ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 


এ যেন এক রুটিন , এ যেন রাতের অন্ধকারে মানব হত্যার মিছিল । এ যেন রক্তের হোলি খেলা । প্রতিদিন খুন হচ্ছে বাংলাদেশিরা বিএসএফের হাতে আমাদের ই বাংলাদেশের সীমান্তে .

প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এই খুনের মাত্রা । আজ সাতক্ষীরা বর্ডারএ এক কৃষক তার গরুর জন্য ঘাস কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় তার তল্লাশি চালানো হয় এবং তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় পরবর্তিতে তাকে বর্ডার এর কাছে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় । হতভাগার নাম ছিল সিরাজুল ইসলাম।

এই শেষ নয় তাদের দৌরত্ব এখন শুধু সীমান্তেই ভেতর এই বজায় নেই, ওই খুনিরা(বি.এস.অফ) এখন আমাদের এলাকায় ঢুকে আমাদের হত্যা করছে । আগের দিন শুনলাম আমাদের দেশের এক নাগরিককে খুনিরা(বি.এস.অফ) তার ঘরের ভিতর ঢুকে খুন করেছে ।

এই কোন পশুত্ব ? নরপিচাশরা এই কোন রক্তিম খেলায় মেতে উঠলো ?

কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন এই হত্যাযজ্ঞ ?

আমি বলব আরো মার আমাদেরকে । আমরা মরার জন্যই জন্মেছি । আমাদের কপালে শুধুই বুলেটই আছে ।

যেই দেশের সরকার এতটাই দুর্বল যে হাজার হাজার মানুষ খুন করার পরও প্রতিবাদ জানাতে পারে না সে দেশের মানুষ মরবে না তো কোন দেশের মানুষ মরবে .

যে দেশের সরকার আজ পর্যন্ত এই হত্যা বন্ধ কল্পে কোনো রকম উদ্যোগ তো নেইনি বরং মন্তব্য করে যে “বর্ডার এ মানুষ হত্যা তো আজকে নতুন কিছু নয় ” সেই দেশের মানুষ মরে গেলে কার কি আসে যায় .

ভারত কে আপনি কি বলবেন তাদের উদ্দেশেই হল বাঙালি নিধন , এখন যেভাবেই হোক । ওরা দেখাতে চায় যে আমরা চাইলেই শেষ করতে পারি তোমাদেরকে । এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক খেলা ওদের যা তারা করে আসছে বহু বছর ।

কিন্তু জবাব কই? সমুদ্র সীমা জয় করে এই পরাজয় ঢাকা যাবে না মাননীয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পানি আনতে পারেননি আবার বাধ আটকাতে পারেননি মানলাম কারণ দুই দেশের স্বার্থ জড়িত আপনি চাইলেই কিছু করতে পারবেন না । কিন্তু এখন মুখে টেপ কেন?এটা তো আমাদের সমস্যা প্রতিবাদ করতে এত দেরী কেন? নাকি ইচ্ছাকৃত এই বিলম্ব?

যেই দেশের সরকার এতটাই উদাস, এতই জনবিমুখ, এতই দুর্বল, এতই স্বার্থপর সেই দেশের মানুষ লাখে লাখে মরবে এটাই স্বাভাবিক। এনিয়ে আলোচনাই বৃথা । কিন্তু কষ্ট লাগে ওই মানুষগুলোর জন্য যারা বেছে থাকবে বাবা অথবা ভাই ছাড়া এই পৃথিবীতে ।