ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

img_20160914_124331

চাদঁপুরের সবচেয়ে বড় উপজেলা হাজীগঞ্জ।ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের অনুসন্ধানে অনেক ভাবেই হাজীগঞ্জের নাম পাওয়া যায়। তার মধ্যে ঐতিহাসিক মসজিদ গুলো অনেক খানি গর্ব ধারন করে আছে। কিন্তু দু:খজনক হলেও এই উপজেলার অনেক গুলো গ্রামের রাস্তাঘাট ভাঙা এবং পানি আটকে থাকায় জনগণ নানা দুর্ভোগে দিন যাপন করছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা রকম দুর্ঘটনা।
images

স্থল পথে রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে নানা রকম বাস সার্ভিস আছে পদ্মা, তিশা এবং আল আরাফাহ। এই বাসে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যায় হাজীগঞ্জ। কেউ যদি নদী পথে যেতে চায় তাহলে সদর ঘাট হয়ে যেতে হবে। এছাড়া নিজের প্রাইভেট কার বা যেকোন গাড়ি যোগে তিন থেকে চার ঘন্টার পথ।

ঢাকা চিটাগাং মহাসড়ক দিয়ে বাস নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, চাদঁপুর পার হলেই হাজীগঞ্জ। আর এই হাজীগঞ্জের পৌরসভার খুব কাছেই আলীগঞ্জ বাজার। সে বাজারের কাছেই দেখা যায় সৌন্দর্যময় ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, উপজেলা সদরের নানা অফিস, ভূমি অফিস, সরকারি বাস ভবন পিটিআই। আলীগঞ্জ বাজারের ভিতর দিয়ে চলে গেছে যে রাস্তা সেটা পশ্চিম হাটিলা গ্রামের । অবারিত সবুজ আর সীমাহীন মেঠো পথ যেন দিগন্ত ছুঁয়েছে। যে কোন মানুষের মন হারিয়ে যাবে। সবুজ পথে যেতে যেতে মাঝ খানে ট্রেন লাইন যে কোনো মানুষের মন কেড়ে নেবে। কিন্তু এই ট্রেন লাইন খুবই বিপদজনক। ট্রেন আসা-যাওয়ার কোন সিগনাল নেই। নেই কোন কাউন্টার।

জানা যায়, এখানে ১৯৯৫ সালে ঘটেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা। তবুও এতোদিনে কর্তৃপক্ষ নেয়নি কোন সঠিক পদক্ষেপ কিংবা ব্যবস্থা করেনি জনগনের সচেতনতা। এই ট্রেন লাইনের আগে-পড়ে যে রাস্তাগুলো, সেগুলো বিপদজনক ভাবে ভাঙা। প্রায় প্রতিদিন ঘটছে রিকশা, সিএনজি, প্রাইভেট কার, অটো রিকশার দুর্ঘটনা। কিন্তু প্রশাসন কেন নিয়মিত দুর্ঘটনা প্রবল এলাকা সম্পর্কে অবগত নয় নাকি জেনে-শুনে নিরব ভূমিকা পালন করছে তা কারও জানা নেই।

এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ সচেতন নয় কিংবা প্রশাসনের চরম দুর্বলতার কারনেই দীর্ঘদিন কোনো জনগণ চলাচলের রাস্তাঘাট এতোটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে ।

আশাকরি জনগণ সচেতন হবে এবং কর্তৃপক্ষ সঠিক দায়িত্ব পালন করবে।