ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

ঈদের আগে(১২ই অক্টোবর)গিয়েছিলাম মোবাইলে ফোনে টাকা টপ-আপ করতে।ন্যাশনাল আইডি(জাতীয় পরিচয়পত্র) ও ছবি ছাড়া নতুন মোবাইল সংযোগ কেনার কথা জানতে চাইলেন একজন ক্রেতা? না, কোন কিছু লাগবে না। অবশেষে ক্রেতা ফর্ম পূরণ না করে ৭০ টাকার বিনিময় একটি বাংলালিংকের সিম কার্ড পেলেনবিক্রেতাকে প্রশ্ন করলাম ন্যাশনাল আইডি ও ছবি ছাড়া সিম কার্ড চালু হবে তো?হ্যাঁ!কিন্তু কিভাবে?প্রতিটি সিম কার্ডের ন্যায় এই সিম কার্ডের বিপরিতে ন্যাশনাল আইডি ও ছবি জমা দেওয়া হবে(এজেণ্ট)বিক্রয় প্রতিনিধি তথা মোবাইল অপারেটকে।কারণ এতে(রিটেলার)খুচরা বিক্রেতা কষ্ট কম হয় এবং সিম বিক্রয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।এখন প্রশ্ন আসে কিভাবে অ্যাক্টিভ হয় নতুন সিম কার্ড? সাধারনত ২ টি মাধ্যামে সিম কার্ড অ্যাক্টিভ করে থাকেন রিটেলার ও এজেণ্টগন।

এক. ছবি থেকে ছবি ও ন্যাশনাল আইডি ফটোকপি করে জমা দিয়ে।আর এতে খরচ হবে প্রতি কার্ডে ১০ থেকে ১২ টাকা।

দুই. প্রতি সিম কার্ডে এজেণ্টকে ৬ থেকে ৮ টাকা দিলে এজেন্ট ফর্ম পূরণ করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ সেরে জমা দেবেন।অবশ্য রিটেলারদের কাছে এটি বেশ লাভজনক।প্রশ্ন করলাম এজেন্ট কোথায় কিভাবে ন্যাশনাল আইডি ও ছবি পাবে? যারা সঠিক ভাবে নিয়ম মেনে সিম কার্ড ক্রয় করেন মূলত তাদের ন্যাশনাল আইডি ও ছবি ফটোকপি করা হয়।

সরকার ও বিটিআরসিকে আরো আন্তরিক হতে হবে।প্রয়োজনে রিটেলার ও এজেন্টের মাধ্যামে সিম কার্ড বিক্রয় বন্ধ করে শুধু মাএ কাস্টমার কেয়ার থেকে নতুন সংযোগ বিক্রয়ের নিয়ম করা যেতে পারে।অন্যথায় যারা নিয়ম মেনে ও আইনকে সন্মান করে সিম কার্ড ক্রয় করেন তারা বিভিন্ন হয়রানির শিকার হবে।এবং আগ্রহ হারাবে যারা আইনকে সন্মান করে সিম কার্ড ক্রয় করেন।