ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

ছোটবেলায় দেখেছি নতুন বছর শুরু হলেই মা-বাবা জ্যোতিষকে (পণ্ডিত) বাড়িতে ডেকে আনতো। তাকে বসতে দিতো বাড়ির উঠোনের মাঝখানে ভালো একটা বিছানায়। জ্যোতিষীর সামনে দেয়া একটা জলচৌকির উপরে থাকতো জ্যোতিষ শাস্ত্রের বইখানা। আর জ্যোতিষীর সামনে-পেছনে বসে থাকতো ছেলে-বুড়ো সকলে। জ্যোতিষীকে হাত দেখানোর অভিপ্রায়ে গ্রামের অনেক বাড়ির লোকও সেই আসরে যোগ দিতো। তা মানুষের হাত দেখে জ্যোতিষীরা ভবিষ্যদ্বাণী বলতো, একই সাথে দেশের পরিস্থিতিও (বর্ষফল) বলতো। এখন আর ঐসব জ্যোতিষীদের দেখা যায় না।

১৪২৫ বাংলা সালের লোকনাথ হাফ পঞ্জিকা

 

তবে জ্যোতিষীদের বর্ণনার মতো ঐরকম বর্ষফল পঞ্জিকাতেও লেখা থাকে। পঞ্জিকাটির নাম, ‘লোকনাথ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকা’। পঞ্জিকায় যার যার রাশির উপর ভিত্তি করে নতুন বছরটি কেমন যাবে, তা লেখা থাকে। এটাকে বলা হয় রাশিফল বা বর্ষফল। লেখা থাকে নতুন বছরে বহির্বিশ্বের পরিস্থিতি নিয়েও। আবার রাশিফলের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা থাকে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব। লেখা থাকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতিনিধি কে কে হবেন তা নিয়েও। নতুন বছরে কে করবেন বাতাস নিয়ন্ত্রণ, কে করবেন আলো নিয়ন্ত্রণ, কে করবেন খাদ্যশস্য নিয়ন্ত্রণ, কে করবেন দুর্যোগ মোকাবেলা, কে দিবেন বৃষ্টি, কে দিবেন শান্তি ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে লেখা থাকে।

নতুন বছরের আগে বা পরে এই পঞ্জিকাটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রায় ঘরেই সংগ্রহে থাকে। কারণ, এই পঞ্জিকাতে থাকে সব পূজাপার্বণ, তিথি-লগ্নের তারিখ ও সময়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও লাঙ্গলবন্দ স্নান থেকে একটা লোকনাথ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি। পেয়েছি লোকনাথ হাফ পঞ্জিকা। হাফ পঞ্জিকা হলেও এই পঞ্জিকাতেও সবকিছু লেখা থাকে। এটি লোকনাথ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকার ৬৭তম বর্ষ। লোকনাথ হাফ পঞ্জিকায় ১৪২৫ সালের বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্বের পরিস্থিতি (বর্ষফল) নির্ণয় করা আছে। আগেই বলে রাখা ভালো যে, লোকনাথ হাফ পঞ্জিকায় পুরানো রীতিতেই ১৫ এপ্রিল ২০১৮ থেকে ১লা বৈশাখের দিন গণনা শুরু হয়েছে।

লোকনাথ হাফ পঞ্জিকা মতে এ বছর দেবতারা যেসব পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন তারা হলেন- গুরু বৃহস্পতি হয়েছেন রাজা, রবি হয়েছেন মন্ত্রী, বুধ হয়েছেন জলাধিপতি, আর শনি হয়েছেন শস্যাদিপতি, আয়োজনে থাকবেন অন্নপূর্ণা, ভাণ্ডারে থাকবেন দুর্গাদেবী, রন্ধনে থাকবেন লক্ষ্মীদেবী, আর পরিবেশনে থাকবেন গঙ্গাদেবী।

