ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে কেন বর্তমান সরকার?তাদের ভয় কিসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যামে নির্বাচনের যেতে? অবৈধ বলা হ্য় তত্ত্বাবধায়ক সরকার কে।কিন্তু তারা কি ভুলে গেছে তারা একটি তত্ত্বাবধায়ক অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন? প্রধানমন্ত্রী ও সরকার দলের নেতাদের বক্তব্যের একটি কমন উপকরন হলো বেগম জিয়ার দুই সন্তানের চুরি,টাকা লুট ও পাচারের কথা। এখন ক্থা হলো গতবার যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার না থাকতো তাহলে তারা কিভাবে তা জানতেন? তাদের ভয় কি সেখানে? কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার না আসলে আমরা কোনভাবেই জানতে পারবো না বর্তমান সরকার কি পরিমান টাকা ও লুট করেছে। সরকারের কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদ্ধতি বাদ দেওয়ার বর কারন হলো ৯০ দিনের চেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা অথবা অ-নির্বাচিত লোকদের আর ক্ষমতার গ্রহন করতে দেওয়া হবে না। অনেকটা মশার সাথে রাগ করে মশারি পুড়িয়ে ফেলা। বিএনপি এখন হারে হারে টের পাচ্ছে ৯৬’তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদ্ধতি বাদ দেওয়ার কথা।

বিএনপি’র নেতারা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদ্ধতির পক্ষে বড় বড় কথা বলেন।তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদ্ধতির বিপক্ষে ছিলেন কেন? বিএনপি’র আমলের পুরো ৫ বছর বর্তমান সরকার কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনার আধীনে নির্বাচন হবে তা নিয়ে আন্দোলন করেছেন।আর এখন বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার জন্য আন্দোলন করছে প্রায় ৪ বছর ধরে। তাহলে গত ৯ বছর(তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছর ছাড়া)আপনারা তো মানুষের জন্য কোন আন্দোলন করলেন না।আপনারা পারতেন কিভাবে আমাদের জিডিপি বাড়বে,অর্থনীতি অবস্থা ভাল হবে,বেকার সমস্যা,বিদ্যুৎ সমস্যা দূর হবে তা নিয়ে কথা বলতে।কিন্তু তা করলেন না।শুধু দেখলেন কিভাবে ক্ষমতায় আসা যায় পুনরায়। ব্যারিস্টার রফিকুল হক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে রাজি আছেন।আমার মতে উনি পারবে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে। কিন্তু সমস্যা হল যে দল জয়লাভ করবে তারা বলবে এবারের নির্বাচন সবচেয়ে সুন্দর ও নিরপেক্ষ হয়েছে।অন্যদিকে যারা হারবে তারা বলবেন রফিকুল হক সাহেব XYZ দলকে জিতিয়ে দিয়েছেন।ওনাকে সফল হতে দিবেন না। তাছাড়া তিনি আমাদের রাজনৈতিক দল ও নেতাদের সাথে পারবেন না।।তাই বলি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা আছে বলে যা ইচ্ছা তাই করবেন তা হতে পারে না।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা সব বুঝি।আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনে চাই। তাছাড়া রায়ে বলা আছে আরো দু’টি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনে করা যেতে পারে।