ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সন্ধ্যা রাতে হটাত্‍ ঢাকা থেকে একজন সাংবাদিক আমাকে ফোন করলেন। গাজীপুরের সদর উপজেলার পুবাইল উনিয়নের বড়কয়ড়া গ্রামে একটি শ্যুটিং স্পটে নাকি নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সদ্ধানে নিরাপত্তা বাহিনী এসেছে কিছু জানি নাকি। আমি বললাম না জানি না এই বলে ফোন রেখে দিলাম। তারপর বিস্তারিত জানার জন্য গাজীপুর এসপি অফিসে ফোন দেই। তারপর জানলাম হা ঘঠনা সত্য। সাথে সাথে আমার এক পরিচিত সাংবাদিক কে ফোন দেই। ফারুক ভাই তখন স্পটে ছিলেন। জানতে চাইলাম গঠনা কী? তারপর বলল তল্লাশি হচ্ছে পুরো গ্রাম ব্যাব ঘিরে রেখেছে। জানতে চাইলাম শ্যুটিং স্পটের মালিক কে ? ফারুক ভাই, আমাকে জানালেন মেজর হাফিজ সাহেবের, জানতে চাইলাম কোন হাফিজ উনি বললেন বিএনপি নেতা মেজর হাফিজ। পরে বিস্তারিত জানাবে বলে লাইন টা কেটে দিল।

কিছুক্ষণ পর আবার আমাকে ফারুক ভাই ফোন দিলেন, বললেন বিস্তারিত। বলে আবার লাইন টা কেটে দিলেন। আমি যখন এই পোস্ট লিখছি তখন ও ফারুক ভাই ঐখানে রয়েছেন। কিছুক্ষণ আগে বিডি নিউজ এ দেখলাম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসীনা রুশদীর লুনা সাংবাদিকদের নিকট অস্বীকার করেছেন উনি নাকি র‌্যাবের সাথে কোথাও যাননি। রিপোর্টটা দেখে আবার ফারুক ভাই কে ফোন দিলাম, উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী পুবাইলে এসেছিলেন কী না ? উনি বললেন হা। আমাদের সাথে কথা বলেছে।

এখন কথা হলো, বিডি নিউজ মারফত যা জানতে পারলাম, ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসীনা রুশদীর লুনা ঢাকাতে ফিরে সাথে সাথে খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করে ৪৫ মিনিট কথা বলেছেন। খালেদা জিয়ার সাথে মিটিং শেষ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উনি বললেন, উনি র‌্যাবের সাথে না কী কোথাও যাননি। উনার শরীর এখন ক্লান্ত। ব্যাস হয়ে গেল শেষ। বিদায় নিলেন, বাসা চলে গেলেন।

একটা জীবন্ত ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর কী করে ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসীনা রুশদীর লুনা বললেন যে উনি র‌্যাবের সাথে কোথাও যাননি ? এটা থেকে কী বুঝে নিব ? আর কীই বা বুঝতে হবে। কেন এইসব মিথ্যাচার ?

জানতে চাই ?

@ সুলতান মির্জা