১৪২৫ সালটি বাংলাদেশের জন্য শুভ ও সম্ভাবনাময় বলে গণ্য হবে। দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব বলে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সার্বিক দুর্নীতির গ্রাফ নিচের দিকে নামতে থাকবে। দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পাওয়ায় দেশের মন্দা শিল্প-কলকারখানা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। শিক্ষা ও চিকিৎসা বিভাগের প্রতি সরকারের দৃষ্টি পড়ায় এখানে বহুল উন্নতি সাধিত হবে। সেই সাথে র‍্যাব, পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অফুরন্ত স্বদেশপ্রেম আপামর জনসাধারণের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। শ্রম ও জনশক্তি রপ্তানিসহ চামড়া, পাট, চিংড়ি, কাঁকড়া ও পোশাকাদি রপ্তানি মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ফলে রিজার্ভ মানি ফুলেফেঁপে উঠবে।

দেশে ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, যানবাহন, স্টিল, সিমেন্ট, ঔষধ, প্রভৃতি উৎপাদনে বাংলাদেশ চীন ও ভিয়েতনামের পিছু অনুসরণ করা শুরু করবে এবং অনেকাংশে সফল হবে। সরকারের মেয়াদের শেষ বছরে নির্বাচনোত্তর প্রতিশ্রুতি পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে। যার ফলে বেকারত্ব দূরীকরণ, আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো হবে। অবশ্য গ্যাস, কয়লা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ভোজ্যতেল, যানবাহন, মেশিনারিজ, শিশুখাদ্য, লৌহ, স্টিল, স্বর্ণ, রৌপ্যসহ সকল প্রকার ইমারত দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত, চীন, জাপান, আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে। সেইসাথে বিশ্বব্যাংকের উদার মানসিকতা বাংলাদেশকে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। যার ফলে গ্যাস উত্তোলন, সামুদ্রিক বন্দর প্রতিস্থাপন, রেললাইন প্রসার, সড়ক মহাসড়কের উন্নয়ন, মেট্রোরেল প্রকল্পে অগ্রগতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।

পদ্মা সেতুসহ দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গে আরও দু-তিনটি সেতু নির্মাণ প্রকল্প চালু হবে। বিমান বন্দর নির্মাণের প্রচেষ্টা বাস্তবায়ন তথা প্রযুক্তি খাতের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। সবমিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণের দিকে অগ্রসর হবে।

২২শে ভাদ্র শনি মহারাজের বক্রত্যাগ ও রাহু মঙ্গলের কুপ্রভাবে দেশের নিয়োগ-বাণিজ্য দুর্নীতি, বেশ কয়েকজন বরেণ্য নেতৃবর্গ লেখক, সাংবাদিক ও প্রথম শ্রেণির ব্যবসায়ির জীবনাবসান ঘটতে পারে। সেই সাথে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- বন্যা, ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে অগণিত লোক হতাহত হবে। এছাড়া অযোগ্য লোকের দায়িত্ব প্রাপ্তি, জীবন রক্ষাকারী ঔষধাদিতে ভেজাল, নকল ঔষধে বাজার সয়লাব, মাছ, মাংস, ডিম, ফল, শিশুখাদ্য সহ প্রায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিতে বিষাক্ত কেমিক্যালের মিশ্রণ আপামর জনসাধারণের জীবনকে স্তম্ভিত ও হতভম্ব করে তুলবে।

অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, স্বর্ণ, গাজা, হেরোইন, ইয়াবা প্রভৃতির বড় বড় চালান আটক হলেও আমদানিতে অপপ্রয়োগ বন্ধ করা কঠিন হবে। সেই সাথে জাল নোটের রমরমা বাণিজ্য বাড়বে বৈ কমবে না। দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিদেশমুখি মনোভাব বাড়বে বৈ কমবে না। অপরদিকে দেশে আশ্রয়প্রাপ্ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হবে। বাস-ট্রেন ও জলযানে দুর্ঘটনা বাড়বে। এমনকি দেশের অভ্যন্তরে আকাশযান দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। হরতাল, অবরোধ, মিছিল, মিটিং রাজনৈতিক আন্দোলন যৎসামান্য দেখা গেলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবার সম্ভাবনা কম। চোর, ডাকাত, অজ্ঞান পার্টি, লুটতরাজ, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের কৌশল বদলে রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাবে।

