ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

images-6
( ছবি : ইন্টারনেট)

রাজধানির অনেকগুলো মহাসড়ক এবং সাধারন সড়ক ওভারব্রিজে ঢেকে গেছে। ওভারব্রিজ গুলো ঢাকা শহরকে দিয়েছে নতুন অবকাঠামো।

উন্নত দেশের সাথে মিল রেখে রাজধানীর আধুনিকায়নে ওভারব্রিজ গুলো নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই সাথে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে এই মহতি পদক্ষেপ।
কিন্তু এই ওভারব্রিজ গুলো কি আদৌ যানজট কমাতে পেরেছে?
ওভারব্রিজ গুলো তৈরি করার পর তা ব্যবহারের প্রতি জনগনের ভিতর সচেতনতা বৃদ্ধিতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
যদি তাই হতো তাহলে ঢাকা শহরে কোন যানজটই থাকার কথা নয়।
বিগত কয়েক বছরে ওভারব্রিজ নির্মান করে ঢাকার চেহারা পাল্টে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমস্যা গুলো সমস্যাই রয়ে গেছে ।

ওভারব্রিজ গুলো অতিরিক্ত টোলের কারনে বড় ট্রাক বাস গুলো ওভারব্রিজ ব্যবহারে অনিহা প্রকাশ করে।
রাতের বেলা ওভারব্রিজ গুলোতে চলে ছিনতাই, ভিক্ষা বৃত্তি এবং নানা রকম অসামাজিক কার্যকলাপ।

অনেক ভিক্ষুকরা আগে রাস্তায় ফুটপাতে ঘুমাতো। এখন ওভারব্রিজে ঘুমায়।
তাছাড়া ওদের দোষ দিয়ে কি লাভ? খালি পেলে যেকোন মানুষের তা ব্যবহারের অধিকার তৈরি হয়।

রাতে বেলা অনেকেই ভিক্ষুক এবং ছিনতাই কারির ভয়ে ওভারব্রিজ দিয়ে চলাচল করেনা।
জনগনের কোটি কোটি টাকা এখন ওভারব্রিজ হয়ে ঢাকা শহরের বাতাসে শূন্যে ভাসছে।

যানজট নিরসনে সরকারের এই উদ্যোগের অব্যশই যৌক্তিকতা আছে। কিন্তু সেই সাথে জনগনের সচেতনতা এবং সঠিক মনিটরিং সরকারকেই করতে হবে।
আগে নিরব ফুটপাত গুলোতে ছিনতাই হতো। এখন ওভারব্রিজ গুলো যেন আরো নতুন সূযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

রাজধানির ওভারব্রিজ ঢাকাশহরের সৌন্দর্য বর্ধনে আলাদা মাত্রা যোগ করলেও এর সঠিক ব্যবহার এবং সংরক্ষনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আমাদের দেশের ওভারব্রিজ ব্যবহার, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, সংরক্ষনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এই দেশ আমাদের। এই দেশ আমাদের পূর্ব পুরুষের। এই দেশ আমাদের ভবিষ্যত সন্তানের।

আসুন এই দেশ কে সুন্দর রাখি। নিজেকে দেশ প্রেমে উদ্ভুদ্ধ করি। পাশের মানুষটিকেও সচেতন করি।
আশাকরি এই ওভারব্রিজ গুলোর জনগনকে সচেতনকল্পে এবং নিরাপত্তা বিধানে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।