ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন খুব জানতে ইচ্ছা ছিল জামায়াত এর বিখ্যাত রাজাকার টা কে কেন এত দেরিতে গ্রেপ্তার করা হলো ? এই মীর কাসেম আলীর যে অপকর্ম ১৯৭১ সালের তা কোনও অবস্থায় অন্য কোনও রাজাকার এর থেকে কম না। কিন্তু তারপর ও কেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এত দেরি করল গুরুত্ত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত টা নিতে ? যাই হোক এই প্রসঙ্গ নিয়ে আর বেশি দূর যেতে চাই না। ধন্যবাদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কে এই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করার জন্য।

প্রিয় পাঠক-পাঠিকা আপনারা হয়তো বা ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছেন কে এই মীর কাসেম আলী। কী কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজকে আমি আপনাদের সেই প্রসঙ্গে কোনও কিছু বলতে চাইছি না, তবে আমি রাজাকার মীর কাসেম আলীর ৭১ এর কর্মকাণ্ড ও জামাতি রাজনীতির অর্থনৈতিক শিরোমণি বিষয়ে কিছু আলাপ আলোচনা করব। প্রথমেই একটি পত্রিকার কাটপিছ দেখুন ।

মীর কাসেম আলী যুদ্ধাপরাধের বিচার কাজ বানচাল করার জন্য ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। আমাই সরকারের কাছে বিশেষ ভাবে জানতে চায় এই ২০০ কোটি টাকার উত্সস্থল কোথায় ? কী করে এল এই টাকা ? মীর কাসেম আলীর প্রকৃত অর্থ সম্পদের পরিমাণ কত ?

এইবার আসুন জেনে নেই মির কাসেম আলীর রাজনৈতিক উত্থান ৭১ এর আংশিক কর্মকান্ডের নমুনা
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার চালা গ্রামের পিডাব্লিউডি কর্মচারী তৈয়ব আলীর চার ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় মীর কাশেম। ডাক নাম পিয়ারু, সবাই চিনে মিন্টু নামে। স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে পিতার চাকুরির সুবাদে চট্টগ্রাম গিয়েছিল পড়তে। চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র থাকার সময় জড়িয়ে পড়ে মওদুদীর মৌলবাদী রাজনীতিতে। জামায়াতের অঙ্গসংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের দায়িত্ব পায় স্বাধীনতার আগে।

৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জামায়াত পক্ষ নেয় পাকিস্তানের। রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারির পর জামায়াতে ইসলামী তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্র সংঘের নেতাদের স্ব স্ব জেলার রাজাকার বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করে। সেই সুবাদে মীর কাশেম আলী চট্টগ্রাম জেলার প্রধান হয়। চট্টগ্রাম জেলার সমস্ত রাজাকারী কর্মকাণ্ডের নাটের গুরু ছিল সে। ‘৭১ এর ২ আগস্ট চট্টগ্রাম মুসলিম ইন্সটিটিউটে তার নেতৃত্বে স্বাধীনতা বিরোধী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। সভাপতি হিসেবে সে তার ভাষণে বলে গ্রামে গঞ্জে প্রতিটি এলাকায় খুঁজে খুঁজে পাকিস্তান বিরোধীদের শেষ চিহ্নটি মুছে ফেলতে হবে।

তার স্বাধীনতা বিরোধী তত্পরতার সময় ছাত্র সংঘের নতুন প্রাদেশিক পরিষদ গঠন হয়। মীর কাশেম হয় তার সাধারণ সম্পাদক। ছাত্র সংঘের নেতারা শুরু থেকেই বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকে। নভেম্বরে ঘটা করে পালিত হয় বদর দিবস। এদিন বায়তুল মোকাররমে ছাত্র সংঘের সমাবেশে মীর কাশেম্ আলী বলে, পাকিস্তানীরা কোনো অবস্থাতেই হিন্দুদের গোলামী করতে পারে না। আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও পাকিস্তানের ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করব।

