ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সহজে স্টেশন পরিচিতি বোঝানোর জন্য অডিও-ভিডিও মাধ্যম ব্যবহার করেন। এই সকল স্টেশন পরিচিতি টেলকগুলোতে স্টেশন সংলগ্ন স্থানসমুহের সুলতানি আমল বা আর্য আমলের নানান ঘটনার বর্ননা করা হলেও মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কার কোন ঘটনা বর্ণনা করা হয় না। যে মানুষগুলোর রক্তের বিনিময়ে একটা দেশ স্বাধীন হলো। যে সংগ্রামের বিনিময়ে একটা দেশের মানুষ স্বাধীন জীবন যাপন করছে। যাদের বিনিময়ে আজ আমরা মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করে ভাতের অভাব থেকে দুর করে উন্নত চিন্তা ভাবনা করতে পারছি। সেই মানুষগুলোর বর্ণনা নাই সেই সকল টেলকগুলোতে। খুব কষ্ট হয়। আবার মনে হয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো বিভিন্ন সংস্থাগুলোর কীসের সমস্যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তথ্য প্রচার করতে? তাদের এতো লজ্জা কেন? এত দ্বীধা কেন? বিশ্বে আজ আমরা মাথা উচু করে দারিয়েছি যাদের কারণে তাদের কথা কেন আমরা সর্তকভাবে সিই মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর কাহীনি এড়িয়ে চলি, কিন্তু কেন? নজরুলের চেতনায়, রবীন্দ্রনাথের চিন্তায় বাঙ্গালী জেগে উঠেছিল, হাজার বছরের স্বাধীনতার লাল র্সুয জাতির হাতে তুলে দিয়ে নিরবে তারা চলে গেলেন, সেই সক বীর বাঙ্গালীর বীরত্বগাথাঁ কাহীনি স্বরণ করতে আমাদের এতো লজ্জা কেন? কেন? বর্তমান সরকারের মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের কাছে অনুরোধ বিষয়টি বিবেচনাতে এনে বাংলাদেশের প্রতিটি বাস, ট্রাক, উড়ো-জাহাজ, নৌ-জাহাজ, রেলগাড়ীর যাত্রিরা যেন যাত্রা পথে বিভিন্ন স্থানের মুক্তিযোদ্ধাদের বীরগাঁথা কাহীনি যেন যাত্রাকালে শুনতে পান।