ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

আমরা শ্বসন প্রক্রিয়ায় carbon-di-oxide ত্যাগ করি । বলা বাহুল্য অতিরিক্ত carbon-di-oxide আমাদের পরিবেশের জন্য চরম হুমকি । পক্ষান্তরে oxygen আমাদের বেঁচে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান। বৃক্ষ এই অতিরিক্ত carbon-di-oxide গ্রহন করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে আর নিজের খাদ্য তৈরি করে এবং আমাদেরকে oxygen দান করে যা গ্রহন করে আমরা বেঁচে থাকি। ঠিক এই কারণেই বৃক্ষকে আমরা পরম বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করি।

এই পুরো অদৃশ্য প্রক্রিয়াটির অত্যন্ত স্পষ্ট দৃশ্য প্রতিফলন দেখা যায় আমাদের বর্তমান সমাজে। তথাকথিত যৌন কর্মীরা অসাধু এবং যৌন ক্ষুধার্ত কিছু মানুষরূপী শকুনের ক্ষুধা মিটিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে কোনোরকমে, পাশাপাশি সমাজের বিশৃঙ্খলা এড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কেননা যৌন ক্ষুধার্ত কোনও ব্যাক্তির অবৈধ যৌন ক্ষুধা যদি তথাকথিত এই যৌন কর্মীরা না মেটাত তবে মানুষরূপী এই শকুনেরা হয়ত ঝাঁপিয়ে পড়ত যেখানে-সেখানে, জোরপূর্বক নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করত। আর সমাজ তখন হয়ে উঠত শৃঙ্খলহীন এবং এই বিশৃঙ্খল সমাজ ক্রমেই আমাদের বাসের অযোগ্য হয়ে পড়ত।

বন্ধুরা, একটু উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন, এই সকল ঘৃণ্য অবৈধ যৌন ক্ষুধার্ত শকুনদের ক্ষুধা যদি carbon-di-oxide হয় তবে তথাকথিত যৌন কর্মীরা এই বিষাক্ত carbon-di-oxide গ্রহন করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করছে আর oxygen ত্যাগ করছে অর্থাৎ সমাজকে বিশৃঙ্খলা থেকে দূরে রাখছে, সমাজকে আমাদের বাসযোগ্য করে রাখছে।

এবার বলুন তাদের আমরা কি ভাববো “ঘৃণ্য যৌনকর্মী” নাকি “পরম বন্ধু বৃক্ষ”?