৪ ডিসেম্বর ইয়াহিয়া খান জরুরী অবস্থা জারির পর মীর কাশিম এক বিবৃতি দিয়ে বলে হিন্দুস্তানকে হুশিয়ার করে দিতে চাই পাকিস্তান ভাঙতে এলে হিন্দুস্তান নিজেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। দেশপ্রেমিক সকলে শত্রুর বিরুদ্ধে মরন আঘাত হানুন। এরপর শুরু হয় বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা। মীর কাশেমের নির্দেশে চট্টগ্রামের টেলিগ্রাফ অফিসের লাগোয়া ডালিম হোটেলে রাজাকার বাহিনীর বন্দি শিবির খোলা হয়। বহু লোককে ওখানে এনে খুন করা হয়। পানির বদলে অনেক বন্দীকে খাওয়ানো হতো প্রস্রাব। ১৭ ডিসেম্বর সেখান থেকে সাড়ে তিনশ বন্দীকে প্রায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বুদ্ধিজীবি হত্যার তালিকা প্রণয়নকারীদের অন্যতম ছিল মীর কাশেম আলী।

স্বাধীনতার পর মীর কাশেম পালিয়ে ঢাকা চলে আসে। মিন্টু নামে নিজেকে পরিচয় দিত, বলত সে মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু চিহ্নিত হয়ে পড়ার পর আরেক ঘাতক মঈনুদ্দিনের সঙ্গে পালিয়ে চলে যায় লন্ডন। সেখান থেকে সৌদি আরব। সেখানে স্বাধীনতা বিরোধীদের সংগঠিত করতে থাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসে মীর কাশিম। একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো মুশতাক সরকার মুজিবের ঘাতকদের বাচাতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির পাশাপাশি প্রত্যাহার করে নেয় দালাল আইন। জিয়ার শাসনামলে নতুন করে সংগঠিত হয় ইসলামী ছাত্র সংঘ, নাম বদলে হয় ইসলামী ছাত্র শিবির। ছাত্র শিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি হয় মীর কাশেম আলী।

রাজাকার মীর কাশিম আলীর আর্থিক বিষয়াদি যা জামাতীদের রাজনীতির আর্থিক সুবিধা স্থল বলে বিবেচিত

আপনারা কী জানেন মীর কায়েম আলী কত বড় একজন সত্‍ মানুষ, দেখুন এই ধর্ম ব্যবসায়ী কত বড় একজন সত্‍ চরিত্রের বলে নিজেকে দ্বাবি করে আর তার সংগঠন জামায়াত নাকি আল্লাহর আইন চায় সত্‍ লোকের শাসন চায়।

একাত্তরে চট্টগ্রাম গনহত্যার নায়ক, রাজাকার মীর কাশেম আলী এখন শত শত কোটি টাকার মালিক,আজকের এই ধনকুবের রাজকারের সূচনা একেবারে দীনহীন অবস্থা থেকে। জামায়াতে ইসলামীর নামে বিভিন্ন ইসলামি দেশগুলো থেকে অর্থসহায়তা আসে বাংলাদেশে। প্রায় ১২৫টি এনজিও’র মাধ্যমে এই অর্থ আসে। যার মূল মধ্যস্থতাকারী মীর কাশেম আলী।

মীর কাশেম আলী বর্তমানে দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়্যারম্যান। তিনি দেশের মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করতেই টিভি চ্যানেল এবং একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে আরও বেশ কয়েকটি প্রকাশনার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক, বর্তমানে স্থানীয় স্পন্সর, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য (প্রশাসন), ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের বোর্ড অব ডিরেক্টরের সদস্য, কেয়ারি হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইন্সের চেয়ারম্যান। তিনি রাবেতা আলম আল ইসলামীর এদেশীয় পরিচালক। তিনি ফুয়াদ আল খতিব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রাস্টের (এআইটি) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এর মধ্যে দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের রয়েছে টিভি চ্যানেল দিগন্ত টেলিভিশন, দৈনিক পত্রিকা নয়াদিগন্ত। শিগগিরই বাজারে আসছে দিগন্ত রেডিও, ইংরেজি দৈনিক এশিয়া পোস্ট (প্রকাশ হচ্ছে বাজারে আসেনি)। ইবনে সিনা ট্রাস্টের রয়েছে আটটি হাসপাতাল, ডায়গনস্টিক ও ইমেজিং সেন্টার, ১টি মেডিকেল কলেজ, ১ টি নার্সিং কলেজ ও একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি। তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক স্কুল ও কলেজ এবং দিগন্ত পেপার মিলের মালিক।