দেবগুরু বৃহস্পতির শুভ প্রভাব, সেইসাথে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব বলে এ বছর জাতীয় নির্বাচনে দেশ ও জনগণের মন জয় করে আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

এবার বহির্বিশ্বের পরিস্থিতি (বর্ষফল) নিয়ে লোকনাথ হাফ পঞ্জিকায় যা লেখা আছে, তা তুলে ধরা হলো-

সমগ্র বছরের গ্রহাবস্থান বিচার করে বিশ্বপরিস্থিতির তেমন একটা শুভফল দেখা যায় না। সামরিক শক্তি প্রয়োগ, পরমাণু অস্ত্র-শস্ত্রের মহড়া দেখে আপামর জনসাধারণের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে, মনে হবে যেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেব গুরু বৃহস্পতি ও মঙ্গলের শুভ প্রভাবে, বিশ্বযুদ্ধ বাধার কোনরূপ সম্ভাবনা নেই। আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী দমনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রায় সিংহভাগ সম্পদহানীর মাত্রা বাড়বে বৈ কমবে না। রাহু শনির কুপ্রভাবে এ বছর বেশ কয়েকটি দেশে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব চরম সীমা অতিক্রম করবে। সেইসাথে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, ধর্ম-অধর্মের যুদ্ধ, ধর্মান্ধদের দৌরাত্ম্য বাড়বে।

ডজন খানেক দেশে সীমানাসংক্রান্ত বিরোধে প্রাচীন নিদর্শনীয় স্থাপত্য ধ্বংস, বিভিন্ন দেশ থেকে আশ্রয়প্রাপ্তদের ওপর আচমকা আক্রমণ হবে প্রায় নিত্যদিনের শিরোনাম। লোকজনের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় বৈজ্ঞানিক ও মহাকাশ গবেষণা, প্রাণদায়ী ঔষধ আবিষ্কারে বিশ্ব পিছিয়ে পড়তে পারে। এ বছর একাধিক রাষ্ট্রের শিক্ষা, ধর্মীয় উপাসনালয়, এমনকি কয়েকটি দেশে খোদ পার্লামেন্টেও নাশকতামূলক হামলা চলতে পারে। শীত-গ্রীষ্ম দুটোরই লাগামহীন চাপ থাকবে। অপরদিকে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্পন আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে প্রভৃতিতে বহু ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হবে।

এ বছর ইউরোপের প্রায় সিংহভাগ দেশ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া, কানাডা, প্রভৃতি রাষ্ট্রের বহুল উন্নতি সাধিত হবে। বিপরীতে আমেরিকা, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, মিশর, লেবানন প্রভৃতি রাষ্ট্রের আর্থিক ভীত নিম্নগামী হবে তথা বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাবে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, চীন, ভারত, প্রভৃতি দেশ এ বছর খেলাধুলা, বৈজ্ঞানিক ও মহাকাশ গবেষণায় অভাবনীয় সাফল্য লাভ করবে।

