ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

আমরা জানি, ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর পরিচিতি ও বয়স নির্ধারনের জন্য এবং রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহনের জন্য জন্ম নিবন্ধন জরুরী। তাই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী একজন মানুষের নাম, লিঙ্গ, জন্মের তারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্ট্রারে লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান এবং জন্ম সনদ প্রদান করা হয়। ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৮ এর পর থেকে পাসপোর্ট ইস্যু, বিবাহ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, সরকারী, বেসরকারী বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় নিয়োগদান, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, জমি রেজিষ্ট্রেশনসহ মোট ১৬টি কাজে জন্ম নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের তথ্যানুযায়ী ১৮ বছর বয়সের নিচের কারো জন্ম নিবন্ধনে, যে কোন বয়সের মৃত্যু নিবন্ধনে এবং নিবন্ধিত ব্যক্তির বাংলা বা ইংরেজী সনদের জন্য কোন ফি নেই, জন্ম বা মৃত্যু সনদের বাংলা বা ইংরেজী দ্বিনকল সনদ সরবরাহের ক্ষেত্রে ২৫ টাকা ফি, ১৮ বছরের উর্ধ্বে হলে ৫০ টাকা জন্ম নিবন্ধন ফি রয়েছে। সরবরাহকৃত তথ্যের ভিত্তিতে প্রদত্ত নিবন্ধন সনদে কোন ভুল বা গরমিল পরিলক্ষিত হলে নিবন্ধন সনদ এবং ক্ষেত্রমত নিবন্ধন বহি সংশোধনে ১০ টাকা ফি নেওয়ার বিধান রয়েছে। পরবর্তীতে তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালকসহ আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে প্রতিক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২০ টাকা প্রিন্টিং চার্জ নেওয়ার বিষয়টি আমরা জানি।

তথ্য সেবা কেন্দ্রের কয়েকজন পরিচালক এবং ইউপি সচিববৃন্দের সাথে আলোচনায় আমি জানি, যাদের নাম জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রার বইতে রয়েছে তাদের জন্ম নিবন্ধন ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। সেক্ষেত্রে তাদের অনলাইন সনদ পেতে হলে কেবল প্রিন্টিং চার্জ বাবদ ছোট-বড় সবারই ২০ টাকাই দেওয়ার কথা। যাদের নাম নিবন্ধন বইতে নেই তারা (১৮ বছরের উর্ধ্বে) ৭০ টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ পাওয়ার কথা। সদরের অনেক ইউনিয়নে তৎমতে ফি নেওয়া হলেও গুটিকয়েক ইউনিয়নে এর ব্যতিক্রম চোখে পড়ে। আমরা দেখি, ১৮ বছরের উর্ধেব যাদের বয়স জন্ম নিবন্ধন বইতে নাম নিবন্ধিত থাকলেও ১০০ টাকা, না থাকলেও ১০০ টাকা দিতে হয়। বিষয়টি নিয়ে একটি তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালকের নিকট থেকে বন্ধু হিসেবে সন্তুষ্টি মূলক কোন ব্যাখ্যা না পেলেও তিনি নিজে সনদ প্রতি নির্ধারিত ২০ টাকাই পান বলে জানান। তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের আওতা বহির্ভূত কিছু কাজও করে দেয়ার অপবাদ রয়েছে কোন কোন তথ্য সেবা পরিচালকের বিরুদ্ধে। বিষয়্িট নিয়ে আমি কক্সবাজারের তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ নূরুল আলম নিজামী স্যারের সাথে ফোনে আলাপ করি। উনি তা রোধের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

