ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

ইলিয়াস আলী সাহেব যেদিন গুম হলেন সেদিন প্রথম ব্লগটি লিখেছিলাম আমি , খুবই ক্রুব্ধ হয়েছিলাম এই ঘটনায় , এবং স্বাগত জানিয়েছিলাম আজকের এই হরতালটিকে । কারণ প্রতিবাদের আর কোনও রাস্তা তাদের কাছে ছিল না । কিন্তু সন্ধায় হরতাল শিথিল হওয়ার পর একটু বের হতে হল বাহিরে গাড়ি না থাকায় আসতে দেরি হয়ে গেল না হলে কালকের হরতালের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম ব্লগটিও আমার লিখার ইচ্ছে ছিল ।

ইলিয়াস আলীর গুমের অগ্রগতি কী ? আসলে বস্তুত কিছুই হইনি শুধুমাত্র এক অজানা টেলিফোনে গাজীপুরে ইলিয়াস আলীর স্ত্রীকে নিয়ে তদন্ত করতে যাওয়া ছাড়া ।
সুতরাং সরকার বের্থ হয়েছে । এই পরিপ্রেক্ষিতে হরতালটি সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত ছিল । কিন্তু কাল কেন?

জনাব ফকরুল সাহেব যা বললেন তা টানা 48 ঘণ্টা হরতালের জন্য যথাযথ নয় । একজন নেতার জন্য আপনি আমাদের জীবন নিয়ে খেলতে পারেননা । আপনি দুইটি দিন অন্তত বিরতি দিতে পারতেন আরেকটি হরতাল এর মাঝে । তাতে এতটা দুর্ভোগ বাড়তো না জনগণের আমার বাসার মত অনেক বাসায় রুগী আছেন যারা হইত আজকে ডাক্তার দেখাতে পারেননি কিন্তু তাদের অবসসই কাল ডাক্তার দেখাতে হবে । এখন যখন তারা কালও যেতে পরবেন না তখন তারা কী করবেন ? প্রশ্ন রইল বিবেকহীন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ।

আজকের দিনে এর সাথে আপনাকে তরকারি কিনতে হবে বেশি দামে । কারণ বাজারে কোনও কাচা তরকারি এবং মাছের দেখা পাবেন না । ঢাকার ভিতরে গাড়ী ঢোকার কোনও অবকাশ নেই । দূরপাল্লার বাস যেতে পারছে না এবং আসতেও পারছে না । ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে ব্যাপক ভাবে । মানুষের ব্যক্তিগত কাজ সাড়ার কোনও উপায় দেখা যাচ্ছে না এই মুহূর্তে । তাই দুইটি হরতালের মধ্যে অবশ্যই দুই দিন ব্যবধান প্রয়োজন ছিল এবং এর মধ্যে সরকার কেও সময় দেয় হত ।

এস সি পরীক্ষা সময় সুচি পরিবর্তন করতে হল একবার এখন না জানে আর কয়বার পরিবর্তন করতে হয় ।

অবশেষে বলব 24 ঘন্টার ব্যবধানেই আপনাদের নেয়া দুটি সিদ্ধান্তে জনমনে দুই রকম প্রতিক্রিয়া দেখতে পাবেন আপনারা, জনগণ এখন আর বোকা নেই এর এখন বুঝে যে আপনাদের এই গুম আর হরতাল তাদের জীবনে পরিবর্তন আনবে না শুধু মাত্র দুর্ভোগ বাড়ানো ছাড়া ।