পানামা, কলাম্বিয়া, পেরু, বলিভিয়া, কোস্টারিকা, কঙ্গো, কেনিয়া, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে, ইথিওপিয়া, বাদে বাকি দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা দেশগুলো যে তিমিরে আছে, সেই তিমিরেই থেকে যাবে। আমেরিকা, জাপান, ইজরাইল, রাশিয়া, ফ্রান্সসহ আরও বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে অটল থেকে, একাধিক দেশকে উস্কানি দিয়ে যুদ্ধ বিগ্রহ বাধিয়ে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ, ট্যাঙ্ক, জাহাজ ও যুদ্ধবিমান বিক্রয়ের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে সক্ষম হবে।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, আমেরিকা ও জাপান মিলে যুদ্ধের ডামাডোল বাজাবে। আর চীন ও রাশিয়া আগুনে ঘি দিলেও দু-একটা পটকা ফুটবে মাত্র। তবে প্রকৃত যুদ্ধ বাধার কারণ নেই। আর শনি মঙ্গলের কু-প্রভাবে একাধিক রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্বনন্দিত বিজ্ঞানী ও জীবনাবসান জনিত শোক দীর্ঘ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকে পরিণত হতে পারে।

এতদসত্ত্বেও চন্দ্রের দেবগুরু বৃহস্পতি অতিচার গতি দ্বারা ধনুরাশিতে গমনে নতুন বিজয় সাধিত হবে এবং আগামী বেশ কয়েক বছর বিশ্বের স্থিরতা বজায় থাকবে ও বহুল উন্নতি চোখে পড়ার মতো হবে।

রাশিফল নিয়ে লোকনাথ পঞ্জিকায় যা আছে, তা নিম্নরূপ:

এবার লোকনাথ হাফ পঞ্জিকায় বর্ণিত ১২টি রাশির বর্ষফল নিয়ে কিছু কথা বলছি। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না নিজের রাশিটি কী? আগে কিন্তু হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও অনেক মুসলমানদের ঘরেও ব্যক্তিগত করকুষ্টি ছিলো। ওইসব করকুষ্টিতেই লেখা থাকতো ব্যক্তিজীবনের রাশি ও ভবিষ্যদ্বাণী। তাহলে এখন কী মানুষের রাশি বলতে কিছু নেই? আছে। মানুষ যে কোনো একটা রাশি নিয়েই জন্মগ্রহণ করে থাকে। বর্তমানে অনেক পত্র-পত্রিকায় রাশিফল নিয়ে লেখা থাকে।

লোকনাথ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকা বা হাফ পঞ্জিকায় নামের প্রথম অক্ষর দিয়েই রাশিফল নির্ণয় করে দেখানো হয়েছে। লেখা রয়েছে প্রত্যেক রাশির বর্ষফল। এ বছর কোন রাশির জাতক জাতিকার শুরু হওয়া নতুন বছরটি কেমন যাবে? নিচে লোকনাথ হাফ পঞ্জিকা থেকে নেওয়া ছবি দেওয়া হলো। তা দেখে নিজের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার রাশি কোনটি।

 

নিজ নামের প্রথম অক্ষর দেখে মিলিয়ে নিন আপনার রাশি কোনটি। তবে নামের প্রথম অক্ষর ‘আ’ হলে, সেই অক্ষরের কোনও রাশি এখানে পাবেন না। আপনাকে নজর দিতে হবে জন্ম তারিখের দিকে। যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিদিনই দেওয়া হয়।

রাশি দেখে এখান থেকে মিলিয়ে নিন আপনার ১৪২৫ বাংলা সালের আয়-ব্যয় স্থিতি

 

পরিশেষে সবাইকে অনুরোধ করবো নিজ ঘরে রাখা বিভিন্ন ক্যালেন্ডারের সাথে একটা লোকনাথ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকা ঘরে রাখুন। এটা শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্যই নয়, এই পঞ্জিকাতে সব ধর্মের উৎসব ও স্মরণীয় ঘটনার বর্ণনা থাকে। চাঁদের হিসাব-নিকাশও সুন্দরভাবে লেখা থাকে। শুধু এসব কেন, এই পঞ্জিকাতে মানুষের দৈনন্দিন জীবন চলার উপরও সুন্দর বর্ণনা দেওয়া থাকে। দেওয়া থাকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছু উপর দিক-নির্দেশনা।