ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

উনি রাজাকার ছিলেন কি না আমি জানিনা। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে ওনার আসল পরিচয় নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলে থাকেন। কিন্তু, এই কথা কেউ বলেন না যে, উনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন বা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে ও এর সংগঠকদের ভূমিকা অনেক বেশী ছিল। তাহলে কে আমি বলতে পারি না যে, আওয়ামীর প্রতীক নিয়ে উনি বঙ্গবন্ধু’র আদর্শকে অপমান করেছেন। কোন একটা নিউজপেপারে ও পড়েছিলাম যে, আমাদের ময়মনসিংহ-৪ আসনের এম,পি বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান (বীর প্রতিক) ও নাকি প্রতিবাদ করে বলেছিলেন যে, উনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। আমি কনফিউজড। দেশবাসী ও কনফিউজড। বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছে আবেদন, এমন একজন নেতা দলে না থাকলে ও দলের কিছুই হবেনা, কিন্তু এমন একজন নেতা দলে থাকলে দলের ভাবমুর্তি বিনষ্ট হয়, হবে। ময়মনসিংহের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আবেদন, মোসলেম সাহেবের আসল পরিচয় উদ্ঘাটন করে আমাদের কে অবহিত করুন। ময়মনসিংহের সাংবাদিক সমাজের ও অনেক দায়িত্ব আছে। আশা করবো, তারা এবং আমাদের এম,পি মহোদয় এই বিষয় টা পরিষ্কার করবেন।

আওয়ামী লীগের এম পি মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে রিপোর্ট ছেপেছে আওয়ামী এমপি সাবের হোসেনের পত্রিকা ভোরের কাগজ , ৮ এপ্রিল ২০১০।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলাটি হয়েছে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও জোড়বাড়িয়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলী মণ্ডলের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৯/১১৪/১১৩/১৩(ক)৩০২/২০১/৪৩৬/৩৭৯/৩৪ ধারায় অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন।