ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

গতকাল প্রথম আলোর এক সংবাদ শিরোনাম: পাস নম্বর পাচ্ছেন না জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা (!!!)” প্রতিবেদনটিতে তিনি যা দেখিয়েছেন তাতে আমাদের বর্তমান শিক্ষার করুন দশারই বহিঃপ্রকাশ। একজন ছাত্র জিপিএ – ৫ পেয়ে কি করে ভর্তি পরীক্ষায় কোন একটি বিষয়ে পাস নম্বর পায়না? ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন তো অন্য কোন স্থান থেকে করা হয় না। বিগত বছরে তারা যা পড়েছে ওখান থেকেই হয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো। তবে শিক্ষার্থীর জ্ঞানের দৌড় জানতে করা হয় কিছু অতিরিক্ত প্রশ্ন। তবে সেই প্রশ্ন মোটেও প্রার্থীর পাস নম্বরে কোনই ভূমিকা রাখে না। ঐ প্রশ্নগুলো নির্ধারণ করে তাদের মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ার বিষয়টা। অর্থাৎ ঐ প্রশ্নগুলোর সঠিক জবাব দাতাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় মেধা তালিকায় প্রথম দিকে স্থান পাওয়া নিয়ে। এমন প্রশ্নের সমাধান সবাই করতে পারবে না সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে জিপিএ – ৫ প্রাপ্ত কোন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর পাবে না তা কি করে সম্ভব?

গতকালের সংবাদটি সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এভাবে: জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা নিদারুণভাবে অযোগ্য!”” । মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত নেতিবাচক সংবাদগুলো কি তা হলে সত্য প্রমানিত হতে চলছে?? এমন হলে বর্তমানের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা কোন পথে হাটছে? তা ছাড়া দেশের ভবিষ্যৎই বা কী??

এমন সংবাদ আমাদের কি বার্তা দিচ্ছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে? আমাদের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর অর্জন কি শুধুই মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?? তা হলে ফলাফল কি ছিল শুধুই শিক্ষামন্ত্রীর বাহবা প্রাপ্তির জন্য?? জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় নিদারুণ অযোগ্যতার পরিচয়; কি প্রমাণ করে আমাদের বর্তমান মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে? এ ফলাফল কী আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর নিদারুণ অযোগ্যতারই প্রমান নয়???
(শিরোনাম এডিট করা হয়েছে)

কৃতজ্ঞতা: প্রথম আলো অনলাইন।