ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

আমার হিরো, তুমি জিরো হতে সময় নিলে মাত্র ১৮ দিন। কি কষ্ট করে যে তোমাকে ১৮ দিন আগের কথাগুলো বলতে হয়েছিল। ইশ! অনেক কষ্ট। হিরো, তোমাকে কেউ বলেছিল বাংলার বাঘ, কেউ বা বলেছিল সময়ের সাহসী সন্তান, কেউ বা এলাকার লোক হিসেবে বলেছিল সে গর্বিত, কেউ বা তোমাকে জানিয়েছিল লাখো সালাম। আর তুমি? তুমি আমারদের সবার মুখে লাথি দিলে মাত্র ১৮ দিন পর। সাংবাদিক সমাজ তোমাকে কীভাবে স্মরণে রাখবে সেটা জানিনা, তবে আমরা তোমাকে মীর জাফর বলেই জানবো। এক বন্ধু লিখেছেন “শুয়োরের সাথে বসবাস করতে করতে নাকি মানুষের শরীরে শুয়োর শুয়োর গন্ধ লেগে যায়। প্যারিসের দামি পারফিউম মাখলেও নাকি সেই গন্ধ যায় না। ” সত্যি ই হয়তো তাই। শুধু বলবো যে, তোমার কথা সমস্ত ফেসবুক জুঁড়ে আমি ছরিয়েছিলাম অনেকের মতোই। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এতো হয়েছিল যে, সেটা ঠিক সাকিব এর উপর কোন পোষ্টের কাছাকাছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেত্রীর উপর কোন পজিটিভ পোষ্টে এতো সাঁড়া পাওয়া কঠিন। কিন্তু, তুমি পেরেছিলে কোটি মানুষের মন শুধুমাত্র একটা প্রতিবাদের মাধ্যমে।

আর মুন্নী সাহা তো এখন বোবা। বিভিন্ন টক শো তে এতো বাচাল থাকে এই মহিলা, কিন্তু এই বিষয়ে একদম নিশ্চুপ। মাহফুজ এদের কে কি কি স্পেশাল সুবিধা দিচ্ছে সেটা ও এখন ভাবনার বিষয়। এদের এখন নীতি নেই। এরা এখন সাংবাদিক না। আমাদের কাছে এরা সাংঘাতিক এক জীব। জীন না, জানোয়ার।

বলেছিলাম জলে বাস করে কুমিরের সাথে লড়াই তোমার। বলেছিলাম তুমি জাতীয় বীর। আরো অনেক কিছু বলেছিলাম আমি, বলেছিল অগণিত পাঠক। কি দিলে তুমি? শুধুমাত্র আমাদের মুখ বরাবর একটা লাথি। ধিক্কার জানাই তোমাকে। আর কী বা করার আছে আমাদের?