ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

আমি জেনে খুশি হয়েছি বাংলাদেশে এখন শিক্ষামুলক ডিজিটাল কটেন্ট তৈরী হচ্ছে! মিডিয়া মাধ‍্যামে আনন্দের সঙ্গে শিক্ষায় দেয়ায় জাপানের সরকারী টিভি ‘এনএইচকে’ বিশ্বখ‍্যাত। গত ৫০ বছরের অধিককাল যাবৎ এনএইচ এবিষয়ে সফলতা সাক্ষর রাখছে। এজন‍্য তারা আলাদা চ‍্যানেও ‘এনএইচকে ই-টিভি’ ও চালু করেছে। অনেকে বলে, আজকের জাপানের সুশিক্ষা, উন্নত শিক্ষা ও জীবনের পিছনে এনএইচকের অবদান অনেক।

 

nhklearning

 

জাপান সরকারের সহায়তায় বাংলাদেশে বিটিভি-ওয়ালাদেরও উনারা অনেক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষন দিয়েছে ও দিচ্ছে। কিন্তু তেমন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। শিক্ষা ও মাল্টিমিডিয়া নিয়ে কাজ করার দীঘর্ ইচ্ছা আমার । এই জন‍্য উন্নয়নটিভি প্রজেক্টও চালু করেছিলাম। যেহেতু বিষয়টি অলাভজনক, মোটা-খরচ চালাতে না পেরে বেশী দূর এগুতে পারিনি। তবে হাল ছাড়িনি, আবার শুরু করা ইচ্ছা আছে।

বাংলাদেশে টিভি চ‍্যানেল ও এনজিও গণ, এনএইচকের আদলে শিক্ষমূলক ও জীবনমুখী কটেন্ট তৈরী করতে পারে । এ উদ‍্যোগ শিক্ষাকে আনন্দময় ও বিনোদনে রূপান্তরিত করতে পারে। জটিল জটিল বিষয় গুলো, বিশেষ করে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোকে সহজকরন করে শিক্ষাথর্ীদেরকে শিক্ষায়-আস্থা এনে দিতে পারে। সারা জাতিকে অল্পদিনে সুশীল ও সুশিক্ষত করে ফেলতে পারে, যেমনটা করেছে জাপানীদেরকে। শিশুদের পাশাপাশি পিতা-মাতাও অজানা বিষয় গুলো শিখে নিতে পারবে টিভি থেকে।

বিটিভি’র যেহেতু নিজস্ব বাজেট ও প্রতিষ্ঠিত আয়োজন আছে, এব‍্যাপারে তারা সবচেয়ে বেশী অবদান রাখতে পারে, যেমনটা শুরু করেছিল ২০-৩০ বছর আগে ( এসো গান শিখি, এসো নাচ শিখি, এসো বিজ্ঞান শিখি, এসো ছবি আঁকা শিখি… নতুন কুড়ি ইত‍্যাদি গঠনমুলক অনুষ্ঠানের মাধ‍্যমে! দুই যুগ আগের সংস্কৃতিকে বিটিভি ও বা‍ংলাদেশে টিভি-মিডিয়া পুনঃজ্জীবিত করতে পারলে শিক্ষা, গনমাধ‍্যম ও সমাজ নতুন প্রাণ পাবে।
( এনএইচকে অনলাইন লানিং কটেন্টের একটির ইউআরএল http://www.nhk.or.jp/school/program/ )