ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন আসছেন বাংলাদেশে আগামী পাচই মে, একই দিনে আসছেন ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশে । সুতরাং ব্যস্ত সময় কাটাবে কূটনৈতিক দফতর সে ব্যপারে কোনও সন্দেহ নেই ।

সন্দেহ আছে শুধু একটি ব্যপারে সেটা হল এই মহা শক্তিশালী দেশর দুই ক্ষমতাধর ব্যক্তির সফরকে কতটা কাজে লাগতে পারবে বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক বেশ কয়েকটি চুক্তি সাধন করতে অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশে আসবেন । এসময় পারস্পরিক সার্থ সম্পর্কিত ব্যপারে আলোচনা করবেন । কিন্তু কী হবে ওই আলোচনা গুলু ? আমার কী কী পেতে পারি তার সফর থেকে । বলে রাখা ভাল তিনি একজন বাঙালি এবং আমার কথা তিনি খুবই ভাল বুঝবেন । পন্যের শুল্ক মুক্ত প্রবেশ এর চুক্তি হলেও তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না বিভিন্ন জটিলতায় । আলোচনা হতে অর্থনৈতিক সাহায্য বাড়ানোর ব্যপারে , আলোচনা হতে পারে টিপাইমুখের বাধ বানানোর ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থানের ব্যপারে , তিস্তার পানির ব্যপারে কথা হতে পারে ,কিভাবে মমতা বেনার্জি কে সাথে নিয়ে সৃস্থ পরিস্থিতির সমাধান করা যায় এবং ট্রানজিট এর ব্যপারে আমাদের অবস্থান পরিস্কার করতে হবে । আমরা তাদেরকে ট্রানজিট দিব কিন্তু তাদেরকেও মায়ানমারের সাথে তথা উপরিভাগের দেশগুলুর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ভারতের ভিতর দিয়ে যে ষোল কিলোমিটার রাস্তা প্রয়োজন আমাদের তার উল্লেখ করতে হবে জোরালো ভাবে । এছাড়াও বাংলাদেশের সার্থ জড়িত নানা দাবি আদায়ের কথা বলা যেতে পারে । কিন্তু এই ব্যপারে যথেষ্ঠ মেধা আমাদের পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে আছে কিনা তার ব্যপারে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে ।

বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে হিলারি ক্লিন্টন হটাত্‍ করে যে ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশ সফর করার সেটা শুধু মাত্র আমাদের তাদের কাছে যে প্রয়োজনীয়তা সেটাই প্রমাণ করে না বরং নানা ভাবে আয়তনে ছোট হলেও এই এলাকায় আমাদের গুরত্ত কতটুকু তার প্রমাণও রাখে । কিন্তু কথা হচ্ছে এই আমি আমার গুরুত্ব কতটুকুন বুঝি ? যদি আমি আমার গুরুত্ত বুঝি তাহলে আমি আমার দাবি গুলু নিয়েও সচেস্থ হব । এখনো বর্তমান পৃথিবীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে তারা প্রথমেই রয়েছেন , যদি আমরা তাদের আনুকূল্য পাই তাহলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং রাজনীতি দুটুর জন্যই অনেক ভাল ফল নিয়ে আসবে । ওয়ার্ল্ড ব্যংক,আইএমএফ,এডিবি, সব ক্ষেত্রেই আমাদের সহযোগিতা বেড়ে যেতে পারে অনেক বেশি হারে । তো এই মুহূর্তে আমাদের অর্থনীতির বৃদ্ধির জন্য মার্কিন আনুকূল্য বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
এ ছাড়াও এই মুহূর্তে আমাদের দেশীয় রাজনীতির উপর এটি বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলে আমার মনে হয় । আমাদের রাজনীতিবিদরাত আবার ধমক না খেলে শিখেন না । হয়ত সময় এসেছে কিছুটা শাসনের যেটা হতে পারে মিসেস ক্লিনটনের মাধ্যমে ।

আর সবই হবে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে এসবের মধ্যে যাতে ইউনুস ফেকটর যাতে চলে না আসে । কারণ এই সরকারের ইউনুস সৃতি বেশ সুখকর নয় । পরিশেষে শুভ কামনা রইল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডক্টর দীপু মনি এবং অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেবের জন্য । দেখিয়ে দেন এবার গোটা দেশকে আপনার কী এবং কী পারেন?