মীর কাশেম আলীর ব্যক্তিগত বাণিজিক গ্রুপের নাম কেয়ারি। এর প্রধান কার্যালয় রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে কেয়ারি প্লাজায়। এর আওতায় রয়েছে কেয়ারি ট্যুরিজম, কেয়ারি পোল্ট্রি ও কেয়ারি রিয়েল এস্টেট। কেয়ারি ট্যুরস ও সার্ভিসেস লিমিটেড’র আওতায় বিলাসবহুল প্রমোদতরী কেয়ারি ক্রুজ ও ডাইন ছাড়াও রয়েছে কেয়ারি সিন্দবাদ, কেয়ারি কর্ণফুলী ও কেয়ারি তরঙ্গ নামের আরও তিনটি জাহাজ।

এই সব কথা গুলো কে জামাতিরা অন্য ভাবে প্রতি উত্তর দিয়ে থাকে যেমন অন্য রাজনীতিবিদরা যদি করতে পারে তাহলে জামায়াত ইসলামী কেন করতে পারবে না ? আমি বলি কী বাংলাদেশের অন্য রাজনীতি বিদ রা নিজেদের কে কোনও ধর্মের এজেন্ট বলে দ্বাবি করে না। কিন্তু জামাতিরা কিন্তু নিজেদের ইসলাম ধর্মের এজেন্ট বলে দ্বাবি করে থাকে। আর যদি ধর্মের নামে রাজনীতি করে যায় তাহলে বিএনপি-জামাত এর এক শাসনামলে কী করে মীর কাসেম আলীর মত একজন মানুষ একটা নিউজ পেপার ও একটি টেলিভিশন চ্যানেল এর মালিক হয়ে যায় ? আমি জানতে চাই জামাতীদের কাছে এটার নাম কী সত্‍ রাজনীতি ?

এই বার আসুন দেখে নেই এই ১৯৭১ সালের কোন কোন অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে এই রাজাকার কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,
একাত্তরে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী জামাতে ইসলামীকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী করার জন্যে মীর কাশেম আলী মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন। রোহিঙ্গা জঙ্গিসহ বাংলাদেশে আরো কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের অর্থনৈতিক মদদদাতা বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বির”দ্ধে।৭১ সালে মীর কাসেম আলীর নির্দেশে পরিচালিত নির্যাতনের স্মৃতি স্মরণ করে আজো শিউরে ওঠেন চট্টগ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। এই মীর কাশেম আলী রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

১৯৭১ সালের প্রথম দিকে মীর কাসেম আলী ছিলেন জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি, পরে রাজাকারকর্মে কৃতিত্বের পুরষ্কার হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদকের পদ লাভ করেন। ইসলামী ছাত্র সংঘই মুক্তিযুদ্ধের সময় আল বদর বাহিনীতে পরিণত হয়। মূলত এই আল বদর বাহিনীই ’৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে খুন করে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে সচেষ্ট ছিল।

প্রথমদিকে মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামে আল বদর বাহিনীর প্রধান কমান্ডার ছিলেন। পরে তার অত্যাচার নির্যাতনে খুশি হয়ে তার ঊর্ধ্বতন নেতারা তাকে আল বদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তিন নম্বর পদে পদোন্নতি দেন। তখন আল বদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় প্রধান নেতা ছিলেন বর্তমানে জামাতে ইসলামীর আমীর কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী।

চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকানন টিএন্ডটি অফিসের পেছনের সড়ক যা ইতিপূর্বে টেলিগ্রাফ রোড বলে পরিচিত ছিল সেখানে এক হিন্দু পরিবারের মালিকানাধীন ‘মহামায়া ভবন’টিকে মীর কাসেম আলীর নেতৃত্বাধীন আলবদর বাহিনী কেড়ে নিয়ে তার নাম দেয় ডালিম হোটেল। আর দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ডালিম হোটেলই আলবদর, রাজাকারদের অন্যতম নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল চট্টগ্রামবাসীর কাছে। এই বন্দী শিবির ও নির্যাতন কেন্দ্রে আল বদর বাহিনী চট্টগ্রামের প্রধান মীর কাসেম আলীর পরিকল্পনা ও নির্দেশে খুন হয়েছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন স্বাধীনতাকামী বাঙালিরা।

একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ‘পিপলস ভিউ’র ডেপুটি এডিটর নাসির”দ্দিন চৌধুরী এই আল বদর বাহিনীর হাতে আটক হয়ে ডালিম হোটেলে চরম নির্যাতনের শিকার হন। সে সময়ে টগবগে তর”ণ মুক্তিযোদ্ধা চট্টগ্রাম শহরেই মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা হামলা চালাতেন পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের ওপর। কিš’ তিনি ’৭১-এর ৩ ডিসেম্বর ধরা পড়েন তাদের হাতে। তারপর থেকে ঐ কুখ্যাত ডালিম হোটেলে তার ওপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। ডালিম হোটেলে সারাক্ষণ চলতো বন্দীদের ওপর নির্যাতন আর নির্যাতিতদের চিত্কার-কান্নাকাটি। এই নির্যাতনের মূল পান্ডা ছিলেন মীর কাসেম আলী। তিনি এখন জামাতের অনেক প্রভাবশালী নেতা।

এমন আরও অনেক গঠনা রয়েছে যা সময় সল্পতার কারণে পোস্টের পরিধি ছোট রাখার স্বার্থে দিতে নিরুত্সাহী হলাম।

প্রিয় পাঠক আপনারা জানেন দেশে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে ধর্মের নামে মানবতার ঢাল ব্যবহার করে এক ধরনের উগ্রপন্থীরা নিজে দের ফায়দা হাসিল করার জন্য সাধারণ মানুষ দের প্রচার প্রচারণার হাতিয়ার বানাচ্ছে। একটু সেই বিষয় নিয়ে কিছু তথ্য দিয়ে পোস্টের পরিধি শেষ করব, সেটা হলো সৌদি ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর অর্থনৈতিক সাহায্যপুষ্ট ‘রাবেতা আল ইসলামী’ নামে একটি এনজিও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর পদ লাভ করেন এই জামাত নেতা রাজাকার মীর কাসেম আলী। কক্সবাজারে এই রাবেতার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আসে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের সাহায্যের নামে আনা এই টাকায় রাবেতা হাসপাতালও করা হয়েছে। যেখানে ইসলামী জঙ্গিসহ রোহিঙ্গা ইসলামী জঙ্গীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয় আরাকানের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে কোনও রকমে দুকতে পারলেই হয়ে যায় জঙ্গি জানেন সেটা কেন ?

এই রোহিঙ্গাদের নিজেদের স্বার্থে জঙ্গি বানানোর নিজে দেশে প্রশিক্ষণ ও বিদেশে পাঠিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে মীর কাসেম আলীর অর্থ সহায়তার কোনও কমতি নেই। রাবেতার মাধ্যমে আসা কোটি কোটি টাকা দিয়ে জঙ্গিবাদে অর্থ সহায়তা এবং জামাতে ইসলামীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানোর জন্য মীর কাসেম আলী মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

ছবি তথ্য সুত্র:
মুক্তিযুদ্ধ কোষ/ তৃতীয় খন্ড সম্পাদক : মুনতাসীর মামুন
মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায় বই
বিডি নিউজ ২৪ ডট কম
বাংলা নিউজ ২৪ ডট কম
সুলতান মির্জা ১৯৭১ এর সংগ্রহ শালা,

@সুলতান মির্জা