, ঢালা হয় বলে অনেকে ভুল বুজে নানা কুৎসা রটায়।

গুণীজনরা শিবলিঙ্গকে মোট তিনভাগে ভাগ করে এর আলাদা আলাদা নামও দিয়েছে।
১। সবচেয়ে নীচের চারমুখী অংশটি থাকে মাটির নীচে।
২। মাঝখানের অংশটি আটমুখী, যা বেদীমূল হিসেবে কাজ করে।
৩। উপরের অর্ধবৃত্তাকার অংশটি পূজিত হয়।

এই তিনটি অংশের সবচেয়ে নীচের অংশটি ব্রহ্মা, তার উপরের অংশটি বিষ্ণু ও একেবারে উপরের অংশটি শিবের প্রতীকী চিহ্ন। বেদীমূলে একটি লম্বাকৃতি অংশ রাখা হয়, যা শিবলিঙ্গের মাথায় ঢালা জল বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। এই অংশের নাম গৌরীপট্ট, যা মূলত যোনিপ্রতীক। যেই পথ অনুসরণ করে পৃথিবীতে আসেছি আমরা সবাই। আসেছে মুনি মহামুনিগণ, আসেছে রাজা বাদশা আর ফকির সাধু গুরু মহাগুরুও। শিবলিঙ্গ পূজার মধ্যে কোনও অশ্লীলতা নেই। শিবলিঙ্গ একই সঙ্গে শিবের সৃজনাত্মক ও ধ্বংসাত্মক রূপের প্রতীক। শিবলিঙ্গ ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক আর সত্যের প্রতীক। শিবলিঙ্গ যেহেতু ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, সেহেতু ‘লিঙ্গ’ শব্দটির অর্থ কিন্তু পুরুষাঙ্গ নয়, বরং একটা প্রতীকী চিহ্ন মাত্র।

সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা প্রচলিত বিশ্বাস হল এই যে, এই শিব লিঙ্গ পূজা শুধু অবিবাহিত মেয়েরাই করে থাকে। কিন্তু না, অবিবাহিত আর বিবাহিত মেয়েরা শিবলিঙ্গের কাছে যাওয়াও অনুচিত। কারণ, মেয়েদের শরীর সবসময় পবিত্র থাকে না, তাই। আবার নারীই পুরুষের ধ্যানভঙ্গের প্রধান কারণ বলে বিবেচিত। কুমারী নারীর সান্নিধ্যে পুরুষের চিত্তবিচলন ঘটার সম্ভাবনা আরও বেশি। সেই পুরুষ সাধু হলেও নিয়ম অন্যরকম নয়। কাজেই শিবের কাছাকাছি যাওয়ার ব্যাপারে কুমারী মেয়েদের কিছু বিধিনিষেধ আছে।

আর যেসব জায়গায় বসে দেবতা শিব ধ্যান জরতেন, সেই জায়গাগুলি ছিল অত্যন্ত পবিত্র। শিবের ধ্যানক্ষেত্রের আশেপাশে স্বয়ং দেবতাদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কারণ, সকলকেই খেয়াল রাখতে হত, শিবের ধ্যানে যাতে কোনওভাবে বিঘ্ন না ঘটে। শিবের ধ্যানে কোনওরকম বাধা পড়লেই শিব অসন্তুষ্ট হবেন। আর শিব একবার অসন্তুষ্ট হলে মহাবিপদ। এমনিতেই শিব হলেন, ধ্বংসলীলার দেবতা, তিনি অসন্তুষ্ট হলে মুহূর্তেই ধ্বংসলীলায় পতিত হবে পৃথিবী।