আমরা দেখেছি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে তা রেজিস্ট্রারের মধ্যে হাতে লিখা হয়। পরবর্তীতে ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তা অনলাইনে সম্পন্নের কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট কাজে কর্মকৌশল প্রয়োগের অসাবধানতায় কিছু ইউনিয়ন পরিষদে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারে জন্ম নিবন্ধনের কাজটি কিছুটা অসুন্দর হয়, রেজিস্ট্রারে বইগুলোতে অসামঞ্জস্য চোখে পড়ে । অর্থাৎ গ্রাম অনুযায়ী কিংবা প্রতি ওয়ার্ড এর জন্য পৃথক রেজিস্ট্রার ব্যবহার করা হয়নি। তেমন ইউনিয়ন পরিষদে কেহ অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে এলে তা প্রথমে রেজিষ্টার বইতে নিবন্ধিত হয়েছে কিনা যাচাই করতে হয়। সনদ প্রত্যাশী ব্যক্তির নাম না পাওয়া পর্যন্ত বড় বড় ৩টি রেজিষ্ট্রার বই ঘাটার মতো বিরক্তিকর কাজ সংশ্লিষ্টদের করতে হয় যা দ্রুত জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, বিভিন্ন কাজে জন্ম নিবন্ধন সনদের বাধ্যবাধকতায় তা নেবার জন্য জনসাধারনের মাঝে হিড়িক পড়ে যায়। কিন্তু রেজিস্টার বইয়ে গ্রাম কিংবা ওয়ার্ড অনুযায়ী ক্রম না থাকায় বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেকের জন্ম নিবন্ধন সনদ দিতে গিয়ে সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত দু’ব্যক্তি জনগণের চাহিদা সঠিকভাবে মেটাতে অনেক সময় হয়তোবা সক্ষম হননি। চায়ের কাপে ঝড় ওঠে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে হয়রানির সমালোচনায়। মানুষের দূর্ভোগ মাথায় এনে ভাবলাম, কম্পিউটারে কাজ জানা ১২জন মানুষ দুই শিফটে ভাগ হয়ে কাজ করলে ১০-১৫ দিনে উক্ত ৩টি রেজিস্ট্রার বই অনলাইনে ইনপুট দেওয়া সম্ভব এবং তা দ্রুত জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে দারুন ভূমিকা রাখবে। শেষের দিকে বিষয়টি ইসলামাবাদ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান সাহেবকে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে বললাম। তিনি তা সাদরে গ্রহণের পরেও বাস্তবায়িত হয়নি। এক্ষেত্রে, মেয়াদ স্বল্পতা, প্রশাসনিক জটিলতা কিংবা দায়িত্ব প্রাপ্তদের অসহযোগিতা প্রভাব ফেলেছে বলে আমরা ধরে নিয়েছি। পরবর্তীতে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একমাত্র জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতা সংক্রান্ত অপবাদের কারণেই জাফর আলমের মতো ডাকসাইটে চেয়ারম্যান পরাজিত হয়। বলে রাখা ভাল, জন্ম নিবন্ধনের কাজটি রেজিস্ট্রারে উত্তোলন পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রার বইগুলো ঘেঁটে আমিসহ স্ত্রী ও সন্তানদ্বয়ের জন্ম নিবন্ধনের হদিস পাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। আমার দেয়া জন্ম নিবন্ধন ফরমগুলো রেজিস্ট্রারে উঠেনি কেন জানার অধিকার থাকলেও জন্ম নিবন্ধন সনদের ব্যবহার উপযোগী কাজ ইত্যবসরে আমার না থাকায় ব্যাপারটি আমাকে দুঃখ দেয়নি এবং এখন পর্যন্ত জন্ম নিবন্ধন সনদ নিইনি।

ককসবাজার সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক আমার আত্মীয়, বন্ধু এবং ক্লাসমেট হবার কারণে তথ্য সেবা কেন্দ্রে আমার ঘনঘন যাওয়া হয়। আমি দেখেছি, সংশ্লিষ্ট কাজে তার বিচক্ষণতা ও দক্ষতা রয়েছে। বয়স্ক ভাতা কিংবা ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ বিভিন্ন মৌসুমী কাজের সময় অনেক লোকের জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে নিদ্দিষ্ট কিছু সময়ের ভেতর প্রদান করতে গিয়ে অনেক ঝক্কিঝামেলা তাকে পোহাতে হয়। তাছাড়া, ইন্টারনেটের স্পিড সমস্যার কারণে দ্রুত ইনপুট দেওয়ার কাজটি অনেক সময় বিলম্বিত হয়। ফলে, কাজের চাপে কদাচিৎ সামাজিক যোগাযোগের কৌশল সঠিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভবপর হয়না। তাই সেবা প্রত্যাশীদের অনেকেই তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালকের অশোভন আচরনের শিকার হন বলে অভিযোগ তোলেন। নির্ধারিত ফি’র বেশি টাকা নেওয়াসহ জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে এসে তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক কর্তৃক অশোভন আচরনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মোঃ রাশেদুল হক রাসেলের নেতৃত্বে ইসলামাবাদ ইউনিয়নে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালিত হয় গত ১৭ আগস্ট। জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত কাজে অসমীচীন আচরনের শিকার ইউনিয়নের সুশীল সমাজের অংশ গ্রহনে পালিত মানব বন্ধন এতদঞ্চলের আন্দোলন কর্মসূচীতে নতুনমাত্রা যোগ করে। কক্সবাজার নিউজ ডট কমসহ স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় তা নিয়ে রিপোর্ট হয়। মানব বন্ধনের দিন রাতেই সদর প্রশাসনের উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট সলিম উল্লাহ বাহাদুর ঘটনার সুরাহায় ইউনিয়ন পরিষদে বৈঠক করেন। উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক এবং অভিযোগকারীদের নিকট থেকে তিনি ঘটনার বিবরণ শুনেন। পরিষদের চেয়ারম্যান, সকল মেম্বার, অভিযোগকারী এবং উৎসুক শতাধিক মানুষের সামনে অভিযোগকারীদের তিনি আশ্বস্ত করেন জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত কাজে বেশি টাকার নেওয়ার অভিযোগটি তিনি আমলে নিয়েছেন এবং প্রশাসনিকভাবে তদন্ত পূর্বক এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। অভিযুক্ত আচরণিক ব্যাপারটি তিনি সুন্দরভাবে সমাধান করেন। স্পর্শকাতর বিষয়টি তড়িৎ সমাধানের কাজটি সুশীল সমাজে প্রসংশিত হয়।

