ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

খালেদা/বিএনপি যদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন কে বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপিকে বিশ্বাস করতে হবে জয় বাংলা স্লোগানকে।
খালেদা/বিএনপি যদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভে মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজন বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক আহব্বানকে।
খালেদা/বিএনপি যদি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কে বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষনাকে।
খালেদা/বিএনপি যদি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সাংবিধানিক ভাবে বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ১৭ই এপ্রিলকে।
খালেদা/বিএনপি যদি স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের বাঙ্গালীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের প্রস্তুতি বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবসকে।
খালেদা/বিএনপি যদি ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস কে বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত আর আড়াই লক্ষ মা-বোনের সম্মনহানীকে।
সর্বোপরী খালেদা/বিএনপি যদি বাংলাদেশের জন্মকে বিশ্বাস করে তাহলে খালেদা/বিএনপি কে বিশ্বাস করতে হবে ১০ই জানুয়ারী কে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে।

খালেদা/বিএনপি কি করলো ?
জয় বাংলা স্লোগান বিতর্কিত করতে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে আসলো
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বিতর্কিত করতে খালেদা/বিএনপি একে খন্দকার কে দিয়ে ফরমায়েশী লেখা লিখিয়ে জিয়ে পাকিস্তান যুক্ত করলো।
২৬শে মার্চ বিতর্কিত করতে খালেদা/বিএনপি যুক্ত করলো ২৭শে মার্চের জিয়াময় ফর্মুলা
খালেদা/বিএনপি ১৭ই এপ্রিল বিতর্কিত করেছে প্রবাসী সরকার ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল ফর্মুলা দিয়ে,
খালেদা/বিএনপি ১০ই জানুয়ারী বিতর্কিত করতে যুক্ত করলেন পাকিস্তানী পাসপোর্ট ফর্মুলা
বাদ ছিল ১৪ই ডিসেম্বর ও ১৬ই ডিসেম্বর সেটাও বিতর্কিত করতে যুক্ত করলো ৩০ লক্ষ শহীদের সংখ্যা গুনে গুনে দিতে হবে আর যুক্ত করলো বুদ্ধিজীবিরা ছিল নির্বোধ।

হা ঠিকাসে জিয়াউর রহমান পিছনে থেকে ১৫ই আগষ্ট সৃষ্টি করেছিল বলেই, খালেদা/বিএনপি ১৫ই আগষ্ট মানে না, সেইদিন জন্মদিনের কেক কেটে নৃত্য করে।

তারপরেও আমাদের কে শুনতে হচ্ছে খালেদা/বিএনপিই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আসল শক্তি, বাকী সব ধইঞ্চা পাতা। এই হলো সর্বশেষ বিতর্কিত বাস্তবতা।

ধারনা করি আমাদের মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন ও খালেদা/বিএনপির উদ্দেশ্য জানে না। আসলেই খালেদা/বিএনপি চাচ্ছে কি ? পুর্ব পাকিস্তান ? ইনিয়ে-বিনিয়ে কানচুরামী করার দরকার কি ? প্রকাশ্যে বললেই তো পারে। যে আমরা আবার পাকিস্তানেই যুক্ত হতে চাই।

দুঃখের বিষয় দেখেন, আজকে ঠিক ছিল, যদি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, ৩০ লক্ষ, শহীদ বুদ্ধিজীবি নিয়ে যদি পরাজিত পাকিস্তান প্রশ্ন তুলতো, মানতে পারতাম, বুঝতে পারতাম, তাদের ক্ষোভের কারন। যদিও পাকিস্তান তাদের ক্ষত ভুলতে না পেরে মাঝে মধ্যেই এইসব প্রশ্ন গুলো তুলছে, কিন্তু খালেদা/বিএনপি পাকিস্তানের সুরেই আমাদের জন্মের শিকড় যেভাবে বিতর্কিত করে চলেছে, সেগুলো মেনে নেওয়া যায় না।
ভুলে গেলে চলবে না, খালেদা/বিএনপি বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিলে, লাল-বাত্তি ওয়ালা গাড়িতে লাল-সবুজের পতাকা পত পত করিয়ে উড়িয়ে চলেছে, সেই খালেদা/বিএনপি একদিকে বলবে, আমরাই মুক্তিযুদ্ধের শক্তি, আরেকদিকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শিকড়ের মুল তুলে ভর্তা বানাবে। তা হবে না। বাংলাদেশে থাকতে হলে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, ৩০ লক্ষ শহীদ, আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবি খালেদা/বিএনপি কে মানতে হবে।

