ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

বিগত কয়েক বছর ধরে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরীক্ষানামে কোমলমতি শিশুদের মেধা যাচাইয়ের নামে মেধা যা- ইচ্ছে-তাই করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী বাহবা নিলেও তা এখন বাহুল্য। যে বয়সে শিশুরা আনন্দের মধ্যে শিখবে । সে বয়েসে শিশুরা কঠিন মুখস্থ সর্সস্ব জ্ঞান তোতাপাখির ন্যায় বমি করে থাকে। এর ফলে শিশু সহ সকল অভিভাবক জ্ঞান অর্র্জনের চাইতে জিপিএ অর্জন এর উপর বেশি জোড় দিয়ে থাকে। শ্রেণী ও পরীক্ষা হলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রতিবন্ধক। মুখস্থ বিদ্যায় যে শিশুটি গোল্ডেন পেল তার ভেতর গর্বের আবেগ তৈরী হয় । গর্বের আবেগ শিশুর পরবর্তী জীবনে জ্ঞান অর্জনের প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে। তেমনি ভা্বে যে শিশুটি ফেল করে তার ভেতর হীনমন্যতা তৈরী হয়। এই হীনমন্যতা জাতিকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। এর প্রায় এক তৃতীয়াংশ শিশু বাবা-মায়ের চাহিদা মাফিক ফলাফল না করার জন্য শারীরিক ও মানসিক শাস্তির স্বীকার হয়। শাস্তি শিশুকেসুস্থ মানুষ হতে বাধা দেয়। এটা কী আবিস্কার করলেন নাহিদ স্যার? মাত্র সামান্ন একটা সনদের জন্য হাজার হাজার শিশু একদিনে বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত শাস্তি পাবে, সেটা কি তিনি হিসেব করেছেন? প্রতিবছরের শাস্তির ফলে আগামী এক যুগের মধ্যে দেশ একটি দাস জাতিতে পরিতনত হবে কি হবে না– সেটা কি ভেবে দেখেছেন????