তাই বলে কি মেয়েদের শিব পূজায় কোনও নিষেধাজ্ঞা আছে? না। এখনো ভারতসহ বাংলাদেশের বহু কু‌মারী মেয়েরা দেবতা শিবের পূজা করে। তারা শিবরাত্রি/শিবলিঙ্গকে অনুস্মরণ করে ১৬টি সোমবারে ব্রত করে থাকেন। ফাল্গুন মাসের শিবরাত্রি ছাড়াও এই শিবের পূজা মেয়েরা বারোমাসই করে। শিবের ব্রত করার সময় মেয়েরা উপবাস রাখেন। পণ্ডিতরা বলেছেন, শ্রাবণ মাসে এই ব্রত রাখলে নাকি বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। বিবাহিত মেয়েরা শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ পূজা করে স্বামীর সুখ আর আয়ু বৃদ্ধির জন্য। আর অবিবাহিত মেয়েরা পূজা করে তার জীবনে একটা শক্তিমান ও আদর্শবান পুরুষ আসার কামনায়। পৃথিবীর সব ধর্মের অবিবাহিত মেয়েরাই চায়, তার জীবনে একজন সৎ এবং আদর্শবান পুরুষ আসুক। তাই সারা দুনিয়ার হিন্দু ধর্মের অবিবাহিত মেয়েরা শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ ব্রত/পূজা করে। আগে এবং বর্তমানেও শিবলিঙ্গের পূজা সারা ভারত-সহ বাংলাদেশেও জনপ্রিয়। শুদ্ধ পঞ্জিকা মতে প্রতিবছর নির্ধারিত দিনে শিবরাত্রি / শিবলিঙ্গের পূজা করা হয়।

আমি ১৪০০ বাংলা সনের প্রথম দিকে একবার ভারতে গিয়েছিলাম। সেখানে অবস্থান করেছিলাম প্রায় বছর দেড়েকেরও বেশি। সেখানে থাকা অবস্থায় দেখেছি সেখানকার শিবরাত্রি উদযাপনের দৃশ্য। সেখানকার মানুষের মুখে শুনেছি, দিল্লি, চেন্নাই, হরিয়ানায় খুবই জাঁকজমকভাবে এই দিবসটি পালিত হয়। শিবের পূজার দিনে মেয়েরা পু‌রুষদের সাহায্যকারী হিসেবেও কাজ করেন‌। যেমন, ধোয়ামোছা, শঙ্খ বাজানো, উলুধ্বনি দেওয়া।
আবার আমাদের দেশেও দেখা যায়, মেয়েরা স্নানের পর, শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢেলে ভক্তি দেয়। মেয়েদের শিবভক্তির নানা উল্লেখ রয়েছে শিব পুরাণেও। শিবকে সন্তুষ্ট করতে পারলে নাকি মেয়েরা শিবের মতোই আদর্শ স্বামী লাভ করেন।

পরিশেষে:
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে হাতে-হাতে মোবাইল ফোন। থাকে ইন্টারনেট সংযোগের সুবিধা। আর ইন্টারনেট মানে হলো সারা দুনিয়া ভ্রমণ করা। ইন্টারনেট মানে হলো তথ্যের ভাণ্ডার, না জানা অনেককিছু জানা। এই ইন্টারনেট গুগল-এ অথবা ইয়াহুতে সার্চ করলেই পৃথিবীর সবকিছুই সহজে জানা যায়, দেখা যায়। তবু আমরা সঠিক তথ্যের দিকে না তাকিয়ে মনগড়া কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াই। সৃষ্টি করে তুলি দাঙ্গাহাঙ্গামা, ছোট করি একে অপরের ধর্মকে। হুন্দু ধর্মে বা আর্য ধর্মে একক শব্দ ‘লিঙ্গ’ পূজার কোনও অস্তিত্ব নেই। আছে ‘শিবরাত্রি বা শিবলিঙ্গ’ ব্রত/পূজা।

অথচ এমন একটা সত্যকে আড়ালে রেখে, কিছু মানুষ এই পূজাকে নানাভাবে কলঙ্কিত করছে। দিচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন বানোয়াট তথ্য, রটাচ্ছে অকথ্য কথ।বিশ্ববিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগলে সার্চ করলেই দেখা যায়, এই পূজা বিষয়ে নানাধরনের কথা। দেখা যায় বর্তমান যুগের স্বাদের ফেসবুক পেইজেও। যাই হোক কেউ জেনেও নিন্দা করে, আবার কেউ শুনেও নিন্দায়। আসল ঘটনায় খুব কম মানুষেই তাকায়। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তা সবাইকে বোঝবার শক্তি দান করবেন। তার দয়ায় দূর হবে শিবলিঙ্গ নিয়ে মানুষের ভুল ধারনা। সবাই বুঝবে যেখানে সত্য, সেখানেই শিব। যেখানে শিব, সেখানেই সুন্দর। যেখানে সত্যের প্রতীক, সেখানেই ‘শিবলিঙ্গ’।
সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্

লেখার বিস্তারিত শিব পুরাণ থেকে সংগৃহীত: