ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

(আত্মজীবনী, এডর্ন পাবলিকেশনের সহযোগী সংস্থা অক্ষর সংস্কৃতি থেকে প্রকাশ হচ্ছে। স্টল ২৬৬-২৬৯)

শুরু হলো অমর একুশে বই মেলা ২০১৭। সার্বিক ব্যস্থাপনায় এবারের বই মেলায় অনেক নতুন নতুন বিষয় যোগ করা হয়েছে। স্টল বরাদ্দ, শিশু কর্ণার, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইত্যাদি সব কিছুতেই আগের তুলনায় কিছুটা পরিবর্তন আছে। সব কিছু ঠিক থাকলেও কিছু বিষয় আলোচনার মধ্যেই আছে। লেখক হিসেবে আমরা গুটিকয়েক নামকেই বার বার দেখতে পাই। আমরা কেন নতুন নতুন নামে উদ্ভাসিত হইনা?

15589908_1878632075691465_3838674509072044929_n

(কবিতা, দেশ পাবলিকেশন্স থেকে,স্টল ৫০২-৫০৪)

এই পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী? লেখক, পাঠক, প্রকাশক নাকি অন্য কেউ? প্রতি বইমেলায় দেখা যায়, শত শত লেখক কিংবা কবির বই প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু লেখক কিংবা কবির সৃষ্টি আমাদের/পাঠকদের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছায় না। মানুষের মাঝেও বই কিনে পড়ার যে নান্দনিক মানসিকতা বা সংস্কৃতি নেই। এই প্রকাশনা জগতের এই অবস্থা দূর করতে পাণ্ডুলিপির গবেষণা এবং বাজারজাতকরণ খুবই জরুরি। তবেই আমরা বৃহৎ বই বাজার তৈরি করতে পারবো।

31_Book+Fair_010217_0025

সাধারণ মানুষের মাঝেও বই কিনে পড়ার আনন্দকে তুলে ধরতে হবে। শিক্ষিত অনেক মানুষের মুখেই শুনি কবিতা পড়ে কী হবে? গল্প-উপন্যাস পড়লে তো আর চাকরি পাবো না। অথচ অনেক দেশেই লেখক হওয়া আর ভাল রোজগারের স্বপ্ন সমান। লেখকরাও ভাল আয় করে।

arora town(উপন্যাস, শিখা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ,স্টল ৬১২-৬১৫ সোহরাওয়ার্দি উদ্যান)

 

একজন ভালো লেখক একটা সমাজকে পাল্টে দিতে পারে। আপনার চিন্তা-ভাবনাকে সুন্দর করতে পারে। কোটি মানুষের দেশে যদি শত লোকও বই কিনে তাহলে বইয়ের দুনিয়া অনেক বেশি বিকশিত হতে পারে। আসুন বই কিনে পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলি। একুশে বইমেলা ২০১৭ সফল হোক।

 

নুরুন নাহার লিলিয়ান

নির্বাহী সম্পাদক
মহীয়সী নারী বিষয়ক নিউজ পোর্টাল।

ট্যাগঃ:

মন্তব্য ১৬ পঠিত