ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আমাদের দেশে ইদানীং কিছু চমৎকার চরিত্রের আবির্ভাব হয়েছে…উনারা ত্বরিতকর্মা, চটপটে, প্রভু ভক্ত, বিশ্বস্ত—হ্যা বলছিলাম আমাদের অশান্তির দেবী ও তার পা চাটা বা-আ-ল রক্ষীবাহিনী নিয়ে।

সরকার বিরোধী কিংবা নিরীহ মানুষেরা আজ নিপীড়িত, নিগৃহীত এই সব লাইসেন্সড প্রাপ্ত পেটোয়া, খুনি, সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা…

সরকার আজ যেন মানুষের আওয়াজকে বড় বেশী ভয় পায়।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আজ যেন কেও নিশ্চিত নয় আজকের জ্বলে উঠা এই সূর্যের নিচে আজই শেষ দিন কিনা! দোকানে যাও গতকালের দাম হয়তো বেড়ে গেছে; গরমে ভিজে যাচ্ছে শরীর বিদ্যুৎ গেলো চলে; রাস্তায় বেরোলে বাসায় আদও ফিরতে পারবে কিনা তার নিশ্চয়তা নেই; বাড়ি বানাবে চাঁদা লাগবে; ব্যবসা করবেন চাঁদা দিতে হবে…কাকে!…কেনও আমাদের সোনার ছেলে আর বুড়াদের!…

মনরঞ্জনের জন্য আছে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সোনার ছেলেদের প্ররিচালিত পতিতালয়ের মেয়েরা …শেয়ার বাজারে বাবার পেনশন, কিংবা মার গয়না বিক্রি করা টাকা বিনিয়োগ করে যে ছেলেটা স্বপ্ন দেখত বাবার জন্য ওষুধ কিনবে, মার জন্য একটা শাড়ি কিংবা বোনের বিয়ের জন্য গয়না —সব তো প্রতারনা আর সংবদ্ধ লুটপাটের জালে হারিয়ে যায়।

হঠাৎ করে সাদা মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন সাধারণ মানুষের পোশাকে এসে ধরে নিয়ে গেলো আপনাকে—কারা এরা!?… কেও বলে অশান্তির দেবীর ডিবি রক্ষীবাহিনী, কেও বলে ছাত্রলীগ কিঙ্গবা যুবলীগ…

আজ ঘরে ঘরে কাঁদছে মানুষ বোবা কান্নায় …কেও হয়তো হারিয়েছে সন্তান…পেয়েছে বেওয়ারিশ লাশ…কেও হয়তো খুঁজে নিচ্ছে ডাস্টবিনের ময়লা খাবার…আর কেও হয়তো অভিমানে ঝুলে পড়ছে ফ্যানের সাথে ফাঁস নিয়ে…

রাস্তায় নামলে প্রতিবাদী মানুষকে পিষে দিচ্ছে বুটের খটখটে পেরেক!

সরকারের মন্ত্রিরা উপহাস করছে আমাদের এই নিপীড়িত মানুষের দুর্দশা নিয়ে—কম খেতে—কম বাজারে যেতে—কেও হয়ে যাচ্ছে ফটকা—কেও বলছে আমরা দাবি জানালে হয়ে যাব অসভ্য— কেও ধর্ষিতা মেয়েটিকে পরিচিত করছে নষ্টা বলে “এই টা মিউচুয়াল ” বলে…

ঝুলে থাকা ফেলানি হয়ে যাচ্ছে ভিনদেশি –ভারতীয়! তাহলে কি ঝুলছে না বাংলাদেশ!?

আর অন্যদিকে আমাদের অশান্তির দেবী লাটবহর নিয়ে চলেছেন শান্তি কিনতে!—এই ভণ্ডামি আর নষ্টামির শেষ কোথায়??

তাহলে কোথায় চলেছি আমরা? আমাদের যে প্রতিবাদী শক্তিগুলো সোচ্চার ছিল যাদেরকে প্রতিনিয়ত দেখা যেত পত্রিকার পাতায়, বক্তৃতা ও বিবৃতিতে তারা এখন কোথায়??…তারা কি এখন শীতনিদ্রায় আছেন!!…যতদূর জানি উনারা এখন সরকারের বিভিন্য সুযোগসুবিধায় আরাম আয়েশ করছেন!…কেও উপদেষ্টা হয়ে, কেও হয়ে মহাপরিচালক…

তাহলে হে তরুণ…তুমি কোন ভণ্ড প্রতারকের খপ্পরে পরে এনেছ এই অশান্তির দেবী ও আমাদের বা-আ-ল রক্ষীবাহিনী…

তাই আজ আমাদের জেগে উঠার দিন…
হাতেহাত রেখে এসো করি চুরমার অশান্তির দেবী ও বা-আ-ল রক্ষীবাহিনীর তাণ্ডব!

জেগো উঠো বাংলাদেশ আর এক মুক্তিযুদ্ধে —এই যুদ্ধ হোল মানুষের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার দাবিতে— এই যুদ্ধ হোল মানুষের কথা বলার অধিকার স্বাধীন করার দাবিতে…এই যুদ্ধ হলো বাংলাদেশ এর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার দাবিতে..। এই যুদ্ধ হোল বাংলাদেশ এর মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার দাবিতে।