ক্যাটেগরিঃ সেলুলয়েড

index

গত শুক্রবার বলাকা সিনেমা হলে গিয়েছিলাম “ভালোবাসার রং” সিনেমা দেখতে। কিন্তু টিকিট পাওয়া হলো না,অতপর বাড়ি ফেরা।গতকাল একটু আগে যাই এবং অবশেষে টিকিট পেয়ে মহা খুশি!শুক্রবার যেই পরিমান দর্শক ছিল গতকাল(সোমবার)তার ৪ ভাগের ১ ভাগও ছিল না। মাঝখানে সময় মাএ ২ দিন পার হলো।একটি কথা বলতে হয় ভালোবাসার রং নাকি প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা আয় করেছে। সূত্র বিডিনিউজ২৪.কম। সিনেমা হলে ১০০ থেকে ১৫০ জন দর্শক হবে।বাকী সব ছিট ফাঁকা। তাহলে কিভাবে আয় হলো ২৪ লক্ষ টাকা?

সালাম চৌধুরী(রাজ্জাক)গ্রামে বসবাস করেন তার নাতনি মাহিকে নিয়ে।বাপ্পি(নায়ক)যে নাকি পরপর ২ বার চৌধুরী সাহেবের বাড়িতে চৌধুরীর লাঠি ও টেপরেকর্ডার চুরি করে।কারণ চুরি করতে পারলে মাহির মন পাবে বাপ্পি।মাহি তাই চৌধুরী নিরাপত্তা কর্মীদের বোকা বানিয়ে চুরি করতে ঢুকে যায় চৌধুরী মহলে।প্রথম বার চুরি করে খুব সহজে পালাতে পারলেও,দ্বিতীয় বার একটু কষ্ট হয়(মাহির চাচার আগেতে হাতে ব্যাথা পায়)।বাপ্পির কষ্টে মাহি নিজেকে অপরাধী মনে করে মাঝরাতে চৌধুরী বাড়ির কন্যা ছুটে যায় বাগানে। আর সাথে ছিল (তোমাকে কেউ আমার কাছ থেকে আলাদা করতে পারবে না,মরণ ছাড়া,তোমার জন্য মরতে পারি…..ইত্যাদি…ইত্যাদি)।

এসির ঠান্ডা বতাসের সাথে ছবির ঠান্ডা সংলাপে সবাই যখন চুপ তখন একটু নারাচারা দিলেন আইটেম গানে। মাহিকে তুলে নিতে চাই তার বাবা,মা’র খুনিরা।তাদের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যায় মাহির সাথে মাহির দাদার বাড়িতে।ছবি শুরু হবার পর পাশে থাকা একজন দর্শক বললেন,ভাই দেখবেন কাবিলার একটা গান থাকবেই।প্রশ্ন করলাম আগে দেখেছেন? না ভাই এটা কমন বেপার। অতপর তাই হলো!

ছবি মানে বাস্তব,কল্পনা না।বাস্তবের সাথে কিছু থাকার দরকার ছিল।পরিচালক বাস্তবের দিকে নজর না দিয়ে ,কল্পনার জগতে বেশি নজর দিয়েছেন।কিছু সংলাপ ছিল হাস্যকর (অনেকটা বাচ্চাদের মত)। ছবির লোকেশান, ভিডিও কোয়ালিটি ও সাউন্ড কোয়ালিটি অনেক ভাল ছিল।গল্প ও পরিচালনায় সব পুরোনো ধ্যান ধারনা।নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করার জন্য জাজ মাল্টিমিডিয়াকে অনেক ধন্যবাদ।জাজের জন্য শুভ কামনা রইল।কিছু ভাল মানের লেখক ও পরিচালক পেলে আমাদের বাংলা সিনেমা হবে আন্তর্জাতিক মানের।