ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

দেশের একজন নাগরিক হিসেবে মনে করি দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও দেশের সার্ভোভৌমত্ত্ব রক্ষার বিষয়ে সকল নাগরিকের এক প্লাটফর্মে কথা বলা টা নৈতিক দ্বায়িত্ত্বের মধ্যে পরে। কিন্তু একটা বিষয় খেয়াল করলাম আমাদের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাম্প্রতিক সময়ে ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে বাংলাদেশ সম্পর্কিত প্রচারিত “বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহর” শিরোনামে একটি খবর বিষয়ে কোনও বাক্য ব্যায় না করে একদম নিশ্চুপ রয়েছেন। জানতে পারি বেগম খালেদা জিয়া আপনার কাছে আসল, গঠনাটা কী ? কী কথা হয়েছিল সেদিন আপনার, মার্কিন পররাষ্ট মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সাথে ? তাছাড়া অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে ভারত সরকারের সুদৃষ্টি আপনার দিকে বেশি। প্রণবরা বলতে শুনেছি কোনও বিশেষ দলের সঙ্গে নয়, ভারত সবার সঙ্গে রয়েছে। এখন বলবেন কী ? কেন এই বিশেষ খাতির আপনার বা আপনার দলের প্রতি ?
তাহলে কী ভারত সরকার আগাম টের পেয়ে গেছে আপনি হচ্ছেন পরবর্তী বাংলাদেশ এর প্রধানমন্ত্রী ?

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী বলবেন কী? আগামীতে ক্ষমতা ফিরে পাবার জন্য মার্কিন পররাষ্ট মন্ত্রী হিলারি কে আর কী কী দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ? প্লীজ একটু জানান দিন আমাদের কে। আমরা জানতে চাই।

প্রিয় পাঠক,
যদি ও আমাদের পররাষ্ট মন্ত্রণালয় ও মার্কিন রাষ্টদূত ইতিমধ্যে বলেছেন তারা চট্টগ্রামে মার্কিন নৌ বহর এর উপস্থিতি সম্মন্ধে তেমন কিছুই জানেন না। আমি যদি বলি এই কথাটা আমি বিশ্বাস করেছি। তবে আমি বলব এই সরকারের সময়ে হয়তো বা হবে না কিন্তু পরবর্তী সরকারের সময় যে হবে না এই কথা গ্যারান্টি দিবে কে ?

কথিত আছে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের মনোবাসনা পূর্ণ করার জন্য নিজের মা কে ধর্ষকের হাতে তুলে দিতেও কোনও দিন কুণ্ঠাবোধ করে না কেউ। এখন যদি “বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহর” আসে তাহলে অবাক হওয়ার মত কিছুই থাকবে না। কারণ হলো বেগম জিয়াকে আগামীতে যে করেই হোক ক্ষমতার মসনদে বসতে হবে। আর সে জন্য যদি বাংলাদেশ কাউকে লিখে দিতে হয়, তাতে উনার বিবেকে কোনও বাধা দিবে না। যেমনটি অনেকেই করে যাচ্ছেন। কারণ প্রভুভক্তি যদি আশীর্বাদ পুস্ট না হয় তাহলে নাকি দেশ এর জনগণের আস্থা ভর করে না।

বেগম জিয়া, আপনি বা আপনার দলের লোকজনের মুখে শুনেছি হিলারি ও প্রণবের সফরে নাকি আপনার খুব লাভ হয়েছে। আপনাদের মাঠ পর্যায়ের লোকজন তো ২/১ স্থায়ী কমিটির সদস্যের বরাত দিয়ে প্রকাশ্যেই বলাবলি করতেছে হিলারির এই সফরে আপনার ক্ষমতা প্রায় আসন্ন হয়ে গেছে। আর এইসব বিষয় আদি নিয়ে মার্কিন সরকারের সাথে আপনার দেনা পাওনার বিষয়ে নাকি মধ্যস্থতা করেছে আমাদের ড.ইউনুস সাহেব। যদিও আমরা মিডিয়ার কল্যাণে এমন কিছুটা আন্দাজ পেরেছি।

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী চুপ করে থাকবেন না, জবাব দিন।

@সুলতান মির্জা
০৩/০৬/২০১২ ইং