ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

রাজন মারা গেছে। তার ভিডিও ফুটেজ দেখার পর জনতা ক্ষুব্ধ। শোনা যাচ্ছে তার খুন হবার পেছনে নাকি এক চকিদারের বিকৃত যৌন লিপ্সা কাজ করেছে। তার অর্থ খুন হবার আগেও তার উপর নিপীড়নের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু জনতা তা জানে না। আমাদের দেশে একজন নারী যৌন হয়রানির স্বীকার/নির্যাতিত হলে সে মানবাধিকার কর্মীদের সাহায্য পায়। এটা সুসংবাদ। কিন্তু দুঃখের বিষয় একজন পুরুষ এ রকম সমস্যায় পরলে কেউ তা তাকিয়েই দেখে না। রাজন মরেছে তাই বাঙালি জেগেছে। কিন্তু রাজন যদি না মরত তাহলে কি বাঙালি জানতে পারত সে কতটা অমানবিক ভাবে নিপীড়িত?

একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাবুন অবহেলিত পুরুষদের কথা। খবরের অন্তরালে কত রাজন (কোন সময় প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষও) স্বীকার হচ্ছে বিকৃত যৌন নিপীড়নের। যারা কোনদিনই বিচারের আশ্রয় পাবে না। যদি খবরের আরও নেপথ্যে যাই তাহলে দেখা যায় আরও রোমহর্ষক ঘটনা। যেমন, আমি দেখেছি শিশু সন্তানকে ফেলে স্বামীর অর্থসম্পদ নিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও কোন মা। আবার কোন পুরুষকে দেখেছি কর্মসংস্থানের অভাবে পৈতৃক সম্পদ বিক্রি করে স্ত্রীর নামে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতিত হচ্ছেন নিজের ধনে আপন স্ত্রীর হাতে। সেইসব পুরুষ কোনদিনই ন্যায় বিচার পাবে না। তাদের বিচারের জন্য কেয়ামতের অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই। যা প্রচলিত আইনের অভাবে চিরদিনই খবরের নেপত্থেই থেকে যাবে। আমি জানি আমার লেখা পরে হয়তো অনেকে হেসে উড়িয়ে দিবেন। তথাপি মনের দুঃখে কথাগুলো না লিখে পারলাম না। আরও সাম্প্রতিক উদাহরন ১লিঙ্ক ২লিঙ্ক

slide