ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

একজন বুড়া মানুষ একটি অভিজ্ঞতার ভান্ডার। আমাদের দেশের অধিকাংশ বৃদ্ধদের মৃত্যু হয় তাদের অভিজ্ঞতাগুলো অন্যদের কাছে না প্রদান করেই। সকল শিশুবিদ্যালয়ে ভারি ভারি বই -এর চেয়ে সকল বুড়ো-বুড়িদের আড্ডাখানা করলে হয়তো কোমলমতি শিশুরা ঐ সকল দাদা-ভাই বা দাদিমা থেকে যে জ্ঞান অজর্ন করতে পারতো তা হয়তো অনন্য হতো। সেই শিক্ষা হতো প্রকৃত শিক্ষা। হামটি ডামটি বা টুইংকাল টুইংকাল বা হাট্টিমাটিম জাতীয় অবাস্তব শিক্ষা প্র্রাত্যহিক জীবনের কতটুকু কাজে আসে তা এখানে বলা বাহূল্য। জাপানে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্টনে বৃদ্ধদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। যারা গল্পের মাধ্যমে তাদের জীবনের অর্জিত সকল জ্ঞান শিশুদের গল্পের মাধ্যমে প্রদান করে। সুধু তাই নয়। তাদের গল্প রের্কড করা হয়। প্রয়োজন মত রেকর্ড থেকে তা বই বানানো হয়। আমাদের দেশের বুড়ো দাদা-দাদিদের স্কুলগলোতে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। একটি আইন করে তাদের সম্পৃক্ত করলে অনেক সাফল্য হতো নিঃশন্দেহে । এ বিষয়ে একটি আইন করা প্রয়োজন। বর্তমান প্রধান মন্ত্রি সহ সকল সংসদ সদস্যদের কাজে অনুরোধ শিশু-বিদ্যালয়ে দাদা-দাদিদের সম্পৃক্ত ও শিশুদের গল্পের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান বিষয়ক আইন প্রনয়ন করুন।