ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

সোমবার রাতে গুলশানে রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন সৌদি দুতাবাসের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। গুলশান এমন একটি এলাকা যেখানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ দুতাবাস এবং সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশীরা এখানে বসবাস করেন। এই এলাকার প্রবেশ পথ গুলোতে আছে পুলিশের চেক পোস্ট। তারপরও এই খুন। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা মতো, একটি সাদা প্রাইভেট কারে এসে খুনীরা গুলি করে পালিয়ে গেছে। কিন্তু পুলিশের কেউ টেরই পায়নি।

“সরকারে পক্ষে কারও বেডরুম পাহারা দেয়া সম্ভব নয়। সবার বেডরুমে পুলিশ বসিয়ে পাহারা দেয়া যায় না।”

এ কথা বলে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের দায় দায়িত্ব থেকে নিজেদের বাঁচাতে চেয়েছিলেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এবার তো রাস্তায় খুন হলেন একজন কুটনীতিক। তাও আবার গুলশানের মতো তথাকথিত সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জায়গায়। এবার প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন?
আগের কথার সুত্র ধরে বলতে হয়, এবার তার বলা উচিত।

“রাতের বেলায় রাস্তা পাহাড়া দেয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব না। আর প্রতিটি ওলি গলিতে পুলিশ বসানো যায় না।”

প্রধানমন্ত্রী দয়া করে এই কথাটি বলে ফেলুন না। আমরা জনগন তাহলে কোথায় কোথায় নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব তার একটি তৈরির কথা ভাবব। আর সে অনুযায়ী কাজ করব, চলাফেরা করব। এই প্রথম বাংলাদেশে কোন কুটনীতিক খুন হলেন। পুলিশ সাগর রুনি হত্যাকান্ড নিয়ে তাদের তথাকথিত যে পেশাদারিত্বের প্রমান দিয়েছে!!!! তাতে আমরা আশা করতেই পারি অতিদ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত তথাকথিত

প্রনিধানযোগ্য

অগ্রগতি হবে।