অবশ্য এইসব বিষয়ে খালেদা/বিএনপির খাসলতীয় মুখস্ত কিছু কমন ডায়ালগ আছে যেমন, খালেদা/বিএনপিও রাজাকারের বিচার চায়, তবে তা হতে হবে কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের অথবা নিরপেক্ষ ব্লা ব্লা ব্লা…
খালেদা/বিএনপিও বাংলাদেশে গনতন্ত্রের জন্য মক্তিযুদ্ধ করেছিল…এই সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে জাতি কে বিভক্তি করে দিয়েছে…এন ত্যান…ব্লা ব্লা ব্লা
খালেদা/বিএনপিও চায় মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, তবে…কিন্তু……অথবা সংযুক্ত।
খালেদা/বিএনপিরা মুখের উপরে বড় বড় ভুল-বাআল তথ্য দিবে, অপরদিকে এইসব বিষয়ে কোন রিএক্ট তৈরি হলে খুব সহজেই বলে দিবে, জিয়া পরিবার ও বিএনপির বিরুদ্ধে ধংসের ষড়যন্ত্র চলছে।
বলতে চাই, আহা ষড়যন্ত্র…উহু ষড়যন্ত্র……

যদিও খালেদা/বিএনপি জানেই না, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিসের ভিত্তিতে হয়েছিল, তবুও খালেদা/বিএনপি হলেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, বাকী সব ধইঞ্চা।

এবার কাজের কথা বলি, আশাকরি খালেদা/বিএনপি একটা বিষয় মনে মনে গভীর রাইতে উপলব্ধি করতে পেরেছে, ৩০ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক করার অপরাধে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহের মামলা হয়েছে। যদিও উক্ত বিষয়ের শেষটুকু আদালতের উপরে নির্ভরশীল, তবুও উপলব্দির জায়গাটা হচ্ছে খালেদা/বিএনপির পক্ষে তেমন গনজোয়ার হয়নি, যা হয়েছে সেটা হলো খালেদা/বিএনপির অর্থ্যাত কিছু পা চাটা বাতিল দলছুট মালের পক পক। এটা মোটেও কোন সমস্যা তৈরি করবে না।

জবাবে খালেদা/বিএনপি বলবে এই সরকার রাস্তায় নামতে দেয় না, হামলা-মামলার ভয়ে জনগন রাস্তায় নামছে না। বিশ্বাস করি হাস্যকর। খালেদা/বিএনপি শুধু এইটুকু বলুক, বিএনপির সরকার/এর সরকার/তার সরকার। কোন সরকার তার বিরোধী দলকে আন্দোলনে হাসি মুখে ফুল দিয়ে রাস্তায় বরন করে নিয়েছিল ? খালেদা/বিএনপি কি নিয়েছিল ? মনে পরে আহসানউল্লাহ মাষ্টার, মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, এস এম কিবিরিয়া হত্যা কিংবা ভয়ানক ২১ শে আগষ্টের কথা ? জানি ভুলে গেছে। তবুও মনে করিয়ে দিলাম। শুনেন, আপনি/আপনারা তারছিড়া/বলদ প্রজাতির তাই আপনি/আপনাদের কে বেশি বলে লাভ নেই, মাথায় ঢুকবে না। শুধু একটা সংজ্ঞা দেই, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ এখন ২০১৬ পর্যন্ত পৃথিবীর হয়ে যাওয়া গনহত্যার জাষ্ট একটা প্রমান দেন যার সংখ্যা নির্নয় হয়েছিল তালিকা ধরে।

জানি, বাশেরকেল্লা, বখতিয়ারের ঘোড়ায়, তিতুমিরের বাশেরকেল্লায় এইরকমের কোন গবেষনা এখনো পোষ্ট হয়নি। তাই আপনি/আপনারা ব্লা ব্লা ব্লা করবেন।

শেষ কথা বলি, ভুলে যাবেন না প্লীজ রাজাকার কসাই কাদের মোল্লার ফাঁসির দ্বাবী আদায়ে এইদেশে কিন্তু লক্ষ/কোটি জনতার গনজাগরন হয়েছিল। একদিন ঘুম থেকে যদি উঠে দেখেন আবারো একটি গনজাগরন বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধের দ্বাবীতে, তখন কিন্তু শরীরের জোড়ে এইসব কথা আর থাকবে না। অলরেডি জাগরন শুরু হয়েছে। অপেক্ষা করুন।