ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

আজব হয়ে গেলাম সাঈদীর বিশাল পরিবার এর কাণ্ডজ্ঞান দেখে, সাঈদীর এই বিশাল পরিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দ্বাবি করল সাইদিকে বিদেশে চিকিত্সা করার প্যারোল দেওয়ার জন্য। সাঈদীর নাকি হার্ডের চুরি ব্লক হয়ে রিং ভেঙে গেছে গা। এখন অতি দ্রুত লন্ডনে নিয়ে সাঈদীর হার্ডের ব্লকে চুরি রিং লাগাতে হবে। যদি না লাগানো হয় তাহলে সাঈদী কে আর বাচানো যাবে না। এটা এই পশুটার পরিবারের মতামত আমার না।

যদি এই পরিবারের(জামাত) কাছে প্রশ্ন করি তার বেচে থাকতে হবে কেন ? উত্তর সোজা সাঈদীর মনের একটা খায়েশ এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে সেটা হলো স্বাধীন দেশে একটা লাল বাত্তি ওয়ালা গাড়ি যেই গাড়িতে পত পত করে উড়বে লাল সবুজের পতাকা। যদিও এই ইচ্ছা মনে হয় এই বেটার পূর্ণ হবে না।

আমি অবাক হয়ে গেছি মানবতা বিরোধী অপরাধের বিশেষ ট্রাইবুন্যাল এর ঘোষণা দেখে। সাইদিকে সঠিক চিকিত্সা করাতে হবে। আমি মাননীয় আদালতের নিকট জানতে চাই, যে সাঈদী ইসলাম ইসলাম করে বাংলাদেশ এর মা বোনদের পাকিস্তানের হানাদার জানোয়ার মুসলিম ভাইদের হাতে সগৌরবে তুলে দিয়েছিল, যে সাঈদী ইসলাম ইসলাম করতে করতে বাঙালির রক্তে নিজের হাত রাঙিযেছে। সে সাঈদী বাচানোর জন্য মহামান্য আদালতের এত চিন্তা কেন ? কেন সাঈদী কে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে ?

মহামান্য আদালত কে বলতে চাই,
সাঈদীর চিকিত্সা হবে কারাগারের নির্জন রুমে। সে দুকে দুকে মরবে, ঠিক যেমন করে একাত্তরে আমাদের বাবা, ভাই, মা, বোনদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিল। ঠিক সেই ভাবে তার মৃত্যু কামনা করছি। সাঈদীর মত একটা পশুর জন্য মানবতা দেখিয়ে কোনও লাভ নেই।

আর তাই মহামান্য আদালতের এর কাছে আমার বিনীত আবেদন, সাঈদীর জন্য চিকিত্সা সেবা বাদ দিন। তাকে কারাগারে ফেরত নিন। কারাগারে তার চিকিত্সা দিন। আর মুক্তির প্রেমে উজ্জীবিত বাঙালির আত্ত্বা কে শান্তি দিন।

@সুলতান মির্জা
২১.০৬.২০১২ ইং