ক্যাটেগরিঃ সুরের ভুবন

 

গান গেয়ে তারকা খ্যাতি শিল্পিরা লক্ষ লক্ষ টাকা কামাই করেন।
কিন্তু জীবনের শেষ বেলা এসে অসুস্থ্য হয়ে পরে কেন উনাদের চিকিৎসার
করানোর মতো আর্থিক অবস্থান থাকে না।
প্রশ্নটা খুব ভাবায় জানি আমার মতো আপনাদেরকেও।

খালিদ হাসান মিলু, আজম খান, সাবিনা ইয়াসমিন, কাঙ্গালিনী সুফিয়া’র মতো খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পীরা চিকিৎসা খরচ এর জন্য সরকার ও ভক্ত অনুরাগী দিকে তাকিয়ে ছিলেন।
সরকার ও ভক্ত অনুরাগীরা সহ বিভিন্য সংস্থা ও হানিফ সংকেতের ইত্যাদি এগিয়ে এসে উনাদের চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন।

সাবিনা ইয়াসমিন কাঙ্গালিনী সুফিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসলেও, ফিরে আসতে পারেননি খালিদ হাসান মিলু আর আজম খান।
খুব কান্না পায় যখন ভাবি খালিদ হাসান মিলু আর গুরু আজম খান আমাদের মাঝে নেই।

কিছু দিন যাবত আমাদের আরেক খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী লাকী আখন্দ
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাইল্যান্ডের পায়থাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা শ্রদ্ধেয় লাকী আখন্দ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বলেছেন উনার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে যেনো বাড়াবাড়ি না হয়, তিনি অসম্মানিত হন এমন কাজ যেনো কেউ না করে । লাকী ভাই মোবাইল কোম্পানীগুলোর কাছে উনার প্রাপ্য টাকা ফেরত চেয়েছেন,যেগুলো তারা গিলে ফেলেছে।
কথা গুলি বলেছিলেন আরেক জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর।

আসিফ আকবর’র এই কথা দ্বারা বুঝা যায় লাকী আখন্দ’ও খালিদ হাসান মিলু, আজম খান, সাবিনা ইয়াসমিন, কাঙ্গালিনী সুফিয়ার মতোই চিকিৎসার জন্য আর্থিক দুরাবস্থায় ভুগছেন।
আমার প্রশ্ন কেন উনাদের জীবনের শেষ বেলা এসে একটু বেচে থকার জন্য অন্যের নিকট ধরণা দিতে হয়।
কেন সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়।
জানি এই প্রশ্নের উত্তর আমি সঙ্গীত শিল্পীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও পাবোনা।

যাই হোক প্রতিবারের মতো সরকার এবারো লাকী আখন্দের চি‌কিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছে।
জানিনা এই পাঁচ লাখ টাকা লাকী আখন্দের চিকিতসায় কতোটুকু সহায়তা দেবে।
তবুও সরকারের এই উদারতার জন্য আমি ব্যক্তিগত ভাবে সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

বিধাতার অপার মেহেরবণীতে আমাদের প্রিয় লাকী আখন্দ সুস্থ্য হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।
সবাই লাকী আখন্দের জন্য দোয়া করবেন।