ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

ছাত্রছাত্রীদের ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন ইতোমধ্যে জনতার দাবিতে পরিণত হয়েছে। এই একটা দাবির সঙ্গে জনগণ, সরকারি দল থেকে শুরু করে দেশের সকল রাজনৈতিক দল একমত পোষন করেছে।

গত শনিবার একটা কাজে মিরপুর-১৪ গিয়েছিলাম। পথে একটা দৃশ্যে চোখ আটকে গেলো। দেখি প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ছেলেমেয়েগুলো যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে।

এই দায়িত্ব  তাদের না, তাদের এই সময় থাকার কথা ক্লাসরুমে; কিন্তু তারা দাবির অংশ হিসাবে নিজে থেকে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। ছেলেমেয়েদের স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

মিরপুর-১৪ থেকে কাজ শেষ করে ফিরে আসার সময় আর একটা জিনিস দেখে খুব ভালো লাগলো। শিক্ষার্থীরা যানবাহন চলাচলের জন্য আলাদা আলাদা লেন তৈরি করে দিয়েছে। একটা লাইন দিয়ে রিক্সা চলছে, একটা লাইন দিয়ে গাড়ি চলছে, একটা লাইন রাখা হয়েছে ইমারজেন্সি চলাচলের জন্য। যেখান দিয়ে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, জরুরি বিদ্যুৎসহ জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহনগুলো।

এই দৃশ্য দেখতে আসলেই খুব ভালো লাগছিলো। ছোট ছেলেমেয়েদের এই কাজ থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ তিনি ইতোমধ্যে অনেকগুলো কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। আমরা সাধারণ জনগণও আশা করছি এই সিদ্ধান্তগুলো অতি শীঘ্রই কার্যকর হবে।

আমরা সবাই আশা রাখি দেশে সড়ক দুঘর্টনা একদিন শুন্যের কোঠায় নেমে আসবে। আর একটি মায়ের বুকও পথে পড়ে থেকে খালি হবে না। দিন শুরু হবে না কোনও স্বজন হারানোর আহাজারি দিয়ে। সোনার বাংলা একদিন পরিণত হবে হাসিখুশি এক আদর্শ বাংলাতে।