ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

আমার বাংলাদেশে দুই জায়গা যেতে ভয় লাগে । এক হচ্ছে জেলখানা আর হচ্ছে হাসপাতাল। জেলখানায় কখনও যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। তবে হাসপাতালে অনেকবার গিয়েছি। প্রথম আমার হাত ভাঙল যখন আমার বয়স তিন বছর। পঙ্গু হাসপাতালে। তারা ঠিক মতো আমার ডান হাত সেট করতে পারেনি। শেষ গিয়েছি বেশ কয়েকবার আব্বু যখন মাথায় টিউমার ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে যা ক্যান্সার তখন। প্রথমে তাকে ইবসিনায় নেওয়া হয়। এরপর যথাক্রমে কমিউনিটি হাসপাতাল, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল এবং শেষে জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এদের মান নিয়ে আমি কোন প্রশ্ন করতে চাই না। যা মান তা সবাই জানে। এদের ব্যবহার আর নিয়মকানুন সম্পর্কে প্রশ্ন চাই।


১) যতই টাকা দেই না কেন রোগীদের জন্য আমাদের আলাদা লোক দিতে হয়েছে।
২) ওষুধ বার বার কিনিয়ে আবার চোখের সামনে তা নিয়ে যেতে দেখিছি। 
৩) টিউমার বের করা যাবে না তারপরেও অপারেশন করেছে। 
৪) ফর্ম পূরণের নামে আধা ঘণ্টা রোগীকে নিচে রেখে দিয়েছে। 
৫) ছাত্র ডাক্তারদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য রোগীকে অবজেক্ট বানিয়েছে রোগী পরিবারের অনুমতি ছাড়া। 

আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। বাংলাদেশে হাসপাতাল গুলো যেসব অব্যবস্থা হয় তার সামান্য আমি জানি। কিছুদিন আগে আমার বড়বাবু (বড় চাচা) মারা গেছেন। তার হার্ট এতাক্ত হলে হাসপাতালে গেলে তার ফরম পূরণ তাকে করতে হয়, আমার নতুন চাচি আমার দাদার নাম জানত না। যা আমার বড় বাবু শেষ কথা ছিল। “আমার আব্বার নাম ডাঃ খোরশেদ আলী সরকার।”