ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

সরকার না জানি কোন কারণে এই নোবেল বিজয়ীর পিছু ছাড়তেই চায় না । কিছুদিন পর পর একটার পর একটা ইসু নিয়ে আসে সামনে । কিছু দিন আগে তারই গড়া গ্রামীণ ব্যাংক থেকে তাকে অপসারণ করা হল । এছাড়া আর নানান জল্পনা কল্পনার জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন নানা মুহূর্তে । এই ধারায় নতুন মাত্র যোগ করলেন কাল আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রী ।

তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৪টি৷ এর মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংক বোর্ডের অনুমোদন রয়েছে চার-পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের৷ বাকিগুলোর সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের কোনো সম্পর্ক নেই৷ সেগুলোতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসই সব৷ যেগুলো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাহিরে । কথা ছিল, তারা গ্রামীণ এলাকায় ক্ষুদ্রঋণের কাজ করবে৷ কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা করে না৷কিন্তু হটাৎ করেই তাদের মাথায় এই প্রতিষ্ঠান গুলু বাড়ি দিল কেন যেখানে ডেসটিনির মত বেআইনি প্রতিষ্ঠান এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে ?
আসলে সরকারের ইউনুস এলার্জিটা এখনো রয়েই গেছে এবং সেটা প্রায়ই নাড়া দিয়ে উঠে

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমার গর্বের স্থান । আমি বুঝিনা আমার দেশের সম্মানের কোনও ক্ষতি যাতে না হয় সেদিকে আমরা খেয়াল করব কিন্তু সেটা না করে বরং আমরা সম্মানকে পদদলিত করছি বারবার ।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সব আইন যেন শুধুমাত্র ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর জন্যই রচিত । বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আর কোনও আইন ভঙ্গকারী নেই যাকে নিয়ে সরকার চিন্তা করতে পারে । এই দেশে একমাত্র জীবিত অর্থনৈতিক শত্রু হলেন এই নোবেল বিজয়ী ।

যেখানে আইন সয়ং কিছু ব্যক্তির জন্য শিথিল যোগ্য সেখানে এত কিসের আইন এর মারপ্যাঁচে এই সম্মানী ব্যক্তির সম্মান নষ্টের প্রচেষ্টা? কী চায় সরকার তার কাছে ? এই মানুষটি তাবত দুনিয়ার সব মাথাদের নিকট ব্যাপক ভাবে সমাদৃত শুধুমাত্র তার দেশ বাংলাদেশ ছাড়া । আমরা তো তার পাওনাটা তাকে দেয়নি বরং তাকে হেনস্তা করছি বিভিন্ন ভাবে । তবে এতে আমার মনে হয় না তিনি বিচলিত হবেন এতটুকুও কেননা শুধুমাত্র এই দেশের মানুষ না তাকে সম্মান করে গোটা পৃথিবী ।