মানব বন্ধন এবং তৎসংক্রান্ত অভিযোগের আপোষ বৈঠকে উপস্থিত থেকে আমি জেনেছি, অনলাইনসহ সামগ্রিক কার্যক্রমে ৩ নং ইসলামাবাদ ইউনিয়ন সদরে ১ নং এবং বাংলাদেশে ৭নং পজিশনে রয়েছে। খবরটি অত্র ইউনিয়নের মানুষ হিসেবে আমার জন্যও আনন্দের, গর্বের। এক্ষেত্রে তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের পরিচালকের গলদঘর্ম পরিশ্রম প্রসংশনীয়। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের পক্ষে চট্টগ্রাম কলেজের এক ছাত্র এবং ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের অপর এক ছাত্র মোঃ সেলিমের বক্তব্যে যখন শুনি, তাত্ত্বিক অগ্রগতির বিষয়টি দিয়ে তথ্য সেবা পরিচালকের অশোভন আচরনের বিষয়টি যেন এড়িয়ে যাওয়া না হয়, তখন আমার গর্বের বিষয়টি ম্রিয়মান হয়েছে বলে মনে হয়। বৈঠকে একজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় জানান যে, উনারা প্রশাসন থেকে একটি তালিকা পাঠিয়েছেন কোন কাজে কত টাকা নেবেন তার হিসাব দিয়ে। কিন্তু এতদঞ্চলের জনগণের মতো আমারও উক্ত সিটিজেন চার্টার দেখার সৌভাগ্য হয়নি।

পরবর্তীতে অনেকের কানাঘুষায় বিষয়টি হয়তো আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই কয়েকদিন আগে অভিযোগকারীবৃন্দ এবং তথ্য সেবা পরিচালকে নিয়ে আবার বৈঠকে বসেন ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিক এস.এম তারিকুল হাসান এবং চেয়ারম্যান নূরুল হক। চেয়ারম্যান সাহেব তাদেরকে আশ্বস্ত করেন, আর কোন দিন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের পরিচালক কারো সাথে অশোভন আচরণ করলে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। অভিযোগকারীরা হয়তো খুশি হন, হয়তো না।

প্রিয়, এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়ানোর স্বপক্ষে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো ভুমিকা রাখতে পারে-

(১) তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষরসহ ‘সেবার জন্য প্রদেয় মুল্য তালিকা’ সকল ইউনিয়ন পরিষদেই টাঙ্গানো রয়েছে কিনা তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক তদারকি করা যেতে পারে।

(২) যে সকল ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রার গ্রাম বা ওয়ার্ড অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সুষ্ঠুভাবে সাজিয়ে লেখা হয়নি, দ্রুত জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানের স্বার্থে সে সকল ইউনিয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের নাম দ্রুত অনলাইনে সংযোজন করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে বারবার রেজিস্ট্রার বই ঘাঁটার মতো বিরক্তিকর কাজটি সংশ্লিষ্টদের করতে হবেনা যা দ্রুত জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদানে কার্যকর হতে পারে।

(৩) তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের আওতা বহির্ভূত কোন কাজ করে দেওয়ার নামে সেবা কেন্দ্রের দ্বারা সাধারণ মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দকে নিজেদের আওতা বহির্ভূত কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে পারেন।

(৪) তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগের কৌশল প্রয়োগে কাজের চাপের ভেতর থেকেও সেবা প্রত্যাশীদের সাথে সাবলীল আচরণে দক্ষ করা যেতে পারে।

(৫) তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দকে যাতে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অপবাদ সইতে না হয় সেজন্য নির্ধারিত ফি’র বেশি নেওয়া হলে বিধি অনুসারে কোন্ খাতে তা নেওয়া হয়, তার হিসাব প্রদেয় মূল্য তালিকায় সংযোজিত করা যেতে পারে।

(৬) সেবা প্রত্যাশীদের ধৈর্য ধারনের মানসিকতা তৈরী প্রয়োজন এবং উগ্র আচরণসহ ব্যক্তিক প্রভাব খাটানো পরিহার করা দরকার।

অস্বীকার করার জো নেই, তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে সুনিপুণ ভুমিকা রেখে চলেছেন। আমরা তাঁদের সাধুবাদ জানাই। তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়ে দেশের মানুষ উপকৃত হোক এবং পাশাপাশি এলাকার জনগণ সেবা নিতে এসে অযাচিত আচরণ না করে তাদের সহযোগিতা করবেন- এমনটিই প্রত্যাশা আমাদের।
তথ্যসূত্র: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের ওয়েবসাইট।