ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারির বি ডি আর বিদ্রোহের ৩ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৯ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির আর একটি কলঙ্কময় দিনের সূচনা হয়েছিল। ৩৩ ঘন্টার এই হলিখেলায় আমরা হারিয়েছি সেনাবাহিনীর চৌকস ৫৭ জন অফিসার, ৭৪ জন বি ডি আর জওয়ান কে।

২৫ ফেব্রুয়ারি,২০০৯ বুধবার,সকাল থেকেই দাবি আদায়ের নামে বিডিআর জওয়ানেরা সদর দপ্তরে ভয়াবহ তাণ্ডব চালায়। তারা দরবার হলে গুলি করে পদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করে। অনেকের মরদেহ নর্দমায় ফেলে দেয়। এঁদের মরদেহ পরে নদীতে ভাসতে দেখা যায়। পদস্থ কর্মকর্তার স্ত্রী ও সন্তানদের ভেতর জিম্মি করে নির্যাতন চালানো হয় বলে জানা যায়। দীর্ঘ সময় তাদের অভূক্ত অবস্থায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে উচ্ছৃঙ্খল জওয়ানেরা। অনেক বাড়িঘর ও যানবাহনেও আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। তাদের গুলিতে সদর দপ্তরের বাইরেও অনেক হতাহত হয়।

২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। ৩৩ ঘন্টার শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার পর বিডিআর জওয়ানদের আত্মসমর্পনের মধ্যদিয়ে তাদের রক্তক্ষয়ী বিদ্রোহের অবসান হয়। কয়েক দফায় দীর্ঘ আলোচনার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টায় বিডিআর সদর দপ্তরের সব জওয়ান তাদের অস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এরপরই পুলিশ আলো নিভিয়ে সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

আমি মর্মাহত ও কৃতজ্ঞচিত্তে বিডিআর পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

ভাষা নেই কী বলব। ওই দিন এর গঠনা এখন ও মনে হলে খুব ভয় লাগে। তবে একটা বিষয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম শঙ্কায় ভুগছিলাম বিডিআর সংগঠিত এই হত্যাযজ্ঞ আমাদের কোথায় নিয়ে দার করবে। দুঃখের বিষয় হল আজ ৩ বছর পরেও জানতে পারলাম না কেন হয়েছিল বিডিআর হত্যাযজ্ঞ ।

ছবিসূত্র: ইন্টারনেট।