ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আমি খুব সাধারণ একজন নাগরিক হিসেবে বলতে চাই, গত কিছুদিনে বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি, শেয়ার বাজারের স্থায়ী স্থবিরতা, ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ব্রিফিং, জামাত শিবিরের মাঠ পর্যায়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, কর্নেল অলির বেধে দেওয়া সময়, খালেদা জিয়ার টার্গেট ডিসেম্বর এইসব ঘঠনাগুলো পর্যালোচনা করলে কিছু একটা বুঝতে পারি । কোথায় যেন একটা যোগ সূত্রতা আছে। এইসব প্রবলেম গোলো নিয়ন্ত্রণ করছে মূলত বিএনপি, জামাত জোট ও তাদের প্রভাবশালী নেতাদের টাকা । সবকিছুর শেষ কথা হল শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া যাবে না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি আওয়ামীলীগ ক্ষমতার রাজনীতিতে খুব পাকাপোক্ত না। ক্ষমতার রাজনীতি বিএনপি খুব বুঝে। তেমনি কু করাটা খালেদা জিয়া জানে বেশি। যা শেখ হাসিনা একটু কম বুঝে। আমরা সবাই জানি বিশ্ব রাজনীতিতে ইসরায়েল কুদে আমেরিকার জোরে তেমনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাত কুদে বিএনপির জোরে। জামায়েত ইসলামীর বুদ্ধি তাই বলে কিন্তু কম না তাদের টুপির নিচের বুদ্ধি যেকোনো সময় খারাপ আকার ধারণ করতে পারে, যা সাম্প্রতিক সময় খেয়াল করলে পরিস্কার কিছু ধারনা পাওয়া যাবে। এখন কথা হল এই ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সুফল দেশের জন্য কতটুকু নিরাপদ ? আমি মনে করি মোটেই ভাল ফল বয়ে আনবে না। কিন্তু দু:খের বিষয় হল আগামীর ক্ষমতার যাত্রায় বিএনপির সঙ্গী হচ্ছে এই ভয়ঙ্কর জামায়েত ইসলাম, এখন মোট কথা বিএনপি কে আগামীতে ক্ষমতায় যেতে হবে। তা যেকোনো কিছুর বিনিময়ে হোক। দেশের কী হলো না হলো তাতে বিএনপির কিছু যায় আসে না। যদি এমনটা হয় তাহলে এটা হবে আমাদের মত সাধারণ নাগরিকদের জন্য একটা দু:খজনক ঘটনা, কিছু নেতা কর্মীর ভাল হবে কিন্তু দেশের বারোটা বাজবে। যা আমরা ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেখেছিলাম এক অবস্থায় খালেদা জিয়া ব্যর্থ হয়ে সেনা বাহিনী দিয়ে দেশ পরিচালনা করে ছিলেন। আর এইবার এখনি খালেদা জিয়ার যা অবস্থা তাতে ক্ষমতায় গেলে দেশ আর একটা আফগানিস্থান হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।