ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

বাজেট কার জন্য?সাধারণের জন্য না ধনীদের জন্য?সরকারের আয় বাড়াতে কি,জনগনের ব্যয় বাড়ানো হয়েছে?আবারো দেওয়া হল কালো টাকা সাদা করার সুযোগ।গরিব-ধনী সবাইকে ১৫% সাথে আরো ২% কর দিতে হবে মোবাইল ফোনে কথা বলতে। যা অনেকটা গরম তেলে পানি ছিটানোর মতো।কামানো হলো দুটি শৌখিন পণ্যের (মোটরসাইকেল ও রেফ্রিজারেটরের)দাম।বরং এতে দেশিও উদ্যোক্তারা অনুপ্রেরণা হারাবে।এ পণ্য গুলো কি মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাবে? অবশ্য নিন্ম-মধ্যবিত্তদের খুশি রাখতে সয়াবিনের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়ছে।বাড়ানো হয়নি করমুক্ত আয়ের সীমা।উল্টো বাড়ানো হয়েছে ন্যূনতম করের পরিমাণ। মুদ্রাস্ফীতি ধরা হয়েছে ৭.৫ যা বর্তমানে ৯.১৫, কিন্তু কিভাবে অর্থমন্ত্রী মুদ্রাস্ফীতি কমাবেন তা নিয়ে অর্থনীতিবিদরা সংকিত। কারন চলতি বছরে বৃদ্ধি পেতে পারে তেল ও বিদ্যুতের দাম। আর তেল ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানে দ্রব্যমূল্যের দাম ও পরিবহন ভাড়া হু হু করে বৃদ্ধি (যেমনটা ১=৩)!ব্যাংক থেকে সুদ গ্রহন করলে এখন (টি,আই,এন) না থাকলে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে, যা সাধারণ আমানতকারীরা ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে উৎসাহ হারাবে।সব ক্ষেত্রে যখন অর্থমন্ত্রী ঊর্ধ্বমুখি তখন কৃষিতে এসে নিন্মমূখি। কমানো হল কৃষি ভর্তুকি।বাজেট ঘাটতি মেটাতে শুধুমাত্র ব্যাংক ঋণ না নিয়ে বন্ড ও শেয়ারবাজারের দিকে নজর দেওয়া জেতে পারে।অন্যথায় ব্যাংকের তারল্য সঙ্কট দেখা দিবে। যা দেশের সর্বাত্মক বিনিয়োগে ভাটা পরবে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়াবে কয়েক গুন। Quick Rental এ কিছুটা ভর্তুকি কমিয়ে পুরনো ও নষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো মেরামত করা যেতে পাতে।প্রত্যক্ষ কর, করবহির্ভূত আয় বৃদ্ধি করে পরোক্ষ করের উপর নির্ভরতা কমাবেন এবং উৎপাদন খাতে ভর্তুকি বাড়াবেন এটাই জনসাধারনের চাওয়া।