ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২ টা ১০ মিনিট । একদল সন্ত্রাসী কালো মাইক্রোবাস ভিআইপি গেস্ট হাউজের মূল গেটের সামনে রেখে ভিতরে ঢোকার জন্য কর্তব্যরত আনসার কর্মী মোঃ শাহিন মিয়া কে গেট খুলতে বলে। তারা জানায় তারা ডিরেক্টর মিসেস মাহমুদা খাতুন এর সাথে দেখা করবে । দেখা করতে না দিলে তাকে প্রানে মারা হবে ।এবং নানা রকম হুমকি দেওয়া হয় । তিনি অপারগতা জানালে দেয়াল টপকে কয়েকজন সন্ত্রাসী অস্ত্র সহ ঢুকে পড়ে ।তাকে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে । তিনি প্রান বাঁচাতে দৌড় দেয় এবং চিৎকার করতে থাকে । তার চিৎকারে আবাসিক এলাকার অন্য আনসাররা এবং আর ও মানুষ জন চলে আসে । যেহেতু মুল গেট এর বাইরে তাদের গাড়ি ছিল । তারা দেয়াল টপকে ভিতরের দ্বিতীয় গেট এ ঢুকতে চেষ্টা করে ছিল । তাদের ম্যাক্রোবাস এর পিছনের লাইট বন্ধ ছিল । লোকসমাগম হলে তারা পালিয়ে যায় ।এই আক্রমণের কারন কেউ বুঝতে পারছে না । এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম হাটহাজারি থানায় মামলা করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় ।এই হামলার পর পুরো আবাসিক এলাকায় আতংক বিরাজ করছে । উল্লেখ্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারী ১৩ জন বিজ্ঞানী এবং একজন ইঞ্জিয়ারকে অপরিচিত নাম্বার থেকে চাঁদা দাবি এবং প্রান নাশের হুমকি দেওয়া হয় । এই দুইটি ঘটনার সাথে কতো টুকু সম্পর্কযুক্ত এখনও জানা যায়নি । সে ব্যাপারেও চট্টগ্রাম বায়জিদ থানায় পৃথক পৃথক আরও কয়েকটি জি ডি করা হয় ।
এই গবেষণাগারের কেউ সঠিক কারন উদ্ঘাটন করতে পারছে না ।তবে সব কিছু তদন্ত হচ্ছে । নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে । তবে সব কিছুর পরও একটি সুন্দর পরিবেশে আতঙ্ক আর ভয় বাতাসে ভাসছে । মানুষ জন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছে না । অনেকে চাকরি ছাড়ার এবং বদলির চিন্তা ভাবনা করছে । একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়ে ভয় আর আতঙ্কের সাথে বসবাস । যেন জীবন আর মৃত্যুর খেলা । জীবনের তাগিদে মানুষকে চাকরি করতে হয় । আর চাকরির নিয়মে দেশের সব জায়গায় কাজ করার মন মানসিকতা থাকতে হয় । কিন্তু সে জায়গাটা যদি হঠাৎ মৃত্যুর ঘণ্টা শোনায় কে বা সুস্থ স্বাভাবিক থাকতে পারে । কবে এই দেশ ভয় আর আতঙ্ক কে অতিক্রম করবে? কে দিবে এই নিরাপত্তা?7385322156_f052418219_b65588981