ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথের দাম কমলেও কমেনি গ্রাহকদের বিলের পরিমান। গত ৫ বছরে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের মূল্য ৭৬ হাজার টাকা থেকে ৮ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। ২০০৭ সালে প্রতি মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের মূল্য ছিল ৭৬ হাজার টাকা। এরপর ৪৫ হাজার টাকায় নেমে আসে।

আরেক দফায় ৪৫ হাজার থেকে নেমে আসে ১৮ হাজারে। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রতি মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের মূল্য ১৮ হাজার থেকে কমিয়ে ১২ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়। ২০১১ সালের ১ আগস্ট থেকে তা নির্ধারিত হয়েছে ১০ হাজার টাকায়। মাত্র আট মাসের মাথায় ১৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ মূল্য কমিয়ে তা ১০ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়। সর্বশেষ প্রতি মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের মূল্য আরো ২ হাজার টাকা কমিয়ে ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত পাঁচ বছরে ছয়বার ব্যান্ডউইথের মূল্য কমল।চার বছর আগের ব্যান্ডউইথের মূল্য ৭৬ হাজার টাকা থেকে এখন ৮ হাজার টাকায় নেমে এলো। তবে এর কোন প্রভাব পরেনি খুচরা বাজারে।দফায় দফায় মূল্য কমলেও তার প্রভাব সাধারণ গ্রাহকদের ওপর পড়ে না বলে প্রচার করে থাকে ISP গুলো। তারা নানা রকম হিসাব-নিকাশ দেখিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করে “কোম্পানির সর্বমোট সার্ভিস কস্টের খুব সামান্য হচ্ছে ব্যান্ডউইথ কস্ট। ব্যান্ডউইথের মূল্য কমায় তাদের কোম্পানির খরচে তেমন কোনো তারতম্য পড়ে না।” তাহলে তারা ব্যান্ডউইথের ব্যাবসা করে নাকি অন্য কিছু? BTRC বলছে “ব্যান্ডউইথের মূল্য কমার সাথে ইন্টারনেট গ্রাহক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পরও দেশে অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ রয়ে যাচ্ছে। দেশে ব্যবহার উদ্বৃত্ত ব্যান্ডউইথ রফতানির বিষয়ে কয়েক দফা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।”এই সকল অনিয়ম বন্ধ করে ইন্টারনেটের বিল গ্রাহক পর্যায়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনবে ইন্টারনেট সেবাদানকারী কোম্পানিগুলো এমনটায় আাশা করে দেশের ইন্টারনেট গ্রাহক গনের অনেকেই ।