ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

নাহ! ভীষন অসহায় লাগছে। এটা এখন নিশ্চিত যে আমরা পিশাচের পৃথিবীতেই বসবাস করছি। যে কোন সময় যে কেউ হরর মুভির মতো পিশাচ হয়ে যেতে পারে।কখনও গলা টিপে, গায়ে আগুন দিয়ে, এসিড মেরে, ছুড়ি মেরে।।ঠিক এভাবেই সবার সামনে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে।

নারী কিংবা পুরুষ। কার জীবনটা যে নিরাপদ সেটাই বুঝতে পারছি না । নার্গিসদের বাড়ির লজিং থাকতো বদরুল। বার বার প্রেম প্রত্যাখ্যান হওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।মেয়েটি এম সি কলেজে পরিক্ষা দিয়ে বের হয়। সে সময় চাপাতি দিয়ে সবার সামনে কোপায়। এদেশের মানুষ লাইভ শো দেখে। কেউ ছবি তোলে, কেউ ভিডিও। যদিও এগুলো রাখারও প্রয়োজন আছে। তা না হলে হয়তো সবাই ছেলেটিকে ঘটনার স্বীকার / নির্দোষী করে ফেলতো।

এটা কি নার্গিসের প্রতি বদরুলের প্রেম নাকি পলিটিক্স। নাকি ভয়ংকর কোন স্বার্থ ছিলো। প্রেমিক মন কি খুনি হতে পারে? নার্গিস কে না পেলে তার কি আর কোন মেয়ে জুটতো না। শাবির ছাত্রের কেনো মেয়েটিকে খুনই করে ফেলতে হবে। ভিতরে যতো আক্রোশ থাকুক। তাই বলে সমাজের সব আইন ভেঙে ফেলতে হবে?

ও কি পড়াশুনা করেছে? ওর কি জন্ম মানুষের পেট থেকে হয়েছে? মনে হয় না। আমি আরও ভয় পেয়ে গেলাম। কোন সন্দেহ নেই মানুষের মাঝে হিংসা আর প্রতিহিংসা আগুনের ফুলকির মতো জ্বলে।

সত্যি মানুষের প্রতি আমার অবিশ্বাস বেড়ে যাচেছ। আস্থা হারিয়ে যাচেছ। আমার দেখার জগৎটা রক্তাক্ত হয়ে উঠছে ক্রমশ। পিশাচের পৃথিবীতে মানুষ হারিয়ে যাচেছ।প্রতিদিন ঘুম ভাঙার আগে অথবা পরে