ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বিশ্বব্যাংকের শর্ত ভঙ্গ করে এক মাসের ব্যবধানে পুনরায় কাজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান।পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঋণচুক্তি বাতিলের পর পুনরায় অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক চারটি শর্ত দিয়েছিল।মসিউর রহমান কি ক্যালেন্ডারের দাগ কেটে রেখেছিলেন কবে তার ছুটি শেষ হবে?নাকি মোবাইল ফোনে এলার্ম দিয়ে রেখেছিলেন আজকের দিনটি জন্য?কারণ নিখুঁত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে দেশে ফিরলেন কাজে যোগ দিতে?

সন্দেহ,আসলে মসিউর রহমান কি এক মাসের ছুটিতে ছিলেন?কারণ যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী ছিলেন মসিউর।ছুটিতে ছিলেন নাকি ছিলেন না তা প্রধানমন্ত্রীর ও মসিউর রহমান ভাল জানেন।কিন্তু তার ছুটি নামক নাটকে ইতিবাচক ছিল বিশ্বব্যাংক।যেখানে বিশ্বব্যাংক বলছে “শর্ত পূরণ হচ্ছে কি-না,সেটা দেখেই অর্থায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পদ্মা সেতুতে”। তাহলে কেন এমন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন উপদেষ্টা মসিউর ও প্রধানমন্ত্রী?প্রকৃতপক্ষে সরকার ও মসিউর রহমান কি চায়?তাদের ভয় কোথায়? সরকারের দুর্নীতি প্রকাশের ভয়?

মসিউর রহমানের কাজে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন “তার ছুটি শেষ হয়নি,কাজে যোগ দেওয়ার কথা নয়”।এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন “মসিউর রহমান যথাসম্ভব পদ্মা সেতু প্রকল্পে ও আর্থিক কোন বিষয়ে সম্পৃক্ত থাকছেন না”।

ছবি সমকাল থেকে।

আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত বাড়ছে মসিউর রহমানের।আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ড. মসিউর। দীঘলিয়ায় খুলনা-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন তিনি,সূত্র সমকাল(০৪.১১.২০১২)।

আজ দুদককে যাবেন মসিউর রহমান।আমরা চাই দুদক যেন তার সংশ্লিষ্টতা খুঁজে না পায়।কিন্তু তাকে ছুটিতে যেতে হবে,কারণ বিশ্বব্যাংক সাফ জানিয়ে দিয়েছে তার অপসারন/ছুটি ছাড়া পদ্মাতে অর্থায়ন নয়।একজন মসিউর রহমান চলে গেলে যদি বিশ্বব্যাংক পদ্মাতে অর্থায়ন করে তাহলে, তবে মসিউর রহমান হবেন স্মরণযোগ্য জাতির কাছে।আশা করি মসিউর রহমান গর্ব করার মতো পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।