ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

সম্প্রতি এ.কে.খন্দকার দ্বারা ইতিহাস বিকৃত অপচেষ্টা দেখে বাংলাদেশের জন্ম বিরুধীরা খুশিতে বগল বাজাচ্ছেন। তারা মনে করছেন “জয় পাকিস্থান” আর্বিভাব হওয়াতে “জয় বাংলা” ও এর ধারক দলের উপর খরগ নেমে এসেছে। এতে তাদের এক দফা বদলা নেয়া হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো তারা বুঝে না বুঝে হুটহাট খন্দকার সাহেবের ভক্ত বনে গিয়েছেন। বিষয়টা যতটুকু ছোট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ মূলতঃ তা মোটেও ছোট নয়। এখানে একটি দেশের জন্মের মহান ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। যা রাস্ট্র বিরুধী ফৌজদারী অপরাধ। এই অপচেস্টা সুধু অাওয়ামীলীগের ক্ষতি করা হয়েছে ভাবার কোন অবকাশ নেই। এটা রাস্ট্রের দেশ প্রেম তৈরীতে বাধা দান করচ্ছে। প্রশ্ন জাগে একজন বিজ্ঞ মানুষ কেন এতো বড় ভুল পথে হাটচ্ছেন? উনি নিশ্চয়ই জানেন ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে পরিভ্রমন করে? উনি কি কোন বিশেষ কিছু লুকোনোর চেষ্টা করছেন? নাকি রাজাকারদের সাথে হাত মিলিয়ে যুদ্ধপরাধীদের বিচারিক কাজকে একটা ঘোলাটে স্থানে উপনিত করে প্রস্থান নিতে চাচ্ছেন? শুনেছি উনার বই-এর কাটতি অনেক। তাহলে কি এটা ভাবা অন্যায় যে, উনি জনগনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করচ্ছেন? যদি তাই হয় তাহলে উক্ত বই বিক্রির টাকাতে উনার কোন অধিকার নেই। এই ‍মুহুর্তে বই বিক্রির সকল টাকা রাস্ট্রিয় কোষাগারে নেয়া সমিচিন নয় কি? রাস্ট্রের ইতিহাস বিকৃত করে আর্জিত অর্থ জনগনের উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা উচিৎ নয় কি?