ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

ভ্রাম্যমান আদালতকে ধন্যবাদ দিতেই হয়!

অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট-পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত আজ স্কয়ার হাসপাতালকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ছয়টি গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযানে দেখা যায়, কোনো অনুমোদন ছাড়াই আইসিইউ, সিসিইউ, এনআইসিইউ ও ইইচডিইউ এবং কিছু রোগনির্ণয় যন্ত্র চালিয়ে আসছে স্কয়ার হাসপাতাল। হাসপাতালে ৩০০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও সেখানে শয্যা আছে ৩৬৫টি। হাসপাতাল, এর ব্লাড ব্যাংক ও পরীক্ষাগারের অনুমোদন গত দুই বছর হালনাগাদ করেনি কর্তৃপক্ষ ইত্যাদি ছয়টি কারনে তাদের জরিমানা করেন ম্যাজিস্ট্রেট।

এত বড় একটা হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় খুব খুশি লাগছে।

এর আগে রবিবার অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির দায়ে ল্যাব এইড হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে দারুন একটা কাজ করেছে ম্যাজিস্ট্রেট-পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত। তাছাড়া ২৬ ধরনের বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন ওষুধ জব্দ এবং রোগীদের ভেজাল ওষুধ সরবরাহের দায়ে এক চিকিৎসকের সহকারীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এরকম কর্মকান্ডে প্রমাণ হয় যে সরকার (সরকারি কর্মকর্তারা) চাইলে অন্যায় করে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পার পেতে পারেনা।

এর আগে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনবিহীন ওষুধ বিক্রি করায় অ্যাপোলো হাসপাতালকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল ভ্রাম্যমান আদালত। তাছাড়া স্পর্শকাতর রোগের বিদেশী ওষুধ বিক্রির দায়ে কলাবাগানের বিখ্যাত ওষুধের দোকান লাজ ফার্মাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে আরেকটি ভ্রাম্যমান আদালত।

স্বাস্থ্যখাতে অরাজকতা বন্ধ করতে এ ধরণের অভিযান সারা বছর চালু রাখতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানাই।