ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

চাই শক্ত প্রতিবাদ, চাই শক্ত প্রতিরোধ। ধর্মপন্থী উগ্রবাদীর কাছে আজকে ইসলাম ধর্ম জিম্মি। বলা যায় ইসলাম ধর্মের খসে পড়ার সময় বুঝি আসন্ন। কী হবে মানুষ হত্যা, সম্পদ লুটপাট, নারীর ধর্ষণ করে ধর্ম পালন করে ? চাই না এই ধর্ম পালন। প্রতিবাদ জানাচ্ছি কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার। আমার জানা নেই পবিত্র ইসলাম ধর্মের কোন গ্রন্থে লেখা রয়েছে এই হামলা, হত্যার,করা যাবে । ধিক্কার জানাচ্ছি, স্থানীয় জামাত ইসলামীর নেতা কর্মীদের এই কর্মকাণ্ডকে।

একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এই ঘটনাকে কোনও ভাবেই হালকা করে দেখা যাবে না। কারণ এর ভিতরে বাহিরে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র, যদি বলা হয় যে ফেসবুক এ কুরআন শরীফ অবমাননা এই ঘটনাকে বৈধতা দিবে। আমরা মেনে নেব না, কারণ আমরা দেখেছি, জামাতের শিবির এর কর্মীরা কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে মিছিল করে যাচ্ছে তারপর এক অবস্থায় যখন পুলিশ লাঠিচার্জ করে তখন দৌড় দিয়ে নিজের হাত থেকে নিজে কোরআন শরীফ ফেলে দিয়ে সেটার ছবি তুলে ফেসবুক এ প্রচার করে বলছে, যে পুলিশ কত নির্মম কাজ করছে, আর বলছে যে পুলিশের হাতে কুরআন শরীফ ও নিরাপদ নয়। এই ধরনের ভন্ডামি যে গতরাতে ঘটেনি তার প্রমাণ কী আছে ? আমি যদি বলি রামুর বৌদ্ধ মন্দির ও স্থানীয় বসতিতে হামলার এই ঘটনাকে কে একটি জামাতি রিভার্স গেম, তাহলে কী খুব বেশি অপ্রিয় হয়ে যাবে ? মোটেই না, রামুর এই ঘটনা কে নিয়ে তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে অনেক অপ্রত্যাশিত কিছু ক্লু। যা আমি মনে করি বর্তমান সরকারের একটি সুবিশাল দায়িত্ব। এবং সরকার কে পরামর্শ দিয়ে বলতে চাই, এইখানে রোহিঙ্গা ইস্যুটি ও রয়েছে। যারা ওইপারে মায়ানমারে বৌদ্ধদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে। তারা স্থানীয় জামাতের সহযোগিতায় এই ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে। এবং সেই সব প্রত্যাগত রোহিঙ্গাদের কে সাথে নিয়ে জামাতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা এই রিভার্স গেমটি করেছে।

তাই নিরবতা নয়, চাই শক্ত ব্যবস্থা। আমরা ধর্মীয় উগ্রবাদী দেখতে চাই না। আমরা চাই ধর্ম নিরপেক্ষতা। আমরা চাই একটা বাংলাদেশ যেখানে সকল ধর্ম, বর্ণের মানুষের বসবাস করার নিশ্চয়তা।

তাই সরকারের কাছে আবারো আবেদন করছি, এই ধর্মীয় সিন্ডিকেট ভেঙে দিন। নিজেদের কে ধর্ম নিরপেক্ষ প্রমাণ করুন।

ধন্যবাদ।
সুলতান মির্জা।

***
ফিচার ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম