ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের এক টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে হিলারির পর দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা ওয়েন্ডি শেরম্যান গত ৬ এপ্রিল ঢাকা সফরে এসে বলেছিলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমার আহ্বান- একটি জায়গায় বসুন এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যেসব মডেল কার্যকর আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের একটি প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি খুঁজে বের করুন।” [সংবাদ সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ৫ মে ২০১২]

তাদের কথা বার্তায় এটা স্পষ্ট যে তারা এই মুহূর্তের বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে বেশ শঙ্কিত । এবং তারা এর ভিতর থেকে কিছুটা নিরপেক্ষ রাস্তা বের করার জন্য চাচ্ছেন। কে চায় না এই সংলাপ? বিশিষ্টজন থেকে শুরু করে একেবারে ব্যবসায়ী, আইনজীবী, চাকুরিজীবী এমনকি রাজনৈতিক নেতারও চান সংলাপ হোক। কিন্তু প্রশ্ন হল কিভাবে?

আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পর্ক এমন পর্যায়ে গিয়ে দাড়িয়েছে যে তারা এখন কেও মারা গেলে তার দাফনে যান না , কারো দেয়া দাওয়াতে অংশগ্রহণ করেন না এমনকি দেখা হলে কৌশল বিনিময় পর্যন্ত করেন না এই ভয়ে যে কেও যদি দেখে ফেলে উপর মহলে গিয়ে কান পড়া দেয় ।

অনেক সময় যারা রাজনৈতিক সৌজন্য দেখিয়েছেন অন্য দলের নেতার প্রতি তারা হয়েছেন দারুন ভাবে বিব্রত । তো এমন এক শত্রু ভাবাপন্ন অবস্থানের মধ্যে সংলাপ হওয়া কষ্টসাধ্য নয় অসম্ভবই বটে ।
তো এই পরিস্থিতিতে মনোভাবের পরিবর্তন প্রয়োজন । আর দরকার একটু সমঝোতার এই সংলাপের জন্য । কিন্তু প্রশ্ন হলে আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিগণ কতটুকু বুঝেন সংলাপের ভাষা ? যদি তারা কিছু বুঝেন তা হল ধ্বংসের, হিংসার এবং আন্দোলনের ।